একটি সর্বদলীয় বৈঠক হয়েছে বদল অধিবেশনের আগেই। সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনের আগে, সরকার সংসদের উভয় কক্ষের সুষ্ঠু কার্যক্রম নিশ্চিত করার জন্য একটি সর্বদলীয় বৈঠক করেছে।লোকসভা এবং রাজ্যসভার প্রতিনিধিত্বকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ফ্লোর লিডাররা সভায় উপস্থিত ছিলেন।
তবে তার আগে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে দেখা করেন প্রধানমন্ত্রী। তবে কি কারণে, কোন উদ্দেশ্যে তিনি সাক্ষাৎ করতে গিয়েছিলেন, তেমন কোনও খবর সামনে আসেনি। সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই সাক্ষাৎকারে সময় বদল অধিবেশনের এজেন্ডার প্রধান বিল এবং সরকারের কৌশল নিয়ে আলোচনা করেছেন। তবে এই প্রশ্নও উঠে আসছে, বাংলাদেশের বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্তের জন্য প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করলেন? শেখ হাসিনাকে ফেরানোর কোনও সিদ্ধান্ত হতে পারে? এমন নানা প্রশ্ন উঠে আসছে।
এরমধ্যে খবর এসেছে, মেসিভ ট্রুপ ডিপ্লয়মেন্ট হচ্ছে বিভিন্ন পয়েন্টে। এখানেই কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আসলে বাংলাদেশের মেঘে কালো মেঘের ঘনঘটা। যে কোনও মুহূর্তে কিছু ঘটতে পারে। এদিকে খবর রবিবার বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস সেনানিবাসের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন। তাকে স্বাগত জানায় সে দেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান। অর্থাৎ বোঝা যাচ্ছে সেনানিবাসের সঙ্গে যমুনার যে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল, সেটা ঘুচে গিয়েছে। এমনকি সেনাপ্রধান ইউনূসের হয়ে কাজ করছেন, সেটাও স্পষ্ট। এমনকি শোনা যাচ্ছে, সেনাবাহিনী গোপালগঞ্জের ঘটনায় যে গুলি চালিয়েছেন, তাতে সেনাপ্রধান তো জানতেন বটেই। পাশাপাশি ছাত্রনেতা বা ইউনুসের স্নেহধন্য ব্যক্তিদের যেনতেন প্রকারে বাঁচাতে মরিয়া সেনাবাহিনী। সেটাও স্পষ্ট। এমনকি এর আগে শেখ হাসিনা বিভিন্ন সময় ইউনূসের সরকারের সমালোচনা করলেই সেনাপ্রধানের বিরুদ্ধে কোনও কথা বলেননি। কিন্তু গোপালগঞ্জের ঘটনার পর দেখা গেল,বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অডিও বার্তাতে ক্ষোভ উগরে দিলে ওয়াকার উজ জামানের বিরুদ্ধে।
অনেকে বলছেন, বাংলাদেশের এই মুহূর্তে যে পরিস্থিতি, তাতে কবে দেশ ঠিক হবে, সেটা যেমন বড় প্রশ্ন। ঠিক একইভাবে এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন পিছিয়ে দিতে পারেন, এমন নানা কথা উঠে আসছে। সবথেকে লক্ষ্যনীয় ভারত বিরোধীতা। যেটা যত দিন এগোচ্ছে, ততই স্পষ্ট হচ্ছে। এখন দেখার, এরপর বড় কোনও একশন নেয় কিনা ভারত।












Discussion about this post