সেনাপ্রধান কি দেশের সব মানুষকেই শিশু মনে করেন। নাকি তিনি সবাইকে নিজের মতই নির্লজ্জ্য মনে করেন। সামনে ভোট তার জন্য সেনারা কে কি করবেন, কিভাবে দুঃস্কৃতি দমন করবেন তার রোড ম্যাপও জানিয়ে দিলেন সাংবাদিক সম্মেলন করে। কিন্তু তিনি ভোট নিয়ে সেনাপ্রধান হিসাবে ১৭ মাস আগে জনগনকে কি বলেছিলেন আজ তা ভুলে গেছেন, নাকি তার আর কোন উপায় নেই। নাকি সেদিনের বক্তব্য ছিল শিশু ভোলানো ব্যপার।। এখন তিনি ইনক্লুসিভ নির্বাচন নিয়ে কোন কথা বলেন না। সবাই যাতে শান্তিতে ভোট দিতে পারেন তার জন্য সেনা কাজ করবে বলে জানান কিন্তু সবাই নিজের নিজের পছন্দের মার্কাতে ভোট দিতে পারবেন সেই ব্যবস্থা করতে পারলেন না। তিনি ভোটে সেনার কি ভূমিকা হবে তাই নিয়ে অনেক কথা বললেন। তিন সেনাবাহীনি তাদের নিজের আত্মপত্যয়ের অনেক অভিনয়ও করলেন। কিন্তু সেনাপ্রধান জানেন ভোটে যে দলই জিতুক না কেন, তিনি দেশের কাছে হেরে গেছেন। তিনি নৈতিকতা এবং দায়িত্ববোধের কাছে হেরে গেছেন। তিনি সেনাপ্রধান হিসাবে অযোগ্য প্রমান করে দিয়েছেন। তিনি ইনক্লুসিভ নির্বাচন করাতে পারেন নি। তিনি দেশের প্রায় অর্ধেক মানুষের জন্য নির্বাচনে অংশ নেওয়াকে নিশ্চিত করতে পারেন নি। ৫ই আগস্ট যে দম এবং দম্ভ নিয়ে মানুষের সামনে এসেছিলেন, আজ সেই দম ও দম্ভ দেখানোর অভিনয় করলেও তিনি জানেন তিনি ডুবতে যাওয়া সূর্য। তাকে দেশের মানুষ ঘৃণার চোখে দেখে। সাজানো দেশ ধ্বংসের কারিগর তিনি।তাই তার মুখে নির্বাচন নিয়ে কোন কথা মানাই না। তবে তিনি যে আওয়ামীলীগের জন্য ভোটের রাস্তা খুলতে পারেন নি, তাতে আওয়ামীলীগের ভালোই হয়েছে। কারণ সব নেতা কর্মী হয় জেলে নয়তো দেশের বাইরে, আর মহিলা থেকে পাগল যদি কেউ জয় বাংলা বলে তাকেও ছাড় দেয়না এই রাজাকাররা। ফলে ভোটে আওয়ামীলীগ থাকলেই বা কি আর না থাকলেই বা কি। আর এই ভোট যখন বাইরের সব দেশ বয়কট করছে, তখন এই ভোট করিয়ে লাভই বা কি। তবুও নিজেদের মধ্যে নাটক নাটক খেলা করার জন্য নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে অস্থিরতা, অজানা শঙ্কা এবং নিরাপত্তাহীনতার আভাস। রাজনৈতিক দলগুলোর প্রচার, মিছিল-মিটিং, এমনকি স্থানীয় পর্যায়ের প্রস্তুতির মধ্যে যে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়ছে, তা ক্রমেই আইনশৃঙ্খলার জন্য বড় হুমকিতে পরিণত হচ্ছে। প্রতিটি নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার সঙ্গে এক ধরনের সহিংসতার ছায়া থেকে যায়, কিন্তু এবার পরিস্থিতি কিছুটা ভিন্ন। গত বছরের অভ্যুত্থানোত্তর সময় থেকে দেশের প্রশাসনিক কাঠামো ও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় যে পরিবর্তন এসেছে, তা এখন এক নতুন ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।
বিগত কয়েক সপ্তাহে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যাপক পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার, অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের চালান আটক, এবং বিভিন্ন দলের প্রতিপক্ষকে ঘায়েলের নামে সংঘবদ্ধ বাহিনী গঠনের খবর উঠে আসছে সংবাদ শিরোনামে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী একদিকে এসব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমন করছে, অন্যদিকে রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণের ভারও বহন করছে। এতে তাদের কার্যক্রম প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে। ফলে নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই প্রশ্ন উঠছে—এই পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীকে কি আরও সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে?
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঠিক তিনদিন আগেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের শুল্ক চুক্তি স্বাক্ষর নিয়ে আজও আলোচনা হচ্ছে। বাংলাদেশে গত...
Read more












Discussion about this post