শেখ হাসিনার জমানা শেষ করে এখন ড: মোহাম্মদ ইউনূসের জমানা চলছে। কিন্তু তার আমলে বাংলাদেশের মানুষ কতটা ভালো রয়েছেন, সেটা নিয়ে বিস্তর প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। আদৌ কি সোনার বাংলাদেশ রয়েছে? এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কি হবে? কোথায় গিয়ে থামবে?
২০২৪ এর ৫ ই আগস্ট, শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটেছে। তারপর কেটে গিয়েছে আট মাস। এই আট মাসে বাংলাদেশ আরও অবনতির দিকে গিয়েছে। কী রকম? চলুন বোঝার চেষ্টা করি।
বাংলাদেশে অর্থনৈতিক পরিকাঠামো ভেঙে পড়েছে। বেড়েছে বেকারত্ব। মূল্য বৃদ্ধি হচ্ছে। এদিকে বৈদেশিক মুদ্রা আসা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। অন্যদিকে, সাধারণ মানুষের শান্তি বিঘ্নিত হচ্ছে। সংখ্যালঘুরা নিরাপদে নেই। তাদের উপর হয়ে চলা অত্যাচার বেড়েছে। জঙ্গি সংগঠনগুলি মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। যেগুলি শেখ হাসিনার আমলে নিষিদ্ধ ছিল। কাজেই অরাজক পরিস্থিতিতে রয়েছে বাংলাদেশ। পুলিশ প্রশাসনকে সেভাবে কাজে লাগাতে পারছেন না মহম্মদ ইউনূস।
বাকি রইল দেশের সেনাবাহিনী। যদিও তার প্রধান দায়িত্বে রয়েছে। কিন্তু সেনাবাহিনী দেশের অন্দরের সংকট মোকাবিলার জন্য নয়। তারা বৈদেশিক আক্রমণ কিংবা অন্য দেশের সঙ্গে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে তারা মোতায়েন থাকে। কাজেই এক্ষেত্রে সেনাবাহিনীর উপর দোষারোপ বা দায় চাপিয়ে লাভ নেই। দেশের বিশৃংখল পরিস্থিতির জন্য দায় নিতে হবে দেশের এই মুহূর্তে প্রধানকে। অর্থাৎ দেশের তদারকি সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ ইউনূসকে। তবে ওয়াকিবহাল মহল বলছে, দেশের পরিস্থিতি আয়ত্তে আসতে পারে। যদি স্থায়ী সরকার গঠিত হয়। তারজন্য নির্বাচন প্রয়োজন। কিন্তু নির্বাচন নিয়ে গড়িমসি চলছে। যদিও রাজনৈতিক দলগুলি চাপ সৃষ্টি করছে। চাপে পড়ে নির্বাচনের সম্ভাব্য দুটি সময় দিয়েছেন ইউনূস। তবে নির্বাচন এখন বিশবাও জলে।
তবে দিনে দিনে নতুন রাজনৈতিক দলের উত্থান, কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে তাদের মদত যোগাচ্ছে ইউনুসই। এমনকি তাদের প্রতিনিয়ত হুমকি, হুশিয়ারি। দিশেহারা করে তুলছে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষকে। এই সমস্ত কিছুর সংকট মোকাবিলা করতে গেলে, তদারকি সরকারের প্রধান উপদেষ্টাকে শক্ত হাতে লাগাম টানতে হবে। এখন দেখার, তার শুভবুদ্ধির উদয় কবে হয়।
Discussion about this post