এইবার বিস্ফোরক দিলীপ ঘোষ। তৃণমূল কংগ্রেস বাংলাদেশীদের নিয়ে এসে থাকার ব্যবস্থা করে দিচ্ছে। এর আগেও একাধিক জায়গায় একাধিক মাদ্রাসার শিক্ষকরা যারা আল কায়দার সঙ্গে যুক্ত ছিল, তারা ধরা পড়ে গিয়েছিল। আর এখানে এসেই তারা মাদ্রাসায় আশ্রয় খোঁজে। সেখানে থেকে তারা শিক্ষক হয়ে ওঠে। সেই পরিচয়েই থাকতে শুরু করে তারা। আবার ইমামও হয়ে যায়। রাজ্যের শাসকদল তাদের ইমাম ভাতাও দেয়। তারা এই রাজ্যে থেকে ইমাম ভাতা, বিধবা ভাতা থেকে শুরু করে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, সমস্ত সুযোগ সুবিধাই পাচ্ছে। তারা আবার OBC সার্টিফিকেটও পেয়ে যাচ্ছে বলে খবর। এরাই ভোটে জেতাচ্ছে। এভাবেই রাজ্যের শাসকদলকে তোপ থাকেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। এই বিষয়ে ঠিক আরও কি বলেছেন শুনুন
জানা যাচ্ছে, কোচবিহারে গ্রেফতার হয়েছেন অনুপ্রবেশকারী সেলিম আনসারী। তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে কোচবিহারে। তিনি একটি মুর্শিদাবাদের বেলডাঙ্গার মসজিদে ইমামি করতেন। বেশ কয়েক বছর ধরে স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করতেন। জানা গিয়েছে, মায়ের সঙ্গে থাকতেন এই সেলিম। ঘর ভাড়া করে বেলডাঙ্গাতে আস্তানা গেরেছিল তারা। যদিও তাদের বাড়ি বিহারে বলে দাবি করা হয়েছে। এমনকি তারা অন্যের নামে ইমাম ভাতা তোলেন বলে অভিযোগ। ইমাম ভাতার জন্য আবেদনের সময় নথিপত্র না থাকায় স্থানীয় এক ব্যক্তির নামে আবেদন করেন। এবং যা ভাতা ঢোকে সেই ভাতা মাসের শেষে ভাগও করে নেন ধৃত সেলিম। এই নিয়ে দিলীপ ঘোষ কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বিস্ফোরক মন্তব্য করে বসেন। কার্যত এই সমস্ত ঘটনার জন্য তৃণমূলকেই দায়ী করেন তিনি। আর ঠিক বলেছেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ, অর্থাৎ এই বিষয়ে সরাসরি তিনি রাজ্যের শাসকদল দায়ী করলেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, ভারত পাকিস্তানের সংঘর্ষ হলে এরাই পাকিস্তানের হয়ে তারা স্লোগান তোলে। দিলীপ ঘোষের এই বিস্ফোরক মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যের শাসকদলের তরফে কি প্রতিক্রিয়া আসে,সেটাই এখন দেখার।












Discussion about this post