গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর অন্তবর্তী সরকার ক্ষমতায় আসে। মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে সরকার গঠন হয়। গত দেড় বছর ধরে আওয়ামী লীগের একাধিক আন্দোলন দেখেছে বাংলাদেশ। অন্যদিকে সামনেই রয়েছে বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন। প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দল ইতিমধ্যেই ময়দানে নেমে পড়েছে। নির্বাচন এগিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর সভা-সমাবেশ বেড়ে গিয়েছে। জনগণও চায়, দ্রুত নির্বাচন হোক এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ফিরে যাক বাংলাদেশ। ভোট যাতে সুষ্ঠুভাবে হয়, যাতে কোনও রকম কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেই কারণে একাধিক বিষয়ে প্রশাসনের তরফ থেকে নজর দেওয়া হচ্ছে। মহম্মদ ইউনূস ক্ষমতায় আসার পর থেকে সেখানকার মানুষেরা যে খুব ভালো তেমনটা কিন্তু একেবারেই নয়। ক্ষমতায় ইউনূস পর থেকে একের পর এক ঘটনা বাংলাদেশে ঘটেই চলেছে। একের পর এক মৃত্য়ুর মত ঘঠনা ঘটছে। একদিকে যেরকম অরাজকতা পরিস্থিতি হচ্ছে অন্যদিকে, মহম্মদ ইউনূসের আমলে ঋণে ডুবছে বাংলাদেশ। কিন্তু এখন প্রশ্ন কোথায় গেল এত টাকা? চলুন প্রতিবেদনের মাধ্যমে আলোচনা করা যাক, ইউনূস ভেবেছিলেন যে, তিনি ক্ষমচায় এসে দেশের পরিস্থিতি বদলে ফেলবেন। চাকরী দিকে উন্নতি হবে, বিশ্ববিদ্যালয় উন্নতি হবে, তরুণ প্রজন্মকে কোনও চিন্তা করতে হবে না। কিন্তু না,, সেই ভাবনায় একেবারেই জল ঢেলেছেন ইউনূস। বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করার জন্য দেশীয় এবং বিদেশীদের কাছ থেকে ঋণ নিয়েছিল আওয়ামী লীগ। সেই ঋণ নিয়ে সমালোচনা কম হয়নি রাজনৈতিক মহলে। অনেকেই বলতেন, অন্য দেশ থেকে ধার করে চলা। কিন্তু মহম্মদ ইউনূসের আমলে পাল্টে যাবে ঋণ প্রবাহ। কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের তথ্য বলছে, উল্টো কথা। রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান বাংলাদেশের কর-জি়ডিপি অনুপাত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “কয়েক বছর আগেও আমাদের কর-জিডিপি অনুপাত ১০ শতাংশের বেশি ছিল। এখন তা ৭ শতাংশের ঘরে ঘোরাফেরা করছে।” কোথায় সমস্যা রয়েছে, তা স্পষ্ট ভাবে চিহ্নিত করার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছেন তিনি। তবে তাঁর মতে, কর-জিডিপি অনুপাত কমে যাওয়ার একটি অন্যতম কারণ হল জিডিপির সব খাতে রাজস্ব সংগ্রহ সম্ভব হচ্ছে না। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে সরকার দেশী এবং বিদেশী উৎস থেকে ৩ লাখ ২৮ হাজার ২৪৯ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে। ইউনূসের আমলে ঋণের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আওয়ামী লীগের রেখে যাওয়া ঋণ। অর্থনীতি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যে টাকায় ঋণ হয়েছে সেই ঋণের বোঝা সামলানো খুব কঠিন মহম্মদ ইউনূসের। ঋণের কিস্তিতে চাপ বাড়ছে। অন্যদিকে সুদের চাপও বাড়ছে। এক সূত্রের তরফ থেকে জানা যাচ্ছে, ঋণ বাড়ার প্রধান কারণ কী কী বলুন তো………. তেব জেনে নিন, অপ্রয়োজনীয় ঋণ নেওয়া হয়েছিল। ব্যাঙ্কগুলোকে বাঁচাতে সরকারকে অর্থ দিতে হয়েছে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ঋণ নেওয়ার সময় শোধের করার কোনও চিন্তা করা হয়নি। বাড়ছে বিদেশি ঋণের কিস্তি। অন্যদিকে, অভ্যন্তরীণ ঋণও বাড়ছে। অর্থনীতি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি এইভাবে ঋণ বাড়তে থাকে তাহলে ঋণে ডুবে যেতে পারে বাংলাদেশে। কিন্তু এত টাকা কোথায় গেল কী কী খাতে খরচ হল সেই বিষয়ে কিনিতু ইউনূসের তরফ থেকে বা তাঁর সরকারের তরফ থেকে কিছুই বলা হয়নি।
গুঞ্জনের অবসান। দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময়ের পর বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হল বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে ফের সরাসরি আকাশ পাতালের...
Read more











Discussion about this post