দিল্লিতে হাসিনার ভাষণ ‘গণতন্ত্রের জন্য বিপজ্জনক’, এভাবেই নয়া দিল্লিকে তোপ দাগলো মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। কিন্তু গত শুক্রবার দিল্লির ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব অফ সাউথ এশিয়ার অনুষ্ঠিত ওই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অডিও ভাষণ শুনেছেন এক কোটিও বেশি মানুষ। জানা গিয়েছে, ভারতের প্রায় সব সংবাদমাধ্যম তো বটেই গোটা বিশ্বের প্রথম ও মাঝারি স্তরের সমস্ত টেলিভিশন, খবরের কাগজ, রেডিও এবং অনলাইন প্লাটফর্ম শেখ হাসিনার বক্তব্য নিয়ে খবর প্রকাশ করেছে। ভারত-সহ বিশ্বের বহু সংবাদ মাধ্যম হাসিনার বক্তব্য লাইভ সম্প্রচার করেছে। সংশ্লিষ্ট মহলের বক্তব্য, সাম্প্রতিক অতীতে কোনও নেতা বা নেত্রী, বিশেষ করে ক্ষমতাচ্যুত এক প্রধানমন্ত্রী যিনি কিনা নিজের দেশেই ফাঁসি সাজাপ্রাপ্ত আসামি, এমন একজনের ভাষণ এত বেশি মানুষ লাইভ শোনেননি সাম্প্রতিক অতীতে। যা এক রেকর্ড বলেই মনে করছেন লাইভ সম্প্রচার সম্পর্কে ওয়াকিবহাল মহল। আর এই তথ্য ও পরিসংখ্যান সামনে আসতেই হাঁটু কাঁপতে শুরু করেছে মুহাম্মদ ইউনূস এবং তাঁর সহযোগীদের।
উল্লেথ্য, শেখ হাসিনার ভাষণ শুনতে বিপুল সাড়া নিয়ে একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বিবিসি বাংলা। তারা জানিয়েছে, অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার পরেই হাজার হাজার মানুষ ওই লাইভ সম্প্রচারে যুক্ত হতে থাকেন, এক সময় দর্শক সংখ্যা এক লক্ষ ছাপিয়ে যায়।’ আবার ওই একই লিংক বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ফেসবুক এবং ইউটিউব চ্যানেলে শেয়ার করা হয়েছিল। সেখানেও লক্ষ লক্ষ মানুষ শেখ হাসিনার ওই বক্তব্য শুনেছেন। আওয়ামী লীগ দাবি করছে, বাংলাদেশ তো বটেই পৃথিবীর অন্য কোথাও কোনও নেতার লাইভ সম্প্রচার এত মানুষ শোনেননি। এমনকি এখনও লাফিয়ে লাফিয়ে শ্রোতার সংখ্যা বাড়ছে। বাংলাদেশের অন্তবর্তীকালীন সরকারের দাবি, বাংলাদেশকে জবাব দিতেই ভারত সরকারের বিদেশ মন্ত্রক শুক্রবারের ওই বিশেষ সভায় বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রীকে ভাষণ দেওয়ার সবুজ সংকেত দিয়েছিল। ওয়াকিবহাল মহলের দাবি, ভারত সরকার ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারকে কড়া বার্তা দিতেই হাসিনার ওই ভাষণের অনুমতি দিয়েছে। কারণ, ভারত বরাবরই দাবি করে এসেছে যে বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন যেন অন্তর্ভূক্তিমূলক বা আওয়ামী লীগকে সঙ্গে নিয়েই হোক। কিন্তু মুহাম্মদ ইউনূস তা মানতে রাজি হয়নি। আশ্চর্যের বিষয় আওয়ামী লীগকে সন্ত্রাস দমন আইনে একপ্রকার নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। এরই জবাব দিতে ভারত শেখ হাসিনাকে সামনে নিয়ে আসার পরিকল্পনা করেছে বলেই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।
গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর অন্তবর্তী সরকার ক্ষমতায় আসে। মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে সরকার গঠন হয়।...
Read more












Discussion about this post