বুধবার বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়, এসএফের নিরাপত্তা প্রটোকল অনুযায়ী বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪ টার মধ্যে এভারকেয়ার হাসপাতালের কাছের দুটি উন্মুক্ত মাঠে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টার পরীক্ষামূলকভাবে অবতরণ ও উড্ডয়ন পরিচালনা করবে। এ বিষয়ে কোনও ধরণের অপপ্রচার বা বিভ্রান্তি থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ করা হলো। এভারকেয়ার হাসপাতালে সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসাধীন বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। সরকার তাকে অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ঘোষণা করার পর গত মঙ্গলবার থেকে খালেদা জিয়াকে এসএসএফ নিরাপত্তা দেওয়া শুরু করেছে। মূল ফটকে পুলিশ সদস্যরা রয়েছেন। ভেতরে আছেন এসএসএফের সদস্যরা। এছাড়া বাইরের রাস্তায় এপিবিএন, বিজিবি ও র্যাটব টহল দিচ্ছে। এছাড়া সাধারণ পোশাকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের অবস্থান দেখা গেছে।
বৃহস্পতিবার সকালে হাসপাতালের সামনে বিএনপির নেতাকর্মীদের ভিড় কম ছিল। তবে বেলা বাড়ার সাথে সাথে বেশকিছু নেতাকর্মী হাসপাতালের সামনে ভিড় করতে থাকেন। তারা হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনের সড়কে কাঁটাতারের ব্যারিকেডের সামনে দাঁড়িয়ে থাকেন। হাসপাতালের সামনে বিজিবি ও পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও উপস্থিত রয়েছেন। দুপুর সাড়ে ১২ টায় হাসপাতালের সামনে খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক এ জেড এম জাহিদ হোসেনের ব্রিফ করার কথা ছিল। তবে দুপুর ১ টা ২০ মিনিট পর্যন্ত তিনি হাসপাতাল থেকে বের হননি।
খালেদা জিয়া আদেও বেঁচে আছেন নাকি তিনি মৃত তার শারীরিক অবস্থা এখন কোন জায়গায় এই প্রশ্নে যখন বাংলাদেশে চর্চা তুঙ্গে ঠিক এই আবহে রাজধানী ঢাকার আবাসিক এলাকায় অবস্থিত এভারকেয়ার হাসপাতালের পাশে উন্মুক্ত দুটি মাঠে একটি নির্দিষ্ট সময়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টার ওঠা – নামা করবে আর মানুষের তা নিয়ে প্রশ্ন জাগবে না এত হতে পারে না। ইউনুস তাহলে কি ভাবছেন যে দেশের মানুষ বোকা ইউনুস চায় মানুষ যাতে দেশের সরকার, রাজনীতি সহ কোনও রাজনৈতিক দল দেশে না থাকুক। সেই কারণে তিনি মাইনাস টু থিওরি শুরু করেছিল। ইউনুস সকল রাজনৈতিক দল বাদ দিয়ে শুধুমাত্র জামাতকে নিয়ে সরকার চালাতে চাইছেন।
সরকারের তরফ থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করার পরেই অনেকের ধারণা, বিজ্ঞপ্তিতে বলা নির্দিষ্ট ওই সময়ে তারেক রহমান তার মৃতপ্রায় মাকে দেখে আবার ফিরে যাবেন। অথবা তিনিই এসে ঘোষণা দেবেন যে তার মা আর বেঁচে নেই। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে চিকিৎসকের দল ঢাকায় গেছেন খালেদা জিয়ার জন্য। কিন্তু তারা এখনও পর্যন্ত কোনও মন্তব্য না করায় মানুষের মনে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে আরও প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই গুজব ছড়িয়ে পড়েছে সর্বত্র। অন্যদিকে, আরও শোনা যাচ্ছে, এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় দাঁড়িয়ে থাকা এয়ার এম্বুলেন্সে করে নিয়ে যাওয়া হবে লন্ডন অথবা সিঙ্গাপুরে। বাংলাদেশ ছাড়া এমন কোনও তৃতীয় দেশে জিয়াকে নিয়ে যাওয়া হবে যেখানে তারেক গিয়ে তাকে দেখতে পারবেন। মানুষের মনে আরও প্রশ্ন, তারেক কেন তার মাকে দেখতে যেতে পারছেন না যা নিয়ে নানান মানুষ নানান ব্যাখ্যা দিচ্ছেন।












Discussion about this post