গ্রুপ সি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জামিন পেলেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সোমবার সুপ্রিম কোর্ট পার্থ চট্টোপাধ্যাযের জামিন মঞ্জুর করল। সিবিআই মামলায় জামিন পেলেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। এদিকে শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত ইডির মামলাতে আগেই জামিন পেয়েছিলেন তিনি। তবে শুধুমাত্র পার্থ চট্টোপাধ্যায় নয়, জামিন মিলেছে আরো দুজনের। উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য তথা এসএসসির প্রাক্তন চেয়ারম্যান সুবিরেশ ভট্টাচার্য এবং এসএসসি-র প্রাক্তন উপদেষ্টা শান্তিপ্রসাদ সিনহা। তবে জামিন পেলেও এখনই জেল মুক্তি হচ্ছে না পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের।এখনও রয়েছে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি মামলা। তাই এই মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এখনো সুপ্রিম কোর্টে গ্রুপ সি মামলায় জামিন পেলেও পার্থ চট্টোপাধ্যাযের জেলমুক্তি হবে না বলেই মনে করছেন আইনজীবী মহল। যদিও আইনজীবী মহলের একাংশের মতে সুপ্রিম কোর্টের জামিন পাওয়ায় এবার নিম্ন আদালতের মামলায় তার জামিন পাবার বিষয়টি আরো জোড়ালো হলো। এদিকে বিষয়টি সামনে আসতেই নানা রকম প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, এটা একটা প্রসেস। অভিযুক্তরা জেলে থাকাকালীন যদি মামলার নিষ্পত্তি না হয়, তবে সুপ্রিম কোর্ট থেকে তারা বেল পায়। মামলার সাজা ৬ বছর। পিএমেলে বলা হয়েছে তার সমস্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হবে। তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ থাকবে। ঠিক কি বলেছেন তিনি শুনুন
প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের বাইশে জুলাই পার্থ চট্টোপাধ্যায় কে গ্রেপ্তার করে ইডি। পরে সিবিআর হাতেও গ্রেফতার হন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। প্রথমবার গ্রেফতারির আগে তার বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের ফ্ল্যাট থেকে মোট প্রায় ৫০ কোটি টাকা নগদও উদ্ধার হয়। যদিও পার্থ চট্টোপাধ্যায় বারবার দাবি করেছেন, এই টাকা তার নয় ৷ কিন্তু একাধিক নথিপত্রে এই বিপুল পরিমাণ টাকার সঙ্গে পার্থর যোগসাজশ পাওয়া যায় বলে তদন্তকারী সংস্থার দাবি করে। কিভাবে টাকা তার কাছে আসত সেটাও জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা ৷ চাকরি পাওয়ার জন্য কারা কীভাবে টাকা দিতেন এবং সেই টাকা কার কার হাত ঘুরে প্রভাবশালীদের কাছে যেত, সেগুলি উঠে এসেছে তদন্তে। আবে এই মুহূর্তে জামিন পেলেও এখনই জেল মুক্তি হচ্ছে না পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের। কারণ এখনও তার বিরুদ্ধে সমস্ত মামলার নিষ্পত্তি হয়নি।












Discussion about this post