মোহাম্মদ ইউনুসের আমলে বাংলাদেশে শুরু হয়েছে অরাজকতার পরিস্থিতি। চারিদিকে সংঘর্ষ লুটপাট খুন ধর্ষণ সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর অত্যাচার সবটাই চলেছে মোঃ ইউনুসের শাসন কালে। সে দেশের মানুষের উপর অত্যাচারের ঘটনায় বারংবার উদ্বেগ প্রকাশ এবং সরকারকে সতর্ক করেছে ভারত। এবার বাংলাদেশের এই পরিস্থিতিতেই ভারতীয় গোয়েন্দাদের হাতে এলো এক ভয়ঙ্কর রিপোর্ট। এই গোয়েন্দা রিপোর্ট পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণ করলে স্পষ্ট হবে ভারতকে অশান্ত করার পরিকল্পনা শুধুমাত্র বাংলাদেশ বা ইউনুসের নয় এর পিছনে রয়েছে একটি আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র।
ভারতীয় গোয়েন্দা রিপোর্টে বলা হয়েছে, তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থাগুলি বাংলাদেশের ইসলামপন্থী গোষ্ঠীগুলিকে, বিশেষ করে উগ্রপন্থী দল জামাত-ই-ইসলামিকে আর্থিক ও লজিস্টিক সহায়তা দিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে, যা ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ তৈরি করছে। অর্থাৎ বাংলাদেশের জামাতে ইসলামী ও তুরস্কের ধর্মীয় ভাবধারা সম্পূর্ণ এক। যার ফলে এবার তুরস্ক ভারতকে চাপে ফেলতে বাংলাদেশকে শুধুমাত্র ধর্মীয় দিক থেকে নয় অর্থনৈতিক থেকেও সহায়তা করছে। অর্থাৎ এবার জামাতকে আর্থিক দিক থেকে সহায়তার প্রক্রিয়া চালু করল তুরস্ক। কারণ ঢাকার মগবাজারে জামায়াতের অফিস সংস্কারের কথা বলা হয়েছে, যা তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থাগুলির দ্বারা অর্থায়ন করা হয়েছিল বলে মনে করা হচ্ছে। এই পদক্ষেপটি দলটির সাংগঠনিক ও অবকাঠামোগত ভিত্তি শক্তিশালী করার জন্য একটি কাঠামোগত প্রচেষ্টার ইঙ্গিত।
গোয়েন্দা সূত্রগুলি আরও দাবি করেছে যে তুরস্ক, পাকিস্তানের আইএসআই এবং বাংলাদেশের জামাত-ই-ইসলামি ভারতকে অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে একটি কৌশলগত জোট গঠন করেছে। যার মাধ্যমে তুর্কি কর্তৃপক্ষ সাদিক কায়াম সহ বাংলাদেশি ইসলামপন্থী নেতা এবং ছাত্রকর্মীদের তুর্কি অস্ত্র উৎপাদন ইউনিটগুলিতে সফরের সুযোগ করে দিয়েছে বলে জানা গেছে। গোয়েন্দা তথ্য থেকে জানা যায় যে এই সফরগুলির লক্ষ্য সামরিক জ্ঞান এবং সম্ভবত অস্ত্র সরবরাহের অ্যাক্সেস সক্ষম করার।
আবার প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগানের অধীনে, তুরস্ক দক্ষিণ এশিয়ার ইসলামপন্থী দলগুলির মধ্যে তার প্রভাব বিস্তার করেছে বলে জানা গেছে। সূত্র বলছে নিরাপত্তা সংস্থাগুলির ধারণা তারপর যে এই প্রস্তুতি দুর্বল জনগোষ্ঠীকে উগ্রপন্থী করে তুলতে এবং তুরস্কের ভূ-রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষার সাথে তাদের একত্রিত করতে পারে।
পাশাপাশি জামায়াতে ইসলামী এবং এর সহযোগী সংগঠনগুলি তাদের কার্যক্রমের অর্থায়নের জন্য বিভিন্ন তহবিল চ্যানেলের উপর নির্ভর করে বলে জানা যায় – যার মধ্যে রয়েছে রেমিট্যান্স, অনুদান এবং গোপন বিদেশী গোয়েন্দা সহায়তা। তুরস্কের সমর্থনে, এই দলটি এখন বাংলাদেশ এবং ভারত উভয় দেশেই তাদের কার্যক্রম এবং নিয়োগ প্রচেষ্টা সম্প্রসারণের জন্য আরও ভালো অবস্থানে থাকতে পারে।
গোয়েন্দা সূত্রগুলি সামনে এনেছে আরও একটি ভয়ঙ্কর তথ্য, যে তুরস্ক, পাকিস্তানের আইএসআই এবং বাংলাদেশের জামাত-ই-ইসলামি ভারতকে অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে একটি কৌশলগত জোট গড়ে তুলেছে এই ত্রিপক্ষীয় শক্তি দক্ষিণ এশিয়া জুড়ে তহবিল, অস্ত্র এবং চরমপন্থী মতাদর্শ সহজেই চালনা করবে। ভারতবিরোধী কার্যকলাপের জন্য বাংলাদেশকে একটি ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করছে তুরস্ক। আর এই বিষয়ে এখন ভারতের নিরাপত্তা সংস্থাগুলির তরফে সতর্কতা দেওয়া হচ্ছে। তাদের ধারণা এই জোটের ক্রমবর্ধমান শক্তি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা স্থাপত্যের একটি বড়সড় হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে।












Discussion about this post