বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার তথা নোবেল জয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনুস যে সোজা কথার লোক নন তা আর জানতে বাকি নেই কারুর। তিনি যে একা কোনও সিদ্ধান্ত নেন না তা পরিষ্কার সকলের কাছেই। তাকে পরিচালিত করেন কেউ বা কারা। একাধিক ষড়যন্ত্র তার বিরুদ্ধে প্রমাণিত হয়েছে। ইউনূসের গ্রামীণ ব্যাঙ্কের কথা সকলেরই জানা। কিন্তু সেই গ্রামীণ ব্যাঙ্কের টাকা কোথায় যেত জানেন জানলে চমকে উঠবেন আপনিও। এই গ্রামীণ ব্যাঙ্কের টাকা সৌদি আরবের এক বিখ্যাত ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আব্দুল লতিফ জামিলের হাত ধরে চলে যেত আল কায়দার হাতে। ভাবুন, শুধু একবার ভাবুন ইউনূসের যোগাযোগ কোন জায়গায়। আল কায়েদার মতো শক্তি ইউনূসের সাথে থাকার কারণে ইউনুস একের পর এক ষড়যন্ত্র ও বেনিয়ম করে যেতে পারেন।
এবার ইউনূসের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ এনেছে বাংলাদেশের শীর্ষ স্থানীয় সাপ্তাহিক পত্রিকা ব্লিটজ। পত্রিকাটির এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইউনূসের বৈশ্বিক গ্রামীণ নেটওয়ার্কের সঙ্গে ওসামা বিন লাদেন ও আল কায়েদার চিহ্নিত অর্থায়নকারীদের দীর্ঘদিনের সংযোগ রয়েছে। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, বছরের পর বছর ধরে মহম্মদ ইউনূসকে বিশ্বজুড়ে ক্ষুদ্রঋণের পথিকৃৎ এবং দরিদ্রদের বন্ধু হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। এই চকচকে ইমেজের আড়ালে রয়েছে এক অন্ধকার বাস্তবতা। পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থাগুলো আল কায়েদা ও ওসামা বিন লাদেনের অর্থায়নকারী হিসেবে যাদের চিহ্নিত করেছে তাদের সঙ্গে ইউনূসের গ্রামীণ সাম্রাজ্যের সংযোগ রয়েছে। ইউনুসের গ্রামীণ ব্যাংক এবং তার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে সৌদি আরবের এক বিখ্যাত ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আব্দুল লতিফ জামিলের যোগাযোগ রয়েছে। আব্দুল লতিফের শেষ টাইটেল জামিল ও গ্রামীণ ব্যাঙ্কের গ্রামীণ এই দুটিকে সম্পৃক্ত করে গ্রামীণ – জামিল নামে একটি ফাইনানন্সিয়াল সংস্থা তৈরী করা হয়। এই সংস্থাটি নাকি বিভিন্ন শর্তের মাধ্যমে অর্থের জোগাড় করে থাকে। গোটা বিশ্বে গ্রামীণ – জামিল তাদের শিকড় বিস্তার করেছে।
আল কায়েদা যোগের এই তথ্য ভারতের কাছে আসার পরেই ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল তথ্য বিশ্লেষণ করেছেন। এমনকি সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর সর্বোচ্চ তালিকায় ইউনূসের নাম রয়েছে। আল কায়দার ঘনিষ্ট এই জামিলের অত্যন্ত পছন্দের মানুষ এই অন্তর্বর্তী সরকার ইউনুস। কেন আল কায়েদাতে বিনিয়োগ ইউনূসের বাংলাদেশের জনগণ একবার ভাবুন। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ইউনূসের কপালে কি আছে তা শুধু তিনিই জানেন।












Discussion about this post