বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কি গোপনে এবার বড়সড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে ভারত। প্রতিবেদনের বিষয় উন্মোচিত হলেই জানতে পারবেন সবকিছু, ফিরছি প্রতিবেদনে,
বেশ কয়েকদিন আগেই উত্তর-পশ্চিম ভারতে পাকিস্তানের ঘাড়ের কাছে স্যর ক্রিক-সিন্ধ-করাচি অ্যাক্সিসে তিন সেনার যৌথ মহড়া চালানোর কথা ঘোষণা করেছিল ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রণালয়। জারি হয়েছিল নোটাম। এবার উত্তর-পূর্বে চিন ও বাংলাদেশ সীমান্তের কাছেও একই রকম মহড়া চালানোর কথা জানানো হল।আগামী ৬ নভেম্বর থেকে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত জুড়ে শুরু হচ্ছে বায়ুসেনার মহড়া। ওই সময় অন্য কোনও যাত্রিবাহী বা বাণিজ্যিক উড়ান আকাশের ওই পথ দিয়ে উড়তে পারবে না।চিন তো বটেই, এবার এর পাশাপাশি মহড়া চলবে বাংলাদেশ সীমান্তেও। মহড়ায় রাফালে, তেজস, মিসাইল, ড্রোন উড়বে মুহর্মুহ। কারণ চিকেন নেক ভারতের মাথায় সব সময় সুরক্ষিত রাখার ভাবনা রয়েছে। শুধু তাই নয় ভারতীয় সেনার তিন বাহিনীর মধ্যে সমন্বয়, শত্রু হামলা করলে কত দ্রুত জবাব দেওয়া যাবে, খতিয়ে দেখে নিতেই এই মহড়া করবে ভারত তা নৌবাহিনী প্রেস কনফারেন্সে পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিয়েছেন নৌ প্রধান। ভারতের সাথে বৈদেশিক সম্পর্ক প্রসঙ্গে বিশেষজ্ঞরা বলছেন- পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের আগে, বাংলাদেশে নির্বাচনের প্রাককালে এত বড় মহড়ায় ইঙ্গিত স্পষ্টই- পড়শি দেশ থেকে অনুপ্রবেশের সব পথ বন্ধ করা হচ্ছে।সম্প্রতি পাকিস্তানের জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ কমিটির চেয়ারম্যান জেনারেল সাহির শামশাদ মির্জাকে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মুহম্মদ ইউনূস একটি আর্টওয়ার্ক বা শিল্পকর্ম উপহার দিয়েছেন। তাতে উত্তর-পূর্ব ভারতের ৭টি রাজ্যকে বাংলাদেশের অন্তর্ভূক্ত করে ম্যাপ আঁকা হয়েছে।বাংলাদেশ-পাকিস্তানের সাম্প্রতিক এই ঘনিষ্ঠতাকে মোটেই ভাল চোখে দেখছে না ভারত সরকার। এবং প্রধানমন্ত্রী মোদির তত্ত্বাবধানে এই নিয়ে বৈঠক সেরেছেন তিন বাহিনীকে নিয়ে।বাংলাদেশ নেতৃত্বর সাথে গত কয়েকদিন ধরে পাকিস্তানের সখ্যতা বেড়েছে বলে আন্তর্জাতিক স্তরে আলোচনা চলছে। এই অবস্থায়, এই মহড়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞেরা।ভারতের সশস্ত্র বাহিনী ও বায়ুসেনা এবার একযোগে শুরু করতে চলেছে এক বিশাল সামরিক মহড়া। যা শুরু হয়ে যাবে এই নভেম্বর থেকেই, যা তিন ধাপে চলবে নভেম্বর থেকে আগামী জানুয়ারি পর্যন্ত। সূত্রের খবর, মায়ানমার, ভুটান ও বাংলাদেশের সীমান্ত বরাবর একই সঙ্গে চলবে এই মহড়া, যার উদ্দেশ্য সীমান্ত প্রতিরক্ষা ও প্রতিক্রিয়া সক্ষমতা আরও জোরদার করা।প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক আধিকারিক জানান, “এই মহড়া মূলত সীমান্ত প্রতিরক্ষা শক্তি যাচাই ও প্রতিক্রিয়াশীল সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য। বায়ুসেনার আধুনিক যুদ্ধবিমান রাফাল ও সুখোই, পাশাপাশি স্থলবাহিনীর অত্যাধুনিক ট্যাঙ্ক ও আর্টিলারি এতে অংশ নেবে।”
তিন ধাপে মহড়া – শক্তির এক বিশাল প্রদর্শন
প্রথম ধাপের মহড়া হবে ৬ ও ২০ নভেম্বর, দ্বিতীয় ধাপ ৪ ও ১৮ ডিসেম্বর, এবং শেষ ধাপ ২০২৬ সালের ১ ও ১৫ জানুয়ারি। প্রতিটি ধাপে উত্তর-পূর্ব ভারতের বিভিন্ন এয়ারবেস ও ফ্রন্টলাইন স্কোয়াড্রন অংশ নেবে। ইতিমধ্যেই যুদ্ধবিমানের উড্ডয়নের জন্য নোটাম জারি করা হয়েছে।সূত্রের দাবি, পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই সম্প্রতি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কার্যক্রম বাড়ানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। এমনকি ঢাকায় পাকাপাকিভাবে কার্যালয় খুলে বসেছে এমনটাই খবর। ভারতীয় গোয়েন্দা মহলের মতে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার সুযোগ নিয়ে সীমান্তে নাশকতা ঘটাতে পারে এই সংস্থা। ঠিক সেই কারণেই ভারত এখন সর্বোচ্চ সতর্ক।
ভারতীয় সেনার এই পদক্ষেপকে তাই ‘পূর্বপ্রস্তুতি’ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। যা থেকে পরিষ্কার হয়ে যাওয়া যায় যে কুচক্রী ইউনূসের বাংলাদেশকে এবার যে আর ভারত ছেড়ে দেবে না তা পরিষ্কার। তবে সীমান্তের উত্তেজনা আরো ভালোভাবে পরিষ্কার জানিয়ে দেয় ভারত বাংলাদেশ যুদ্ধ আসন্ন।
গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর অন্তবর্তী সরকার ক্ষমতায় আসে। মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে সরকার গঠন হয়।...
Read more












Discussion about this post