ভাবতেই যেন গা শিউরে উঠছে, জীবন্ত মানুষের শরীরে অসংখ্য সুচ বা সিরিঞ্জ। কালিয়াচকের সুলতানগঞ্জের মধ্যপাড়া এলাকার বাসিন্দা মুখ ও বধির যুবক হায়দার আলি শরীরে অসংখ্য সুচ। মানব শরীরে এই সুচ কান্ড নিয়ে রীতিমতো আতঙ্কিত পাড়া-প্রতিবেশীরা। কালা জাদু বলে কিছু হয় না, বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বিজ্ঞান মঞ্চ।
মালদার কালিয়াচকের সুলতানগঞ্জের মধ্যপাড়া এলাকার বাসিন্দা মুখ ও বধির যুবক হায়দার আলির গোটা শরীরের মধ্যে কিলবিল করছে সুচ। কালিয়াচক থানার সুলতানগঞ্জ মধ্যপাড়া এলাকায় মাসির বাড়িতেই থাকেন প্রতিবন্ধী মুখবধূর যুবক হায়দার আলি, তার স্ত্রীর নাম নাসিমা খাতুন। ছয় বছর আগে তাদের বিয়ে হয়, কিন্তু বিয়ের দুবছরের মধ্যেই তাদের পরপর দুই সদ্যোজাত সন্তান জন্মের সময় মারা যায়। হায়দারের মা সামেনা বিবি, দীর্ঘদিন আগেই দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। গত দেড় বছর আগে হায়দার যখন শরীরের যন্ত্রণায় ছটফট করছিল। তখন ওকে আমরা মালদা মেডিকেল কলেজের চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়। এক্সরে ছবি তুলেই যেন সকলের চক্ষুচরক গাছ হয়ে যায়। হায়দারের হাতে, পেটে, পিঠে কিলবিল করছে সুচ। এই সুচগুলো কোথা থেকে এলো সেটাই জানার চেষ্টা করছে পরিবার।












Discussion about this post