আবারও শিরোনামে রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্ধিকুল্লা চৌধুরী। বেশ কয়েকমাস ধরেই সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী আর মন্তেসর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি আহমেদ শেখের সংঘাত চূড়ান্ত পর্যায়ে। তার মধ্যেই পূর্ব বর্ধমান মন্তেশ্বর পঞ্চায়েত সমিতির খাদ্য কর্মাধ্যক্ষ লালনকে বর্ধমান হাসপাতালে দেখতে গিয়ে জেলা সভাপতি ও পুলিশকে নিশানা করেন সিদ্ধিকুল্লা।
ক্ষোভ উগরে ফের একবার শিরোনামে রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্ধিকুল্লা চৌধুরী। জানা যাচ্ছে পূর্ব বর্ধমান মন্তেশ্বর পঞ্চায়েত সমিতির খাদ্য কর্মাধ্যক্ষ লালনকে বর্ধমান হাসপাতালে দেখতে গিয়েছিলেন সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। দলের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি, তৃণমূলের জেলা সভাপতি ও পুলিশ এর বিরুদ্ধে মন্তব্য করে এক বিতর্কের পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছেন। পাশাপাশি এও জানা গিয়েছে লালন শেখকে বাড়িতেও দেখতে গিয়েছিলেন সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। তার অভিযোগ পাড়ার ছেলেরাই লালনকে মারধর করেছে। এবং মারধর করার পর একটি টোটোতে করে নিয়ে যাচ্ছিল এরপর পুলিশ লালনকে উদ্ধার করে মন্তেসর এর হাসপাতালে নিয়ে যায় এবং সেখান থেকে হাল ছেড়ে দেওয়ায় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় লালনকে।
সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীকে এও বলতে শোনা গিয়েছে দলের আস্করাতেই লালনকে মারধর করা হয়েছ। লালন মারধর করার কারণ জিজ্ঞাসা করাতে সেই প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে যায় মারধর কারীরা।লালন শেখ শুরু থেকে তৃণমূলে আছে এবং এখনো পর্যন্ত তৃণমূল এর হয়েই কাজ করছেন বলেও জানান সিদ্দিকূল্লা চৌধূরী।
পাশাপাশি আরও বলতে শোনা গিয়েছে যারা দলবদল করেছে বার বার এই কাজ তাদেরই । জানা যাচ্ছে বেশ কয়েকমাস ধরেই রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী আর মন্তেসর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি আহমেদ শেখের সাথে চূড়ান্ত পর্যায় সংঘাত চলছে।
পাশাপাশি তিনি এই বিষয় জানিয়েছে যে, সমস্ত ঘটনা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে গেছে ,উনি সব জানেন, সেই বিষয় তিনি ঠিক কি বলেছেন জানবো …
দিনের পর দিন পূর্ব বর্ধমানের এই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব উত্তেজনার সৃষ্টি করছে মন্তেসর বিধানসভা এলাকায়। সামনেই বিধান সভার ভোট তারই মধ্যে ,গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে দফায় দফায় তৈরি হচ্ছে অশান্তি ,বেশ কিছুদিন আগেই আক্রান্ত হয় লালন শেখ মন্তেসর পঞ্চায়েত এলালাকার কর্মাধ্যক্ষ।সবকিছুর জন্য আহমেদ শেখকে দায়ী করা হচ্ছে ।দলের বর্বরতার জন্যই এই পরিস্থিতি বলেই মন্তব্য করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী।












Discussion about this post