যেকোনো সময় ভারত-পাক যুদ্ধ শুরু হতে পারে। আর ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভারতের তিনবাহিনীকে পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়ে দিয়েছে, এখন পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অ্যাকশন শুধু সময়ের অপেক্ষা। সঙ্গে নিশানায় রয়েছে বাংলাদেশ। খাদ্যপণ্য রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে শীঘ্রই নতুন চাপ সৃষ্টি করতে চলেছে ভারত।
উল্লেখ্য,পহেলগাও এর হামলার পরে এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটির বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে । তার আগে মঙ্গলবার বিকেলে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল অনিল চৌহান ও তিন সামরিক বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে সামরিক বাহিনীকে প্রত্যাঘাতের বিষয়ে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়ার বার্তার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সন্ত্রাসবাদকে গুঁড়িয়ে দেওয়া ‘জাতীয় সঙ্কল্প’। সামরিক বাহিনীর পেশাদারি দক্ষতার উপরেও তিনি সম্পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করেছেন।
হঠাৎ ভারতের প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংকল্প বলতে একটি কঠোর সংকল্পের ইঙ্গিতই দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ দেশের অভ্যন্তরে বা বাহিরে যে সন্ত্রাসবাদি সংগঠনগুলি রয়েছে তার শিকর উপরে পুরোপুরি নির্মূল করা হবে ভারতের তরফে। আর এই যুদ্ধ চলছে ভারতের ভিতরে এবং বাইরে।
দেখা গিয়েছে, সন্ত্রাসী হামলার পর থেকে ভারত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একাধিক কৌশলগত পদক্ষেপ নিয়েছে। সেখানেই দেখা গিয়েছে দেশ এবং বিভিন্ন রাজ্যের সমস্ত প্রান্ত থেকে পাকিস্তানি ও বাংলাদেশীদের খুঁজে বার করে তাদের দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে ভারত সরকারের তরফে। আর যারা নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে নিজে দেশে ফিরে না যাচ্ছে তাদেরকে ধরে পুলিশ হেফাজতে রাখা হবে। তার মাঝে দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সমর্থকরা ইতিমধ্যে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে শুরু করেছেন। কিন্তু ভারতের নতুন সিদ্ধান্তের জেরে তাদের এই সক্রিয়তা যে এক নিমিষেই বন্ধ হয়ে যেতে পারে সেটা হয়তো তারা কল্পনাও করতে পারছে না।
সম্প্রতি খাদ্য মন্ত্রক সূত্রে খবর, আগামী কিছু ঘণ্টার মধ্যে সরকার একটি নোটিস পেশ করতে পারে। যেখানে ভারত খাদ্যপণ্য সরবরাহ এর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী তার নীতি থেকে সরে এসে বুঝতে পেরেছেন যে যেমন তার সঙ্গে ঠিক তেমনি আচরণ করা উচিত। অর্থাৎ ভারতের থেকে সমস্ত জিনিস নেবে আবার ভারতকেই চোখ রাঙাবে তা একেবারেই মেনে নেবে না ভারত সরকার। সরকারের এই নোটিশ ইস্যু হয়ে যাবার পর আর কোন জিনিস নেপাল ভুটান বাংলাদেশ বা শ্রীলঙ্কা কোথাও পৌঁছাবে না। অর্থাৎ নিজের ক্ষমতায় একের পর এক কৌশল অবলম্বন করতে সচেষ্ট ভারত সরকার।
সম্প্রতি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে নিয়ন্ত্রণ রেখা ঘিরে সেনা মোতায়েন বৃদ্ধি, সীমান্তে গোলাগুলির খবর এবং পারস্পরিক বিবৃতি যুদ্ধ পরিস্থিতির আভাস দিচ্ছে। এতে পুরো উপমহাদেশে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। অর্থাৎ এবার মোহাম্মদ ইউনূসের মুখেও যুদ্ধের কথা। ইউনূস বলেন, ”আমরা এমন এক বিশ্বে বাস করি, যেখানে যুদ্ধের প্রস্তুতি না রাখাটা আত্মঘাতী।” বুধবার বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর বার্ষিক মহড়া ‘আকাশ বিজয় ২০২৫’-এর এক অনুষ্ঠানে এমনই মন্তব্য করেন ইউনূস। শুনুন ভারত-পাক যুদ্ধে পরিস্থিতিতে নিজ দেশের প্রতি কি বার্তা মোহাম্মদ ইউনুসের,,
অর্থাৎ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যখন ভারত পাকিস্তানের কূটনৈতিক সম্পর্ক হ্রাস হচ্ছে এবং এই দুটি দেশ যুদ্ধ পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছে তখনএই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ‘প্রস্তুত থাকার’ যে আহ্বান এসেছে, তা কেবল প্রতিরক্ষা নয়, কূটনৈতিক ও মানবিক প্রস্তুতির দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত বহন করে।












Discussion about this post