৩৫ বছর পর চেনা ছক ভাঙতে চলেছে বাংলাদেশের টুঙ্গিপাড়া-কোটালিপাড়ায়। যে মাটিতে বঙ্গবন্ধু চিরনিদ্রায় শায়িত রয়েছেন সেখানে এবার নির্বাচনে নেই আওয়ামী লিগ। অথচ আলোচনার কেন্দ্রে এক ‘ফুটবল’ প্রতীক। হঠাৎ বাংলাদেশের নির্বাচনের ফুটবল প্রতীক এটা আবার কার দল? জোড় গুঞ্জন শুরু হয়ে গেছে ফুটবল প্রতীককে সামনে রেখে। সাবেক বিএনপি নেতা হাবিবুর রহমান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন, যিনি ভোটের প্রচার শুরুই করেছেন বঙ্গবন্ধুর কবরে শ্রদ্ধা জানিয়ে।এমন ঘটনা কি গোপালগঞ্জের সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার এবং এলাকার উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় কোনো প্রভাব ফেলবে?
আওয়ামী লিগ বিহীন এই নির্বাচনে বিএনপি আসনটি দখলের চেষ্টা করলেও স্থানীয়দের মনে শঙ্কা কাটছে না। দলীয় নির্দেশ মেনে আওয়ামী লীগ কর্মীরা ভোট বর্জন করলে ভোটার উপস্থিতিতে ধস নামার সম্ভাবনা প্রবল। অন্যদিকে, স্বতন্ত্র প্রার্থীকে সমর্থনের মাধ্যমে বিএনপিকে ঠেকানোর এক প্রচ্ছন্ন সমীকরণও কাজ করছে জনমনে। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন এই শহরটি কি তার মর্যাদা হারাবে, নাকি নতুন কোনো নেতৃত্ব সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও অধিকার সুনিশ্চিত করবে?১৯৯১-এর পর থেকে বিগত ৩৫ বছরে এবার নিয়ে দ্বিতীয়বার ছন্দপতন হল টুঙ্গিপাড়া-কোটালিপাড়ার। ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত নির্বাচন বয়কট করেছিল আওয়ামী লিগ।শেখ হাসিনা সেই কারণে সেবার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেননি। এরপর ২০২৬। এবার তাঁর দল আওয়ামী লিগকে নির্বাচনে অংশই নিতে দেওয়া হচ্ছে না।এর বাইরে গত ৩৫ বছর গোপালগঞ্জ-তিন আসনের সাংসদ ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লিগের সভাপতি হাসিনা। আসনটি গোপালগঞ্জ-তিন আসন টুঙ্গিপাড়া-কোটালিপাড়া নামেও পরিচিত।
গোপালগঞ্জ-৩ শুধু আওয়ামী লিগ নেত্রীর সংসদীয় কেন্দ্রই ছিল না, এই এলাকার টুঙ্গিপাড়া হল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর কন্যা বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মস্থান। পৈতৃক বাড়ির উঠোনে রয়েছে বঙ্গবন্ধু মুজিবুর রহমানের সমাধি। ১৯৭৫- এর ১৫ অগস্ট সেনার হাতে নিহত বঙ্গবন্ধুর দেহ ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে চাপিয়ে অতি অনাদরে তাঁর জন্মস্থানে কবর দেওয়া হয়েছিল। দেশের রাষ্ট্রপতি এবং জাতির পিতার শেষকৃত্য হয়েছিল বলতে গেলে ইসলামিক আচার অনুষ্ঠান ছাড়াই। গ্রামের কিছু মানুষ রুখে না দাঁড়ালে দাফনের নতুন কাপড়টুকু পর্যন্ত মিল ছিল না বঙ্গবন্ধু।
সেদিন হয়তো কেউই কল্পনাও করতে পারেননি একদিন বঙ্গবন্ধুর কন্যা দেশে ফিরে দলের হাল ধরবেন এবং প্রধানমন্ত্রী হবেন। হাসিনা সরকার প্রধান হওয়ার পর পৈত্রিক বাড়িটি অধিগ্রহণ করে সেখানে বঙ্গবন্ধুর সমাধি তৈরি করেছেন সরকারি উদ্যোগে। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ সেখানে যান তাঁর কবর জিরায়ত অর্থাৎ প্রার্থনা করতে। বঙ্গবন্ধুর সেই সুসজ্জিত সমাধিক্ষেত্রটি ২০২৪-এর ৫ অগস্টের পর থেকে কড়া নিরাপত্তার চাদরে মোড়া। গণঅভুত্থানের পর বাংলাদেশ জুড়ে শেখ মুজিবের মূর্তি ভাঙার পাশাপাশি টুঙ্গিপাড়ায় তাঁর সমাধিতেও হামলার চেষ্টা হয়েছিল। তবে আওয়ামী লিগের প্রবল প্রতিরোধের মুখে তা সম্ভব হয়নি। শেখ হাসিনা আওয়ামী লিগের এক ভার্চুয়াল সভায় বলেছেন, কপ্টারে ওঠার আগে পর্যন্ত তিনি জানতেন না তাঁকে ভারতে পাঠানো হচ্ছে। তাঁর ধারণা ছিল কথা মতো তাঁকে গোপালগঞ্জে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। তিনি চেয়েছিলেন সেখানে পিতার কবর জিরায়তের পর প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে গোপালগঞ্জেই থেকে যাবেন বাকি জীবন।
গোপালগঞ্জে হাসিনা ও তাঁর বোন শেখ রেহানার পৈত্রিক বাড়িটি এখন সরকারি সম্পত্তি। যেমন ঢাকার ধানমন্ডি-৩২ নামে পরিচিত শেখ মুজিবের তৈরি বাড়িটিও দুই বোন সরকারের হাতে তুলে দিয়েছেন। ওই বাড়িতেই ছিল রাজধানীর বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর, যা গণ অভ্যুত্থানের পর তিন দফায় হামলা চালিয়ে গুড়িয়ে দিয়েছে উগ্রবাদী জনতা।
অন্যদিকে, গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর জন্মস্থান তথা পৈত্রিক বাড়ি এবং সমাধি অক্ষত আছে। সরকারের হাতে তুলে দেওয়া ওই বাড়ি ও জমির পাশেই একটি তিনতলা বাড়ি মাথা তুলেছে বছর কয়েক হল। হাসিনা-রেহানারা টুঙ্গিপাড়ায় গেলে ওই বাড়িতে উঠতেন। হাসিনা নানা সময়ে বলেছেন, অবসর জীবনে টুঙ্গিপাড়ার ওই বাড়িতে এসে পাকাপাকিভাবে থাকবেন। প্রধানমন্ত্রী থাকার সময় বছরে একবার এবং ভোটের বছরে বড়জোর দু’বার যেতেন টুঙ্গিপাড়ায়। তিনি নিজের হাতে মনোনয়নপত্র জমা করতেন। আর একবার যেতেন প্রচারে। গোপালগঞ্জের তিনটি আসনের জন্য একটি জনসভা করতেন। তবে সফরের অনেকটা সময় কাটাতেন বাবার কবরে প্রার্থনা করে।ভোটের মুখে বঙ্গবন্ধুর সেই কবর জিরায়ত করে গোপালগঞ্জে এখন আলোচনায় ভূমিপুত্র হাবিবুর রহমান। টুঙ্গিপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এবং জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য আইজীবী হাবিবুর রহমান দলের টিকিট না পেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই আসনটিতে স্বতন্ত্র বা নির্দিল প্রার্থী হিসাবে লড়াই করছেন। নির্বাচনী প্রতীক ফুটবলে লাথি দিয়ে প্রচার শুরুর আগে টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর কবরে প্রার্থনা করেন এই সাবেক বিএনপি নেতা। স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার পাশাপাশি বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার প্রতি আস্থা, ভরসা প্রকাশ করার অপরাধে দল থেকে তাঁকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি। এই আসনে বিএনপি-র প্রার্থী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এস এম জিলানী।এই আসনের সাবেক এমপি তথা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনারও প্রশংসা করেন মাস খানেক আগেও বিএনপি-র সক্রিয় নেতা হাবিবুর। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা গোপালগঞ্জের জন্য অনেক করেছেন। বিএনপি-তে থাকার সময় তিনিও যদিও দাবি করতেন বঙ্গবন্ধু নন, মুক্তিযুদ্ধের ঘোষক জিয়াউর রহমান। তথ্য প্রমাণ বলছে বঙ্গবন্ধুর তরফে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান।হাসিনার হাত ধরে গোপালগঞ্জে বদলে গিয়েছে এই মফস্বল শহরে গাড়িতে কয়েক ঘন্টা চক্কর কাটলেই তা বোঝা যায়। মেডিকেল কলেজ, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, ম্যানেজমেন্ট কলেজ, অত্যাধুনিক হাসপাতাল, বিনোদন পার্ক, চোখ ধাঁধানো হোটেল, শপিং মল, শিল্প পার্ক সর্বোপরি বিশাল চওড়া রাস্তা এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধায় ভরপুর গোপালগঞ্জকে এখন আর গঞ্জ বলা কঠিন। পদ্মা সেতু হওয়ার পর বাংলাদেশের দক্ষিণ প্রান্তের বাকি ২০-২২টি জেলার মতো গোপালগঞ্জের সঙ্গেও ঢাকার দূরত্ব অনেকটা ঘুচে গিয়েছে। শেখ মুজিব ও শেখ হাসিনার জন্মস্থান গোপালগঞ্জ এখন মাঝারি মাপের ঝকঝকে আধুনিক শহর। গোপালগঞ্জের এই পরিবর্তন নিয়ে বিভিন্ন সময়ে মুখ খুলে ছিলেন বিএনপির সদ্যপ্রয়াত চেয়ারম্যান তথা তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছিলেন গোপালগঞ্জের নামই বদলে দেবেন শেখ হাসিনা। তাঁর আশঙ্কা ছিল, জেলাটির নাম শেখ মুজিবুর রহমানের নামে রাখা হতে পারে। যদিও হাসিনা সে পথে হাটেননি। কিন্তু এই নির্বাচনকে সামনে রেখে আলোচনা শুরু হয়েছে গোপালগঞ্জের ভবিষ্যৎ নিয়ে। ক্ষমতায় যে সরকারই আসুক না কেন ময়দানে আওয়ামী লিগের অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে বাংলাদেশের এই ঐতিহাসিক জেলার গুরুত্ব মর্যাদাকে খাটো করার আশঙ্কা করছেন অনেকেই।
বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত এবং শেখ হাসিনার ৩৫ বছরের সংসদীয় কেন্দ্র গোপালগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপি বরাবর অত্যন্ত দুর্বল। এবার হাসিনার অনুপস্থিতিতে খালেদা জিয়ার পার্টি আসনটির দখল নিতে পারে কি না সেই আলোচনা আছে। তবে আওয়ামী লিগের তৃণমূল স্তরের নেতা-কর্মীদের একাংশ জানাচ্ছেন, দৌড়ে সামনের দিকেই আছেন হাবিবুর রহমান।
তিনি কি আওয়ামী লিগের সমর্থন চান? হাবিবুর বলছেন, আমি চাইনি। হবে আমার আশা দলমত নির্বিশেষে গোপালগঞ্জের মানুষ আমাকে সমর্থন করবে। তাঁর দাবি, গণঅভ্যুত্থানের পর গোপালগঞ্জে আওয়ামী লিগের নেতা-কর্মীরা নিরাপদে ছিলেন। এখানে কোনও ধরনের রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ তরতে দেওয়া হয়নি। বরং তিনি আওয়ামী লিগের নেতা-কর্মীদেরও আইনি সহায়তা দিয়েছেন।
আওয়ামী লিগ কি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কথা বলা হাবিবুরকে সমর্থন জানাবে। বিএনপির হাত থেকে হাসিনার আসন মুক্ত রাখতে দল কি স্বতন্ত্র প্রার্থীকে ভোট দেবে? গোপালগঞ্জের এক আওয়ামী লিগ নেতার কথায়, আমাদের নেত্রী দলের ভোটারদের বুথে না যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা তাঁর নির্দেশ মেনে চলব। সেই সঙ্গে স্থানীয় নেতারা দাবি করছেন, আসনটি বিএনপি-র জয়লাভের কোনও সম্ভাবনা নেই। অবাধ ভোট হলে হাবিবুর বিএনপির একাংশ এবং ফ্লোটিং ভোটারদের সমর্থনে জিতে যেতে পারেন।
বাংলাদেশে হাসিনার আসন বলে পরিচিত এই গোপালগঞ্জ টুঙ্গিপাড়ায় ভোটারদের প্রায় ৫০ শতাংশ সংখ্যালঘু। দীর্ঘ ৪৫ বছর যাবতীয় নির্বাচনে তারা আওয়ামী লিগ তথা শেখ হাসিনাকে জয়যুক্ত করে এসেছে। সংখ্যালঘুরা এবার কী করবেন? আওয়ামী লিগের গোপালগঞ্জের প্রচার সম্পাদক নজরুল ইসলাম গণঅভ্যুত্থানের পর থেকেই এলাকা ছাড়া। তবে প্রতিনিয়ত গোপালগঞ্জের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ রয়েছে। তাঁর বক্তব্য, গোটা বাংলাদেশের মতো গোপালগঞ্জেও মানুষ শেখ হাসিনার ডাকে সাড়া দিয়ে বুথে যাবেন না। যদিও বাস্তব পরিস্থিতি ভিন্ন বলে জানাচ্ছেন গোপালগঞ্জের স্থানীয় ব্যবসায়ী পলাশ বর্মন। তাঁর কথায়, গণঅভ্যুত্থানের দিন গোপালগঞ্জের পরিস্থিতি ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। এখানে কোন অস্থিরতা ছিল না। কিন্তু পরিস্থিতি বদলে যায় কয়েক মাস পর। শুরু হয় ধরপাকড়। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন পাঁচ জন। আওয়ামী লিগের শত শত নেতাকর্মী জেলে বন্দি। কয়েক হাজার সমর্থক এলাকা ছাড়া। বিএনপি ও জামাত আওয়ামী লিগের ভোটারদের আশ্বাস দিয়েছে এলাকায় নিরাপত্তা দেবে বলে। বিশেষ করে তাঁরা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষকে বারে বারে আশ্বস্ত করছে। তাতে কাজ হবেনা বুঝে কোথাও কোথাও হুমকি দেওয়া হচ্ছে এলাকাছাড়া করার। এই পরিস্থিতিতে শেখ হাসিনার ডাকে খোদ গোপালগঞ্জে ভোট বয়কট কতটা সফল হবে তা নিয়ে নানা জনের মনে প্রশ্ন আছে।বিষয়টি শেখ হাসিনার দলের অজানা নয়। আওয়ামী লিগের স্থানীয় নেতারা আভাস দিচ্ছেন, বিএনপি-কে ঠেকাতে গোপালগঞ্জে তারা ভোট প্রতিহত করবেন। ওই নেতার দাবি বাকি ২৯৯ আসনের তুলনায় নেত্রীর নীতির আসনে সবচেয়ে কম ভোট পড়বে। এটাই আমাদের পরিকল্পনা ও চ্যালেঞ্জ।গোপালগঞ্জ-১ আসনেও আলোচনায় আছেন এক স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল আলম শিমুল। তিনি সরাসরি আওয়ামী লিগ না করলেও ওই দলের সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকায় বিএনপি-র দায়ের করা মামলায় তিনি এখন জেলে। কারাগার থেকে ভোটে লড়াই করছেন। এই আসনটিও ছিল আওয়ামী লিগের দখলে।গোপালগঞ্জ-২ আসনের দীর্ঘদিনের সাংসদ ছিলেন শেখ হাসিনার পিসতুতো ভাই শেখ ফজলুল করিম সেলিম। তিনিও এলাকা ছাড়া। এই সুযোগে প্রচারের ময়দানে সাড়া ফেলেছেন কামরুজ্জামান লুটুল। আওয়ামী লিগ তাদের এই স্থানীয় নেতাকে বহিষ্কার করেছে দলের হুইপ অস্বীকার করে নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ায়। সেখানে আর এক স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত এম এইচ খান মঞ্জু।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post