পহেলগাঁওয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলার পর তোলপাড় গোটা দেশ। বেছে বেছে ২৬ জন পর্যটককে খুন করল জঙ্গিরা। শোকোস্তব্ধ গোটা দেশ। ভারতের সরাসরি নিশানা পাকিস্তানের দিকে। জঙ্গিদের যে পাকিস্তান লাগাতার মদত দিয়ে যাচ্ছে, সেটা পরিষ্কার। আর তারই পরিপ্রেক্ষিতে পাকিস্তানি বিরুদ্ধে একাধিক কড়া পদক্ষেপ করেছে নয়া দিল্লি। তবে আরও বড় কোনও প্রত্যাঘাত করবে দেশ, সেটা নিয়ে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছিল আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার লোক কল্যাণ মার্গের বাসভবনে উচ্চস্তরীয় বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ৷ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল, চিফ ইফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল অনিল চৌহান এবং সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী, বায়ুসেনা প্রধান অমরপ্রীত সিং ও নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল দীনেশ কে ত্রিপাঠী ৷ জানা যাচ্ছে, এই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, পাকিস্তানকে কিভাবে প্রত্যাঘাত করা হবে! এমনকি জানা যাচ্ছে, পুরো বিষয়টি দেশের তিন বাহিনীর উপর ছেড়ে দিয়েছেন তিনি ৷ তিনি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন, আমাদের বাহিনীর সম্পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে। তারা কি সিদ্ধান্ত নেবে, কখন নেবে, ভারত কাকে নিশানা করবে। পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, সন্ত্রাসবাদকে ধ্বংস করে দেওয়া এখন আমাদের জাতীয় সংকল্প। জানা গিয়েছে, এই বৈঠকের ঠিক আগে বৈঠক করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সচিব গোবিন্দ মোহ। তিনি তিনটি আধাসামরিক বাহিনীর প্রধানের সঙ্গে বৈঠকে বসেন।
অর্থাৎ কাশ্মীরের জঙ্গি হামলার ঘটনায় সিদ্ধ হস্তে ভারত। সমস্ত রকম পরিকল্পনা কষা হয়েছে। পাশাপাশি ভারত সিন্ধু জল বন্টন চুক্তির মত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করেছে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। যা ভারতকে এর আগে কখনো করতে দেখা যায়নি। ফলে পাকিস্তানের তরফে বলা হয়েছিল, ভারতের এই পদক্ষেপ যুদ্ধ ঘোষণার সামিল। যদিও প্রথম দিকে তারা নানা মন্তব্য করলেও এখন অনেকটাই সুর নরম করেছে পাকিস্তান। মনে করা হচ্ছে তারা ভয় পেয়েছে। আর সেই কারণেই কাশ্মীরের ঘটনার তদন্ত চাইছে তারা। তবে ভারতের তিন বাহিনীকে পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী। আর এতেই মনে করছে, পাকিস্তানকে বড় প্রত্যাঘাতের শুধু সময়ের অপেক্ষা।












Discussion about this post