বাংলাদেশের তরফে ভারতকে দেওয়া একাধিক উগ্র হুমকি ও ধমকিতে ভারত – বাংলাদেশ সংঘাতের প্রভাব দেখা গেল বর্ডার এলাকায়। ভারতের তরফে চুপচাপ থেকে বাংলাদেশকে সতর্ক করলেও সেই সতর্কতার তারা কোনও ভ্রুক্ষেপ না করে উল্টে বেশি করে ভারত বিরোধিতা ও নানান জঘন্য কার্যকলাপ করতে থাকে। অবশেষে বাঁধ ভাঙ্গছে ভারতের। বাংলাদেশী দেখা মাত্রই ভারতীয় সেনা গুলি চালাতে বাধ্য হল। ভারত ও বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকা বেনাপোলে উঠছে স্লোওগান। বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর গোটা বাংলাদেশ জুড়ে উত্তেজনা ও দাঙ্গা – হাঙ্গামা ছড়িয়ে পড়ে। সেই রাতে উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের ঘোজাডাঙ্গা সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশের তিন যুবক অবৈধভাবে বর্ডার টপকে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করছিল। ওই মুহূর্তে বিএসএফ তাদের বাধা দিলে তারা বিএসএফদের লক্ষ করে ইট – পাটকেল ছুড়তে থাকে। প্রশ্ন উঠছে, বাংলাদেশের বিজিবি কি করে এই অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের অন্য দেশে যাওয়ার অনুমোদন দেয় তাহলে কি বিজিবি এদের আটকানোর চেষ্টা করছে না এই জঙ্গি গুলো গুলি বিদ্ধ হলেই বাংলাদেশের জঙ্গিদের স্পনসর ইউনুস আন্তর্জাতিক মঞ্চের সিমপ্যাথি পাওয়ার জন্য বলত, ভারত বাংলাদেশের ভালো চায় না, ভারত বাংলাদেশিদের গুলি করেছে। যারা ঘুম চোখ খোলা থেকে ঘুমাতে যাওয়া পর্যন্ত ভারত নিয়ে এত বড় বড় কথা বলে, ভারতের বিরোধিতা করে, কিছু হলেই ভারতের ওপর দশ চাপিয়ে নিজেরা খালাস হয়ে যায়, তারাই আবার রাতের অন্ধকারে পালিয়ে ভারতে ঢুকতে চাইছে। একটা জিনিস দিনের আলোর মতো স্পষ্ট যে, যদি তারা সঠিক কোনও উদ্দেশ্যে ভারতে আসত তাহলে তারা কখনোই চোরের মতো রাতের অন্ধকারে পালিয়ে অবৈধভাবে ভারতে আসার চেষ্টা করত না।
পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা, মালদা এবং মুর্শিদাবাদ এই তিনটি জায়গায় হাই এলার্ট মোড রয়েছে বিএসএফ। এই তিনটি এলাকা থেকে বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারীরা সীমান্ত টপকে ভারতে ঢোকে। অন্যদিকে, সিলেট বর্ডারে দুজন বাংলাদেশীকে ভারতের ৬০০ মিটারের মধ্যে প্রবেশ করে গেছিল। তাদের দেখা মাত্রই গুলি করার নির্দেশ অনুযায়ী তাদের দেখা মাত্রই গুলি করেছে বিএসএফ। ভাবা যায়, গুলি বিদ্ধ দুই যুবকের একজনের বয়স ১৯ ও ওপর জনের বয়স ২২। এ থেকে আরও একবার স্পষ্ট হল যে, কত ছোট বয়স থেকে বাংলাদেশী মগজ ধোলাই করে জঙ্গি তৈরী করা হচ্ছে। এই দুই বাংলাদেশী। ভারত ও বাংলাদেশের মাঝে অতীতে সম্পর্ক ভালো থাকায় বিএসএফ খুব একটা গুলি না চালিয়ে অনুপ্রবেশকারীদের বিজিবির হাতে হ্যান্ডওভার করে দিত। কিন্তু হাসিনা সরকারের পতনের পর বর্তমান পরিস্থিতি ভিন্ন। পাকিস্তান প্রেমী বাংলাদেশ ও ক্ষমতার মসনদে বসা পাকিস্তান প্রেমী ইউনুস চাইছে ভারতের সাথে যুদ্ধ। সাথে লাগাতার ভারতের বিরুদ্ধে উস্কানি সহ একাধিক ভারত বিরোধী মন্তব্য, উগ্র ভারত বিরোধী মনোভাব ও চিকেন নেক ও সেভেন সিস্টার্স ভেঙে ফেলার হুমকির কারণে ভারতের বিএসএফ এর তরফে কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের এই দিবাস্বপ্ন ভঙ্গ করে ভারত মিজোরামে আরও একটি মিলিটারি বেস তৈরী করছে।












Discussion about this post