পাকিস্তান চীন তুরস্কই শুধু নয়, বাংলাদেশের বর্তমান সরকার মরিয়া হয়ে উঠেছে, যে তারা এখন ইউরোপ, দক্ষিন কোরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র সহ সব দেশ থেকেই অস্ত্র কেনার বিষয়টি নিয়ে। প্রশ্ন উঠছে এই সরকারের দায়িত্ব ছিল একটি সুষ্ঠ নির্বাচন দিয়ে, নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা দিয়ে বিদায় নেওয়া। কিন্তু এই সরকার যেভাবে দীর্ঘ মেয়দী পরিকল্পনা গুলি নিয়েছে, তা দেখে মনে হচ্ছে যারা বর্তমানে ক্ষমতায় আছে, ভোট হোক বা না হোক, ক্ষমতায় থাকবে, এই সরকারে থাকা বা এই সরকার পরিচালন করা ব্যক্তিরাই। বাংলাদেশ ২০৩০ সালের মধ্যে নিজেদেরকে সার্বিক সামরিক শক্তি সম্পন্ন করার লক্ষ্য নিয়েছিল, তবে সেটি ধাপে ধাপে, কিন্তু এই সরকার এসেই দ্রুত নিজেদেরকে সামরিক শক্তিতে এশিয়া এবং ইউরোপের শক্তিধর দেশগুলির তালিকায় আনতে চাইছে। তার জন্য তারা চীনের সঙ্গে যৌথভাবে ড্রোন করাখানা, এছাড়া পাকিস্তান এবং ইউরোপ থেকে যুদ্ধ বিমান, সাবমেরিন অ্যাটাক হেলিকপ্টার, যুদ্ধজাহাজ আপডেট সব মিলিয়ে কয়েক লাখ কোটি টাকার প্যাকেজ তৈরী করেছে। প্রশ্ন উঠছে একটি অন্তবর্তী সরকার যার প্রধান দায়িত্ব ছিল নির্বাচন সংস্কার এবং বিচার। কিন্তু সেই সরকার কেন এত দীর্ঘ মেয়াদী সামরিক দায় তৈরী করছে। এই সব যুদ্ধ বিমান বা সাবমেরিন কেনা থেকে রক্ষনা বেক্ষন, এক বছরের কর্মকান্ড নয়। এগুলি দশকের পর দশক ধরে চলমান ব্যায়। বর্তমান ভেঙে পড়া অর্থনীতিতেও কেন তাড়া হুড়ো করে সরকার এই সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। যে সিদ্ধান্তগুলি রাজনৈতিক বৈধতা এবং জনসমর্থনের উপর দাঁড়িয়ে নেওয়া উচিৎ, সেগুলি কেন এই ভাবে নেওয়া হচ্ছে। এই সরকার কি যুদ্ধের আশঙ্কা করছে। আসলে বাংলাদেশ মূলত দুটি শক্তির দেশ। একটি হল মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ্যে থাকা শক্তি, যাদের নীতি ছিল সবার সঙ্গে সদভাব বজায় রেখে চলা। আর একটি হল মুক্তি যুদ্ধ বিরোধী শক্তি। আর আওয়ামীলীগ ছাড়া বাকী সব দলই হল মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী শক্তি। বিএনপির সুযোগ ছিল তারা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ্যের শক্তি হিসাবে নিজেদেরকে প্রমানিত করতে পারত। কিন্তু যে দিন তারেক জিয়া বললেন যে ধানের শীষের সঙ্গে, দ্বিতীয় ব্যলটে হ্যাঁ ভোটের পক্ষ্যে রায় দিতে, সেদিনই তিনি বিএনপিকে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী দলে পরিনত করলেন। এখন আর এটা বলা লাগবে না যে হ্যাঁ ভোট জিতলে কি হবে। গত ৫৪ বছরের ইতিহাসই শুধু বদলে দেওয়া হবে না, সেই সঙ্গে বদলে যাবে জাতীয় পতাকা,জাতীয় সঙ্গীত, আর একটি চেষ্টা করা হচ্ছে সেটি হচ্ছে জাতীয় মানচিত্র বদলের।তার জন্য ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ করতে প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ বর্তমান সরকার। আর যে কারণে নিজেদের ক্ষমতার বাইরে গিয়ে দেশকে অস্ত্র ভান্ডার বানাতে মরিয়া ইউনূস সাহেব। আর এই অস্ত্রভান্ডার গড়তে গেলে প্রথম যেটি প্রয়োজন সেটি হল সেনাবাহীনীতে নিজেদের লোককে বসানো। তাই ওয়াকারের সঙ্গে ইউনূসের মুখোমুখি সংঘাত শুরু হয়েছে। অনেকেই বলবেন যে ওয়াকার তো জামাতের লোক। হাসিনার সঙ্গে বেইমানি করা ব্যক্তি। যিনি অনেকটা মির্জাফরের মত কাজ করেছেন। তাদের বলি মির্জাফরকে কাজে লাগানো মাত্র, বিশ্বাস করা হয়না। জামাত এবং ইউনূস এখন আর ওয়াকারকে বিশ্বাস করে না। এই সেনাপ্রধান দায়িত্ব নিয়ে হাসিনার সরকার ফেলে দিয়ে, নিজেকে পরিবর্তনের বড় বীর বিপ্লবী মনে করলেও, তাকে বিশ্বাস করে না ইউনূস এবং জামাত বাহীনি। তার কারণ ওয়াকার যে এই সরকারের কোন নীতির বিরুদ্ধে গিয়েপ্রতিবাদ করেন এমন নয়। তিনি আসলে চান কোন ভাবে ২০২৭ সালের জুন মাস পর্যন্ত তার মেয়াদকাল স্ব-সম্মানে অতিক্রম করতে । তার ভয় এই সরকার তাকে সরিয়ে নিজেদের আরও কাছের লোক কে বসানোই শুধু নয়, ওয়াকারকে গ্রেফতার করে রাস্তায় তার বিচার করাও হতে পারে, অনেক ছাত্রনেতা এই দাবী করে আসছে। আসলে বিশ্বাস ঘাতকদের কেউ বিশ্বাস করে না। জামাতের কাছে এখন ওয়াকারের কাজ শেষ। তাই তাকে সময়ের আগেই বিদায় দিতে প্লট সাজাচ্ছে তারা। আর এটি বুঝতে পেরেই বেঁকে বসেছেন সাবধানী ওয়াকার।
২০২৪ সালে বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া গণঅভ্যুত্থানের মাস্টারমাইন্ড বলে যাকে গোটা বিশ্বের কাছে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন স্বয়ং প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।...
Read more












Discussion about this post