বিদেশের মাটিতে বারবার বাংলাদেশের মুখ পুড়েছে। অপমানিত হয়েছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস। এমনকি সম্প্রতি লন্ডনে গিয়ে দেখা গেল, তিনি বিক্ষোভের মুখে পড়লেন। শুধু তাই নয়, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমারের সঙ্গে দেখা হয়নি মহম্মদ ইউনূসের। বলা ভালো, দেখা করেননি স্টারমার। কিন্তু তারপরও নানা বক্তব্য সরকারের। আসলে কি বার্তা দিতে চাইছেন প্রধান উপদেষ্টা? তিনি কি দেশটিকে বিক্রি করতে চাইছেন? অন্তত তার বিদেশের মাটিতে খরচের কথা সামনে আসতেই সেই প্রশ্নই উঠছে। এছাড়াও লন্ডনে যে হোটেলে তিনি ছিলেন, সেখানে কত বিল হয়েছে জানেন? পাশাপাশি তার ১১ তম নিজের সফরে কত টাকা সরকারি তহবিল থেকে খুইয়েছেন, সেটা জানলেই চমকে উঠবেন।
লন্ডনে গিয়ে শুধু বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ও তার বাহিনী। লন্ডনের মাটি থেকে মহম্মদ ইউনূস বলেছেন, শেখ হাসিনা নাকি ভারতের মাটি থেকে যে যে বার্তা দিচ্ছেন, তাতে নাকি বাংলাদেশের মানুষ ক্ষিপ্ত হয়ে যাচ্ছে। এমনকি পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে। মহম্মদ ইউনূসের সরকার সেটা সামাল দিতে পারছে না। এই জন্য তিনি নাকি মোদির দ্বারস্থ হয়ে শেখ হাসিনা যেন এই ধরনের বার্তা না দেওয়াতে অনুরোধ জানিয়েছিলেন। যদিও নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছেন, এটা সোশ্যাল মিডিয়া। এটা কন্ট্রোল করার ক্ষমতা আমাদের নেই। একেবারে স্পষ্ট বার্তা। আসলে কোণঠাসা হচ্ছেন ইউনূস। যত দিন যাচ্ছে, ততই সেটি স্পষ্ট হচ্ছে। ওদিকে তিনি বিদেশ সফর থেকে কি নিয়ে এলেন এখন সবথেকে বড় প্রশ্ন। তার কারণ তিনি সফরে প্রায় ৬ কোটি টাকা খরচ করেছেন বলে খবর। হোটেলে থেকে তার খরচের পরিমাণ প্রায় ৪ কোটি টাকা বলে সূত্রে জানা যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, ১১টি সফরে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। সেটা সরকারি তহবিল থেকে। এমনকি ৭০ থেকে ৭৪ দিন পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে বলে খবর। আসলে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখনও পর্যন্ত কোনও বিদেশ সফর থেকেই মহম্মদ ইউনূস এমন কিছুই আনেননি, যেটা নিয়ে বাংলাদেশ জুড়ে হইচই শুরু হতে পারে। এমনকি শেখ হাসিনা যা উন্নতি করেছিলেন দেশের, তাতে মহম্মদ ইউনূস প্রায় ১০ বছর পিছিয়ে নিয়ে গিয়েছেন বাংলাদেশকে। এমনকি লন্ডনের মাটিতে তাকে শুধু বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে, তাই নয়, রীতিমতো ইউনূসকে টেরোরিস্ট বলছেন কিছু মানুষ। এমনকি তার কুশপুতুলে জুতোর মালা পরানো হচ্ছে। দেখুন সেই ছবি।
গো ব্যাক স্লোগান শুনতে হয়েছে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টাকে। অনেকে বলছেন, এই পরিস্থিতি অন্য কোনও রাষ্ট্রপ্রধানকে সম্ভবত পড়তে হয়নি। এমনকি হোটেল থেকে বেরোতে পারেননি প্রধান উপদেষ্টা। এমনটাই খবর। সব মিলিয়ে, সরকারের কারি কারি টাকা খরচ ছাড়া আর কিছুই হয়নি বলে মত আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের। শুধুমাত্র করা হয়েছে, জাতীয় নির্বাচন ইস্যুতে একটি বৈঠক। যে বৈঠক দেশের মাটিতেও করা যেত বলে বলছেন অনেকে। তবে কোনও গোপনে প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস তারেক রহমানের সঙ্গে সমঝোতা করতে গিয়েছিলেন। যেটা এখন অনেক বক্তব্য থেকেই স্পষ্ট হচ্ছে। এখন দেখার, সরকারি টাকায় এইভাবে বিদেশ সফর বাংলাদেশের জনগণ কিভাবে দেখে বা প্রতিক্রিয়া দেয়!












Discussion about this post