নোবেল জয়ী মুহম্মদ ইউনূসের মধ্যে যে অগাধ বৈচিত্র আছে তাকে আর উপেক্ষা করা যায় না। তিনি সরকারী কর্মচারীদের বলতে পারেন যে তারা পাঁচ বছর পর তাদের কর্ম দক্ষতা হারিয়ে ফেলেন, তাই তাদের পরিবর্তে নতুনদের নিয়ে আসতে হবে যাতে নতুন কাজের পরিবেশ তৈরী হয়। আর সেই তিনি ৮৫ বছর বয়সেও বলছেন যে মানুষ চাইছে আমি যেন আরও পাঁচ বছর, কেউ কেউ তো আবর আরও ৫০ বছর তাকে ক্ষমতায় দেখতে চাইছেন। এই মুহম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সরকারের বিরোধ ছিল যে, তিনি যেন সরকারী নীতিমালা মেনে ৬৫ বছর বয়স হওয়ার পর তার ক্ষমতা ত্যাগ করেন,কিন্তু উল্টে তিনি সরকারের বিরুদ্ধেই মামলা করা থেকে শুরু করে, আন্তর্জাতিক মঞ্চকে কাজে লাগান, যাতে তাকে ক্ষমতা থেকে না সরানো হয়, পরেতো তিনি সরকার ফেলে দিয়ে নিজেই সরকার প্রধান হয়ে যান।এখন তিনি চাইছেন কোন অমর হওয়ার বড়ি খেয়ে আরও পঞ্চাশ বছর ক্ষমতায় থাকতে, আর সেই ব্যবস্থাও তিনি পাকা করে রেখেছন, তবে সেই পাকা ব্যবস্থার বিষয়ে পরে আসি। আগে দেখে নিই তিনি কেন বিচিত্র এবং কেন তার দেশপ্রেমও বিচিত্র। তিনি বলেছেন আমাদের দেশ হল চ্যাম্পিয়ান দেশ। দেশের মানুষকে সবদেশের কাছে ছোট এবং অসম্মান করার জন্য বলেছেন আমাদের দেশ জালিয়াতিতে চ্যাম্পিয়ান।। অথচ এই ইউনূস সাহেব মাত্র একবছর আগে বলেছিলেন যে, এদেশের ১৮ কোটি মানুষের মধ্যে অর্ধেক মানুষ ২৭ বছরের নীচে। চিন্তা করেন কি ধরণের তরুণ বাংলাদেশের মানুষ। এটাই আমাদের সম্পদ।সারা বিশ্ব অবাক হয়ে আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে, কখন আমরা এই তরুনদের পাঠিয়ে তাদের সাহায্য কোরব। তিনি আরও বলেন শুধু বাংলাদেশ নয়, পৃথিবীকে পরিবর্তন করার সুযোগ তাদের কাছে এসেছে। বিভিন্ন দেশ থেকে নাকি তার কাছে দরখাস্ত আসছে এত এত লোক পাঠান, কোন কোন দেশ নাকি বলছে যত পারেন লোক পাঠান। ২০২৭ সালে নাকি বিভিন্ন দেশ থেকে হাতজোড় করে বিদেশীরা আসবে বাংলাদেশ থেকে লোক নিতে, বাংলাদেশ ছাড়া এত তরুণ তাজা শক্তি, সৃজনশীল এবং বিশ্বস্ত মানুষ আর অন্য কোন দেশে নেই। মানে বাংলাদেশের এই তরুণরা শুধু বাংলাদেশ নয়, সারা পৃথিবীকে পরিচালনা করবে। কিন্তু গোটা বিশ্ব জেনে গেছে এই তরুনদের সদ্দার হল জালিয়াতের সদ্দার।তিনি যে নোবেলটি পেয়েছেন সেটিও জালিয়াতির মাধ্যমে। তিনি ক্ষমতায় এসেই তার বাকি থাকা করের ৬৬৬ কোটি টাকা মুকুব করিয়ে নিয়েছেন। এটি কি দেশের সঙ্গে প্রতরণা মানে জালিয়াতি নয়। যারা আজ ছাত্রনেতা, যারা জামাতের হয়ে ভোটে লড়াই করছে, তাদের অনেকেই নাসি রুদ্দিন পাটোয়ারীর মত ছাত্ররা, যদিও আন্দোলোনের সময় এদের দেখা যায়নি,এই নাসি রুদ্দিনের পরিবার পূর্বপূরুষ ধরে জামাতের রাজনীতি করত।পাটোয়ারী ইউনূসের গ্রামীন ব্যঙ্কে চাকরি করত। তাই এদের পচা ডিম দিয়ে স্বাগত জানাচ্ছে দেশের মুক্তি যুদ্ধের পক্ষে থাকা জনগন। দেশের টাকা ধ্বংস করে গ্রামীন ব্যঙ্কের লোকজনদিয়ে তিনি তার স্বচ্ছ ভাবমূর্তির প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। যদিও বিচার বহিভূক্ত হত্যাকান্ড নিয়ে বিভিন্ন দেশ থেকে সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে।সে সব উপেক্ষা করে কিন্তু তিনি দেশের মানুষকে জ্ঞান দিয়ে যাচ্ছেন। যে কথাটি বলছিলাম যে তিনি ক্ষমতায় থাকার সব ব্যবস্থা পাকা করে রেখেছন, যেটি হল তার সর্ববৃহৎ জালিয়াতি, সেটি হল গণভোট। মানুষকে অন্ধকারে রেখে তিনি যে জনগনকে হ্যাঁ ভোটে বাধ্য করছেন, এটিই তার সবথেকে বড় জালিয়াতি। তিনি ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন না।তিনি বলবেন দেশের জনগন তাকে সংস্কারের অধিকার দিয়েছে, তাই তিনি সংস্কার করে তবে ক্ষমতা ছাড়বেন, আর সেই সংস্কার ছয় মাস থেকে ছয় বছরও হতে পারে। যদি জামাত জিতে যায় তাহলে তো তিনি আর জামাত কোন আলাদা ব্যাপার নয়। আর বিএনপি জিতলেও তিনি ক্ষমতায় থাকার সব ফাঁক ফোকর রেখে দিয়েছন, তারেক রহমান থেকে শুরু করে বিএনপির অর্ধেক লোক কে জেলে ঢুকিয়ে দেবেন। আর সেনাপ্রধান তো জামাতের খাস লোক। ফলে অস্ত্র মামলা থেকে শুরু করে ঋণখেলাপীর মামলা দিয়ে বিএনপির নেতা মন্ত্রীদের জন্য জেলখানা সাজিয়ে রাখছেন তিনি।












Discussion about this post