গত বছর ৫ই আগস্ট বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে ভারতে এসেছেন। আর চলতি বছরের মার্চ মাসেই জল্পনা তুঙ্গে উঠলো হাসিনার দেশে ফেরার। তাই এবার বাংলাদেশে পা রাখার আগে সমস্ত প্রটোকল মেনে ভারতে আশ্রয় থাকার পর থেকে প্রথমবারের জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ফোনালাপ সারতে পারেন শেখ হাসিনা। দীর্ঘ সময় পর দুই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের মধ্যে কি আলোচনা হতে চলেছে, উঠছে সেই প্রশ্ন।
শেখ হাসিনা রাষ্ট্রীয় অতিথি হিসেবে ভারতে আশ্রয় পাওয়ার পর থেকে ভায়া হয়ে নিজেদের মধ্যে কথাবার্তা আদান প্রদান হয়েছে হাসিনা এবং মোদির। কখনও জয়শংকর আবার কখনও অজিত ডোভাল তাদের মাধ্যমেই হাসিনার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন বার্তা দেওয়া হয়েছে ভারত সরকারের তরফ থেকে। কিন্তু যেহেতু শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, আর সম্প্রতি তার দেশে ফেরার সম্ভাবনাও জোড়ালো হচ্ছে সেহেতু খুব শীঘ্রই ভারতের প্রধানমন্ত্রী সমস্ত নিয়ম রীতি ও প্রটকল অনুযায়ী শেখ হাসিনাকে সরাসরি ফোন করবেন বলেই জানা যাচ্ছে। তবে এই ফোনালাপের দিনক্ষণ নির্দিষ্টভাবে এখনও জানা যায়নি।
তবে অনুমান করা হচ্ছে ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতে আসার আগে মোদীর তরফ থেকে হাসিনাকে বেশ কিছু বার্তা দেওয়ার জন্যই এই ফোনালাপ।
এর পাশাপাশি, সম্প্রতি RAW এর চার অ্যাসেট ঢাকায় পৌঁছে একটি পাঁচ তারা হোটেলে থেকে নিজেদের কাজকর্ম সেরে নিলেন। যদিও raw এর চারদিনের এই গোপন কর্মকান্ডের কোনও খবর সেদেশের অন্তরবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুসের কাছে পৌঁছায়নি। কারণ এখানের সমস্ত মিশনারি গুলিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মিশনারিই কাজ করছে ফলে, তারা এখন দিন গুনছে কবে হাসিনা দেশে ফিরে একটি সুষ্ঠ ব্যবস্থা করবেন, ভারতই বলছে এই কথা। হাসিনা চাইলেই দেশে ফিরে সংসদ ভেঙে নির্বাচনের দিকে এগোতে পারে তাতে ভারতেরও কোনও হস্তক্ষেপের প্রয়োনজন হবেনা। যদিও এই বিষয়টি দেশি বিদেশী সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ করা সম্ভব নয়। তাই এখন ইনক্লুসিভ ইলেকশন এর দিকেই এগোতে চাইছে সেদেশের সেনা বাহিনীও। একমাত্র ইনক্লুসিভ ইলেকশন এর মাধ্যমেই শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আওয়ামীলীগ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবে। এই সুষ্ঠ অবাধ নির্বাচনের জন্য সেনাবাহিনীর বিভিন্ন কার্যক্রম শুরু হয়ে গিয়েছে বাংলাদেশ জুড়ে।












Discussion about this post