ভারতের দুর্গে বসেই ভারত আক্রমণের ছক! পহেলগাঁও নৃশংস হামলার শিকার হতে হয়েছে ২৬ জন ভারতীয় পর্যটককে। এই সন্ত্রাসবাদী হামলার পর ভারত জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ক্রোধ। ভারত সরকার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে নানা পদক্ষেপ করতে শুরু করেছে। হাত পা গুটিয়ে বসে নেই পাকিস্তানও। আর এর মাঝেই শোনা গেল, একদা এক ভারতীয় রাজার নামে নামাঙ্কিত শহর রাওয়ালপিন্ডিতে বসে পাক সেনাপ্রধান জেনারেল অসীম মুনির ভারতের বিরুদ্ধে আক্রমণের ব্লু প্রিন্ট তৈরি করছেন। এই আবহে খুব স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, ভারত-পাক যুদ্ধ লাগলে কী পরিস্থিতি তৈরি হবে? কে জয়ী হবে যুদ্ধে? আসুন জেনে নেওয়া যাক দুই দেশের সামরিক শক্তি সম্পর্কে।
ভারত জুড়ে যখন পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ক্ষোভের সঞ্চার হচ্ছে তখন, ভারতের পাশে এসে দাঁড়িয়ে আছে শক্তিধর দেশগুলিও। ভারতের তরফ থেকে নেওয়া কূটনৈতিক পদক্ষেপ গুলির পরিপ্রেক্ষিতে পাকিস্তান ও বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে ভারতের বিরুদ্ধে। অন্যদিকে ভারতের সেনাবাহিনীও যুদ্ধের মহড়া ও প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। স্বাভাবিকভাবেই পাকিস্তানেরও ঠিক একই ছবি দেখা যাচ্ছে। আর এই আবহে খুব স্বাভাবিক ভাবেই আসছে দুই দেশের শক্তির তুলনা। একটা বিষয় দিনের আলোর মতো পরিষ্কার, ভারতের শক্তি পাকিস্তানের থেকে বহুগুণ বেশি। আর এটা মেনে নিতে বাধ্য প্রতিপক্ষ দেশ পাকিস্তানও। প্রতিরক্ষার দিক থেকে অনেকটাই এগিয়ে ভারত।
দুই দেশের সামরিক শক্তি সম্পর্কে এবার বিস্তারিত আলোচনা করা যাক , সূত্র বলছে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে সেনা সংখ্যা১.৪ মিলিয়ন বা ১৪ লক্ষ। এর মধ্যে স্থল বাহিনীতে সেনা সংখ্যা ১২,৩৭০০০, নৌবাহিনীতে সেনা ৭৫৫০০, বিমান বাহিনীতে ১৪৯৯০০ এবং উপকূল রক্ষী বাহিনীতে সংখ্যাটা ১৩৩৫০। এবার নজর রাখা যাক পাকিস্তানের সেনা সংখ্যার দিকে, পাকিস্তানের মোট সেনা সংখ্যা ৭ লক্ষ। এক কথায় ভারতের অর্ধেক। এর মধ্যে পাক স্থল বাহিনীতে ৫৬০০০০ সেনা, নৌবাহিনীতে সেনা সংখ্যা ৩০, ০০০ এবং বিমান বাহিনীতে ৭০,০০০। এছাড়া ভারতের ভূমি শক্তি রয়েছে ৯৭৪৩টি আর্টিলারি, ৩৭৪০টি মেইন ব্যাটল ট্যাংক। আর পাক-ভূমিশক্তিতে রয়েছে ৪৬১৯টি আর্টিলারি, ২৫৩৭টি মেইন ব্যাটল ট্যাংক। ভারতের বিমান বাহিনীতে ৭৩০টি কমব্যাট-কেপেবল এয়ারক্রাফ্ট আছে। অন্যদিকে পাকিস্তানের বিমান বাহিনীতে রয়েছে মাত্র ৪৫২টি। ভারতের ১৬টি সাবমেরিন, ১১টি ডেস্ট্রয়ার, ১৬টি ফ্রিগেটস এবং দুটি এয়ারক্র্যাফ্ট কেরিয়ার। সেই জায়গায় পাকিস্তানের রয়েছে অর্ধেক সাবমেরিন, ৮টি। মাত্র ১০টি ফ্রিগেটস।
পরমাণু শক্তি হিসেবে ভারতের রয়েছে ১৭২টি ওয়ারহেডস। আর পাকিস্তানের রয়েছে ১৭০টি।
প্রসঙ্গত,বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশী যোগ উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না পুরোপুরি ভাবে। কারণ ইদানিং বাংলাদেশের তরুণদের পাকিস্তানে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে, তাতে বাংলাদেশের যোগ স্পষ্ট হচ্ছে। অন্যদিকে ভারতের এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বাংলাদেশের লস্কর ই তৈয়বার প্রধানের সঙ্গে কথা বলেন। এমন একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। মিজোরামে কিছু একটা করতে পারে, এমন ইঙ্গিত আগেই দিয়ে রেখেছিলেন বিশেষজ্ঞরা। আর এই পরিস্থিতিতে একটা তথ্য সামনে এসেছে, সেটা হচ্ছে ভারতের দখলের একটি ছক কষা হচ্ছে। আর সেটি পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ একযোগে করছে বলে খবর।











Discussion about this post