টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শুরুতেই বড় ধাক্কা। এ বছর রোহিত শর্মার নেতৃত্বাধীন ভারত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে। হরমনপ্রীতদের থেকেও এমনই প্রত্যাশা ।কিন্তু শুরুটা একেবারেই ভালো হলো না ভারতের পক্ষে। হার দিয়ে অভিযান শুরু করল ভারত। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে খারাপ ফিল্ডিং যেমন একটা কারণ তেমনি ব্যাটিং ডোবালো শট ER ক্ষেত্রে। বিশাল টার্গেট তাড়া করতে নেমে খেই হারালো ভারত। মাত্র ১০২রানে শেষ হলো ভারতের ইনিংস। টসে জিতে ব্যাটিং এ সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন নিউজিল্যান্ডের ক্যাপ্টেন সফি ডিভাইন। প্রথমে মনে হয়েছিল ভুল সিদ্ধান্ত ।পরের দিকে স্পিনাররা বেশি সুবিধা পাবেন এমনটা ধরে নেওয়া হয়েছিল ।তবে ফ্লাড লাইটে পেসাররা দ্বিতীয় ইনিংসে বেশি সুবিধা পেয়েছে। ভারতীয় পেসাররা নতুন বলে তেমনভাবে সুইং করাতে পারেনি। তুলনামূলকভাবে সেকেন্ড ইনিংসে বেশি সুইং হয়েছে ।প্রথমের ব্যাট করে ভারতকে ১৬১ রানের বিশাল টার্গেট দেয় নিউজিল্যান্ড। এর বড় কৃতিত্ব প্রাপ্য ক্যাপ্টেন সোফি ডিভাইসের অনবদ্য হাফ সেঞ্চুরির ইনিংস খেলেন। ভারতীয় বোলারদের মধ্যে কিছুটা ভরসা দেন প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে নামা স্পিনার আশা শোভানা। রেনুকা নেন ২ উইকেট। বোর্ডে বড় রানের টার্গেট, শুরু থেকেই শট সিলেকশনের সমস্যা দেখা দিয়েছিল ভারতের টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানদের । সুইং সামলাতেও সমস্যা হয়েছে। আস্কিং রেটও বাড়তে থাকে। বড় শট খেলার দিকে বাড়তি জোর দিতে গিয়ে কোন নির্ভরযোগ্য জুটি গড়ে তুলতে তে পারেনি ভারত ।এর মধ্যে শুরুতে ক্যাপ্টেন হরমনপ্রীতের উইকেটে চাপ বাড়ায়। আম্পায়ারস কলের ফাঁদে হরমন ।লেগ বিফোর হয়েছিলেন, রিভিউতে বল ট্রেকিংয়ে দেখা যায়, বল লেগস্ট্যাম্প ছুঁয়ে যেতে পারত। মাত্র ৭০ রানের মধ্যে স্পেশালিস্ট ব্যাটসম্যানরা আউট হওয়ায় ২০ওভার অবধি টিকে থাকা কঠিন ছিল ভারতের জন্য ।১৯ ওভারে ১০২ রানে অলআউট হলো ভারত। সর্বাধিক ১৫ রান ক্যাপ্টেন হরমনপ্রীতের।
বৃহস্পতিবার ধর্মশালায় অনুষ্ঠিত হয় পাঞ্জাব কিংস বনাম দিল্লি ক্যাপিটালস এর ম্যাচ। কিন্তু হামলার আশঙ্কায় ম্যাচ শেষ করা সম্ভব হয়নি। প্রথম...
Read more












Discussion about this post