যে কোন দেশে নির্বাচনের দিন ঘোষনা হয়ে গেলে, আর কোন আন্দোলোন বিক্ষোভ হয় না। কিন্তু ঢাকাতে যমুনার সামনে পুলিশের সঙ্গে যে ভাবে সরাসরি সংঘাতে জড়িয়েছেন সরকারী কর্মচারীরা। ইউনূস সাহেবে ক্ষমতায় থাকার জন্য এক নয় একাধিক রাস্তা খুলে রাখছেন। যদি ভোট হয়ও তাহলেও তার পছন্দের দল না জিতলে তিনি কোন ভাবেই ক্ষমতা ছাড়বেন না। ৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও বাস্তবায়নের এক দফা দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বাসভবন যমুনার সামনে অবস্থান নেওয়া সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ চলছে। অবস্থানকারী কর্মচারীদের ওপর টিয়ারগ্যাস, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করছে পুলিশ।
ঘটনাস্থলে বিজিবিও মোতায়েন করা হয়েছে।
এর আগে সকালে ৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও বাস্তবায়নের দাবিতে ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জড়ো হন সরকারি চাকরিজীবীরা। এরপর সেখান থেকে মিছিল নিয়ে যমুনা অভিমুখে যাত্রা করেন তারা।
বেলা ১১টার দিকে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের পাশের সড়কে পুলিশের দেয়া ব্যারিকেড ভেঙে যমুনা অভিমুখে যান তারা। এ সময় বিভিন্ন স্লোগন দেন সরকারি চাকরিজীবীরা।
বিগত দিনে বারবার আশ্বাস দেয়া হলেও গেজেট প্রকাশ না করায় ক্ষোভ জানান তারা। এছাড়া অন্তর্বর্তী সরকারের সময় পে কমিশন গঠন হলেও গেজেট প্রকাশ না হওয়ায় অবিচার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ তাদের। অন্যদিকে জাতিসংঘের অধীনে শরীফ ওসমান হাদি হত্যার তদন্ত ও হত্যার ঘটনায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা আজ বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার দিকে যাত্রা করেন।
পুলিশ তাদের বাধা দিতে জলকামান, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে। এ সময় সংগঠনের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এবং শতাধিক আন্দোলনকারী আহত হয়েছেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন আম্মা ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার সময় আহত হয়ে ঢামেক জরুরি বিভাগে ভর্তি হন।
আন্দোলনকারীরা ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছে, আপাতত কোনো জমায়েত করবেন না। তারা চিকিৎসা নিয়ে পরে আবার রাজপথে ফিরবেন। ফলে নবম পে স্কেল বাস্তবায়িত করার দাবীতে আন্দোলোন, যদিও তার পিছনে ইউনূস সাহেবেরই হাত আছে বলে মনে করছে সবাই। কারণ সরকার তো আগেই বলেদিয়েছিল যে, নবম পে স্কেল বাস্তবায়িত করতে যে অর্থের প্রয়োজন হবে তা তারা মজুত করে রেখেছে, শুধু তারা এটি বাস্তবায়িত করছে না, এটি নব নির্বাচিত সরকার এসে বাস্তবায়িত করবে। তাহলে আন্দোলোন করার প্রয়োজনটি কোথায়। আর তো মাত্র কিছু দিন বাদেই নতুন সরকার আসছে। কিন্তু তদারকী সরকার এও বলে যে একটি দলের আপত্তিতে তারা এটি এখনই বাস্তবায়িত করতে পারছে না। কিন্তু এসবের মধ্যে তো এমন কিছু নেই যে সরকারী কর্মচারীদের রাস্তায় নেমে আন্দোলোনের নামে পুলিশের সঙ্গে মারামারি ধ্বস্তাধস্তি করতে হবে। এখানে যে দলটির আপত্তির কথা বলা হচ্ছে সেটি কি বিএনপি।জনগনের কাছে বিএনপিকে খারাপ করার জন্য বিএনপির দিকে আঙ্গুল তুলছে সরকার। আর সরকার সাহস না দিলে কি করে এই সরকারী কর্মচারীরা এই ধরণের আন্দোলোনে সামিল হতে পারে।সরকারী কর্মচারীদের আন্দোলোন ছাড়াও আর একটি আন্দোলোন হচ্ছে মুক্ত মঞ্চের পক্ষ থেকে যমুনাতে। সেখানে হাদির পরিবারের দাবী হাদির মৃত্যুর তদন্ত যেন জাতিসংঘ করে। যদিও পরিবার বলতে হাদির বোন পেয়েছে দু কোটি টাকা, আর ভাই পেয়েছে সরকারী চাকরি। ফলে হাদির স্ত্রী এবং মু্ক্তমঞ্চ এখন আন্দোলোনে নেমেছে। অর্থাৎ সরকারের বক্তব্য ছিল হাদিকে ছাত্রলীগের কেউ হত্যা করে ভারতে পালিয়েছে, তা তারা মানছে না, তাদের বিশ্বাস সরকার জানে কারা হাদিকে হত্যা করেছে। এখানেও ঘুরিয়ে বিএনপির মির্জা আব্বাসের দিকে আঙ্গুল তোলা হচ্ছে। এখন তাকে নিয়ে একটা এমন কিছু ঘটানো হতে পারে যাতে, মুক্ত মঞ্চের সঙ্গে বিএনপি একটা সংঘর্ষ হয়। এখন আন্দোলোনের দাবী মেনে বিচার এবং তদন্ত করতে গেলে হয়তো মির্জা আব্বাসকে নিয়ে টানাটানি করা হবে। এখানেও বিএনপিকে প্যাঁচে ফেলা যাবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঠিক তিনদিন আগেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের শুল্ক চুক্তি স্বাক্ষর নিয়ে আজও আলোচনা হচ্ছে। বাংলাদেশে গত...
Read more












Discussion about this post