বিশ্ব দরবারে আরও একটি ভয়ংকর যুদ্ধ যেন বিশ্ববাসীর ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলছে। যেকোনও মুহূর্তেই যুদ্ধের দামামা বেজে যেতে পারে। আশঙ্কা প্রবল। পাকিস্তান ভারতের যুদ্ধ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে প্রবল জল্পনা তৈরি হয়েছে। এর আগে ভারত পর পর দুটি সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করেছিল পাকিস্তানের উপর। এইবারও কি সেই পথে হাঁটবে ভারত? উঠে আসছে প্রশ্ন।
অনেকে বলছেন, খুব সন্তর্পনে পা ফেলছে ভারত। এক মুহূর্তেই বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার খরচ করে দু থেকে তিন দিনের মধ্যে যুদ্ধ শেষ করে দেওয়ার কথা বোধহয় ভাবছে না ভারত। যুদ্ধক্ষেত্রে ভারতে স্টাটিজি একটু আলাদা এই মুহূর্তে, বলছেন বিশেষজ্ঞরা। ভারতের কাছে এখন যে পরিমাণ সামরিক অস্ত্র এবং শক্তি আছে তাতে ভারত সামান্য কিছু খরচ করে লজিস্টিক সাপোর্ট দিয়ে এটা করতে পারে। প্রথমেই আরব সাগরে পাকিস্তানের পথ বন্ধ করে দিতে হবে। এর জেরে বাইরে থেকে পাকিস্তানে আর কোনও তেল ঢুকতে পারবে না। আর তেল না পেলে পাকিস্তান মহা বিপদে পড়বে। কারণ পাকিস্তান বাইরের তেলে আশি শতাংশ চলে এবং ২০ শতাংশ নিজেরা তৈরি করতে পারে। কিন্তু তাতে যুদ্ধ পরিচালনা করতে পারবে না। সাধারণ মানুষ যে তেল ব্যবহার করে সেগুলি কাটছাঁট করে সেনাবাহিনীকে দিলেও লাভের লাভ হবে না। দ্বিতীয়ত, সীমান্তে সিন্ধু নদীর জল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে চাষাবাদ বিরাট ধাক্কা খাবে পাকিস্তান। আর এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানকে কেউ সাহায্য করবে না একমাত্র চীন বা তুর্কি ছাড়া। তবে অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই মুহূর্তে চিনও পাকিস্তানকে সাহায্য করতে চাইছে না। কারণ তারা বিশ্ব বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে আমেরিকার সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছে। ফলে বাজে খরচ করতে চাইবে না সি জিন পিং সরকার। ইতিমধ্যেই পাকিস্তানের ওপর ৬০ মার্কিন বিলিয়ন ডলার খরচ করেছে চীন। আর ভারতের সঙ্গে চীনের যে ব্যবসা হয় তা এই সংখ্যারও দ্বিগুণ্যেরও বেশি। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে ভারতকে চটাতে চায় না তারা। তবে লুকিয়ে পাকিস্তানকে বেশ কিছু লজিস্টিক সাপোর্ট দিতেই পারে সি জিন পিং এর দেশ, তবে সেটাতেও আটকে দিয়েছে ভারত। চারিদিকে ল্যান্ড লোক করে দেওয়া হবে এবং আরব সাগরকে ব্লক করে দেওয়া হবে। সেই সমস্ত বিষয়ে ভারত তৈরী।
এদিকে কাশ্মীরের ঘটনার পর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একাধিক পদক্ষেপ করেছে ভারত। পাল্টা পাকিস্তান ও পদক্ষেপ করেছে ভারতের বিরুদ্ধে। ভারতের জন্য আকাশ সীমা বন্ধ করে দিয়েছে ইসলামাবাদ। পাকিস্তান অফিসিয়াল ভাবে তিনটি দেশের সঙ্গে সীমান্ত শেয়ার করে। এক হল ভারত, আফগানিস্তান এবং ইরানের সঙ্গে শেয়ার করে। অ্যান অফিসিয়ালি তাজাকিস্তানের সঙ্গে এবং চীনের সঙ্গে সীমান্ত রয়েছে পাকিস্তানের। ইরানের সঙ্গে যে সীমান্ত রয়েছে পাকিস্তানের, সেখানে ইরান সেনা ডিপ্লয় করে দিয়েছে ইতিমধ্যেই। কারণ সেখান থেকে তারা খেয়ে ইরানে প্রবেশ করতে না পারে, এবং ভারতের সঙ্গে সেই কথা হয়ে গিয়েছে। আর এই মুহূর্তে ইরান ভারতকে সাপোর্ট করছে। এদিকে পাকিস্তানের সঙ্গে আফগানিস্তানের সম্পর্ক তিক্ত। আফগানিস্তান যে কোন মুহূর্তেই পাকিস্তানকে আক্রমণ করে দিতে পারে। এদিকে পাকিস্তানের বালোচিত স্থান অঞ্চলে বালোচ লিবারেশন আর্মি তারা যুদ্ধ ঘোষণা করে দিয়েছে। পাকিস্তানের থেকে তারা আলাদা হতে যাবে। এদিকে খাইবারপাকতুনখোয়া সেই অঞ্চলটি আফগানিস্তানের বেশ খানিকটা ঢুকে আছে। এই অঞ্চলটি আফগানিস্তান নিয়ে নিতে পারে। বাকি জায়গাটুকু ব্লক করে দিতে পারে। এদিকে খবর তাজিকিস্তানের ভারত একটি সেনা ঘাঁটি তৈরি করেছে। যেটা আন্দাজ করেছিল পাকিস্তান। এইবার তারা বুঝতে পারবে চারিদিক দিতে ব্লক হয়ে ল্যান্ড লক হয়ে যাবে পাকিস্তান। এই পরিস্থিতি যদি এক থেকে দেড় মাস চলে তবে পাকিস্তান বুঝতে পারবে, ভারতের স্টেটিজি টা কি ছিল! এখন দেখার, শেষমেশ এই পরিস্থিতি কবে তৈরি করে ভারত।












Discussion about this post