কাশ্মীরে সন্ত্রাসী হামলার পর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভয়ংকর প্রত্যাঘাত হানতে পারে ভারত। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানও যুদ্ধের প্রস্তুতি শুরু করেছে। ভারতের বিরুদ্ধে পরমাণু হামলার হুশয়রিও দিয়েছে পাকিস্তানের বেশ কয়েকজন মন্ত্রী ও রাশিয়ায় নিযুক্ত পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত। এবার সরাসরি ভারতের বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্করকে ফোন রাশিয়ান বিদেশ মন্ত্রী লাভরবের।
দুই দেশের রাষ্ট্রনেতার এই ফোনালাপে দীর্ঘ আলোচনা হয় তাদের। আলোচনায় উঠে আসে কাশ্মীরেসন্ত্রাসী হামলার প্রসঙ্গ, সেখানে ভারতের বিদেশমন্ত্রীর জনসংকরকে ওই সন্ত্রাসী হামলার বিষয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে মিটিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন রাশিয়ার বিদেশ মন্ত্রী লাভরভ। এই বিষয় নাকি 1972 সালের সিমলা চুক্তি ও ১৯৯৯ সালের লাহোর ঘোষণার চুক্তি অনুযায়ী দ্বীপাক্ষিক কূটনৈতিক ভিত্তিতে নয়া দিল্লি ও ইসলামাবাদ এর মধ্যে সমস্যার সমাধান চরিত্রে রাশিয়ার বিদেশ মন্ত্রী। এরপরই ভারতের বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শংকর তার এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টের মাধ্যমে উল্লেখ করেছেন, পহেলগাম হামলা নিয়ে রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী লাভরভের সঙ্গে কথা হল। এই ঘটনায় দোষী, সমর্থক ও পরিকল্পনাকারীদে শাস্তি পেতেই হবে। আমরা দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতামূলক কার্যকলাপ নিয়েও আলোচনা করেছি।
প্রসঙ্গত, পেহেলগাও এ সন্ত্রাসী হামলার পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্ক এর উত্তেজনার বৃদ্ধি পাচ্ছে। আবারআমেরিকার বিদেশসচিব মার্কো রুবিয়ো ভারতের বিদেশমন্ত্রীকে ফোন করে পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। জয়শঙ্করকে সন্ত্রাস দমনে সহযোগিতা করার এবং দক্ষিণ এশিয়ায় উত্তেজনা কমানোর পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।পহেলগাও এ জঙ্গি নাশকতার পরে দুই দেশকেই উদ্ভূত সমস্যার দায়িত্বশীল সমাধান খুঁজতে বলেছিল প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতি তেমন বদলায়নি। তাই এ বার আসরে নামলেন রুবিয়ো। তিনি সরাসরি ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে কথা বললেন।
আমেরিকার বিদেশ দফতরের মুখপাত্রের ওয়েবসাইটে রাতে রুবিয়োর বক্তব্য প্রকাশ করেন বিদেশ দফতরের মুখপাত্র ট্যামি ব্রুস। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘আজ বিদেশসচিব মার্কো রুবিয়ো ভারতের বিদেশমন্ত্রী সুব্রহ্মণ্যম জয়শঙ্করের সঙ্গে কথা বলেছেন। পহেলগামে নৃশংস হত্যার ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন তিনি। একই সঙ্গে আশ্বাস দিয়েছেন, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারতের পাশে থাকবে আমেরিকা’। ভারত পাক উত্তেজনা প্রশমনের পরামর্শও দিয়েছেন মার্কো রুবিয়ো। ওয়েবসাইটে লেখা হয়েছে, দুদেশের মধ্যে যে উত্তজনার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা নিরসনে ভারত পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনা করুক। এবং দক্ষিণ এশিয়ার শান্তি ও সুস্থিতি বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করুক ভারত।
একই দিনে সৌদি আরব, ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে গুলিবর্ষণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। অন্য দিকে, ভারতের পাশে থাকার জন্য কুয়েতকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।












Discussion about this post