কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে বেছে বেছে ২৬ জন পর্যটককে খুন করার বদলা শুরু করে দিয়েছে ভারত। কড়া প্রত্যাঘাত শুরু করে দিল ভারতীয় সেনা, বায়ু সেনা। মধ্যরাতেই চলল অপারেশন সিঁদুর। পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের জঙ্গি ঘাঁটি উড়িয়ে দিল ভারত। মধ্যরাতেই প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে প্রেস বিবৃতি দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়, কিছুক্ষণ আগে ভারতীয় সেনা অপারেশন সিঁদুর প্রয়োগ করেছিল। জঙ্গি ঘাঁটি গুলিকে উড়িয়ে দিয়েছে তারা। শুধু তাই নয়, ওই ঘাটিগুলি থেকেই নাকি ভারতের হামলা চালানোর ছক কষা হয় এবং সেগুলি রূপায়িত করে। এমনকি ওই বিবৃতিতে জানিয়ে দেওয়া হয়, মোট ৯ টি জায়গাতে আঘাত হানে ভারতীয় সেনা। জানা যায়, এর জেরে ৯ জন জঙ্গি নিহত হয়েছে। আহত ৫৫ জনেরও বেশি। পাকিস্তানের বাহাওয়ালপুরে জইশের সদর দফতর, মুজফফরাবাদে লস্কর-ই-তইবা ট্রেনিং সেন্টার সহ মোট নটি জায়গায় আঘাত হানা হয় বলে সূত্রের খবর। পাকিস্তানের মিলিটারির কোনও বেসকে টার্গেট করা হয়নি এই অভিযানে। এই অপারেশন চালানো হয়েছে জঙ্গি ঘাতিগুলিকে উড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশে। ভারতের সেনাবাহিনীর এই পদক্ষেপ ছিল নির্দিষ্ট, পরিমিত। পাকিস্তানে প্রত্যাঘাতের কথা রাশিয়া, অ্যামেরিকা, ব্রিটেনকে জানিয়েছে ভারত। এমনকি খবর পাওয়া যায়, হামলার বিষয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিবের সঙ্গে কথা বলেন ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। এমনকি জানা যাচ্ছে, পাকিস্তানের একটি ফাইটার জেট JF 17কে গুলি করে নামিয়ে আনে ভারতের সেনা। ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি সাংবাদিক সম্মেলন করে জানিয়ে দিয়েছেন, ভারতের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার প্রতি পরিমিত এবং আনুপাতিক প্রতিক্রিয়া ছিল অপারেশন সিঁদুর।
জানা যাচ্ছে, রাফালকে কাজে লাগিয়ে এই আঘাত। মূলত দুটি শক্তিশালী অস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। কাশ্মীরে জঙ্গি হামলার ঘটনার পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যে বদলার কথা বলেছিলেন, সেই বদলা নিয়ে দেখালেন। তবে অনেকে বলছেন, এটা ভারতের প্রথম পদক্ষেপ। এরপর পাকিস্তানকে আরো বড় কোনো আঘাতের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। এই মুহূর্তে পাকিস্তানের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। ভারত আবার কখন হামলা করে, কিভাবে হামলা করে, তারই আশঙ্কায় দিন গুনছে পাকিস্তান।












Discussion about this post