বাংলাদেশ ও পাকিস্তান এই দুই জেহাদি দেশ প্রশ্রয় দিচ্ছে সন্ত্রাসবাদীদের। তাহলে কি বাংলাদেশ ও পাকিস্তান জোট করছে ? সম্প্রতি পাকিস্তানের জিহাদি সংগঠন লস্কার ই তৈবার প্রধান হাফিজ সায়েদের ঘনিষ্ঠ কে দেখা গেছে বাংলাদেশে। এই হাফিজ সায়েদের ঘনিষ্ঠ লস্কার নেতাকে বাংলাদেশে জামাই আদর করল বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ডঃ মোহাম্মদ ইউনুসের প্রশাসন। তাহলে কী ভারতে সন্ত্রাস চালানোর জন্য পাকিস্তানের জিহাদীদের জন্য নিজেদের জমি খুলে দিল বাংলাদেশ ?
নিজেকে ধর্মপ্রচারক বলে উল্লেখ করে থাকেন পাকিস্তানের কুখ্যাত জেহাদি ইবতিসম ইলাহি জাহির। রাষ্ট্রসঙ্ঘের জেহাদী তালিকাতেও জ্বলজ্বল করছে নাম। পাক জেহাদি সংগঠন মারকাজি জামিয়াত আলহ ই হাদিদের জেনারেল সেক্রেটারি গত ২৫ শে অক্টোবর পৌঁছেছেন ঢাকায়। ঢাকার একটি আন্তর্জাতিক স্কুলেও জাহিরকে অভ্যর্থনা জানানো হয়। আল ই হাদিদ বাংলাদেশ প্রধান আসাদুল্লাহ আলগালিবের সাথেও দেখা করবে এই জিহাদী জাহির। সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, ভারতে ব্যান্ড করা বাংলাদেশের মুসলিম ধর্ম প্রচারক জাকির নায়েকের সাথেও ছবি দেখা গেছে জাহিরের।
এরপর তাকে ঘুরতে দেখা যাচ্ছে ভারত ও বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী বাংলাদেশী জেলা গুলিতে। এমনকি বিভিন্ন ধর্মীয় সভায় তাকে বক্তব্য দিতে শোনা যাচ্ছে। স্থানীয় কট্টরপন্থী সংগঠন গুলির সাথে তিনি যোগাযোগ বাড়াচ্ছেন। জাহির গত দুদিনে সফর করেছে বাংলাদেশের রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে। চলতি সপ্তাহে রংপুরে যাচ্ছে এই জেহাদি নেতা। মোহাম্মদ ইউনুস অন্তর্বর্তীকালীন সরকার হবার পর বাংলাদেশে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার সফর করল এই জিহাদী নেতা। সাথে এই জিহাদী নেতা জাহির চাপাইনবাবগঞ্জে উস্কানী মূলক ভাষণ দিচ্ছে। তাকে বলতে শোনা যাচ্ছে, ইসলামের জন্য নিজেকে কুরবানী দিতে সদা প্রস্তুত থাকতে হবে। সাথে প্রস্তুত রাখতে হবে সন্তানকেও। সেকুলারিজম শক্তির বিরুদ্ধে লড়তে হবে আমাদের। সাথে কাশ্মীর প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, স্বাধীনতা হীনতায় ভুগছে কাশ্মীরীরা। ভারতের অধিকৃত কাশ্মীরে ইসলামবিরোধী আইন ও দমন নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া পাকিস্তানের দায়িত্ব। আল্লাহর কৃপায় একদিন কাশ্মীর পাকিস্তানের অংশ হয়ে যাবে। সাথে পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ সকল মুসলিমকে এক হতে হবে। মুসলমান পাকিস্তানের হোক বা বাংলাদেশের মুসলমানদের কেউ আলাদা করতে পারবে না। আমরা সবাই এক ছিলাম এক আছি এক থাকবো। আমরা আমাদের রাস্তায় চলবো। রাস্তায় আসা যে কোন সমস্যা সরিয়ে ফেলবো।
লস্কর ই তৈবার নেতা ইবতিসাম ইলাহি জাহিরের এই বক্তব্য থেকে স্পষ্ট তার বাংলাদেশে যাওয়ার পেছনে একটি উদ্দেশ্য রয়েছে। তার উদ্দেশ্য রয়েছে কঠোর পন্থী মুসলিমদের একত্র করে ভারতের বিরুদ্ধে একটি এজেন্ডা চালাবার।












Discussion about this post