এখনও ভারতের আশ্রয় রয়েছেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এবার আওয়ামী লীগের আরও বড় কোনও নেতা ভারতে লুকিয়ে থাকার কথা সন্দেহ প্রকাশ করল বাংলাদেশ। এরই মধ্যে বাংলাদেশের ঘোষণা করা হয়েছে নির্বাচন। আর সেই নির্বাচনে যাতে কোনওভাবেই আওয়ামী লীগ ঢুকতে না পারে, তারই করা বার্তা দিতে শুরু করেছে বাংলাদেশ। হাসিনাতে মাথা ব্যাথা। এবার বাংলাদেশের প্রশ্ন ভারতকে। যদিও করা জবাব দিল ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয় শঙ্কর।
এবার পাল্টা ভারতের তরফে দাবি করা হয়, আওয়ামী লীগের কোন বাংলাদেশ বিরোধী কাজ ভারত সমর্থন করে না। যদিও অনেকে বলছেন, ঘুরিয়ে কথা বললেও ভারতের বিদেশ মন্ত্রক স্বীকার করেনি, আওয়ামী লীগ নেতাদের ভারত আশ্রয় দেয়নি। বাংলাদেশের সুস্থ এবং অবাধ নির্বাচন হোক, দাবি ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের। আওয়ামী লীগকে বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে সম্পূর্ণ বাদ দিয়ে একপেশে নির্বাচন আয়োজন করতে চাইছে মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। আর সেটা ভারত সমর্থন করে না।
সম্প্রতি বাংলাদেশের তরফে প্রেস বিবৃতি জারি করে দাবি করা হয়েছে, ভারতের রাজধানী দিল্লি এবং কলকাতার বাংলাদেশ বিরোধী কার্যকলাপ চালাচ্ছে আওয়ামী লীগ।
আসলে গত ৮ই অগাষ্ট একটি খবর সামনে এসেছিল।
কলকাতায় নাকি আওয়ামী লীগ দলীয় কার্যালয় খুলেছে। যে খবরের চাঞ্চল্য তৈরি করেছিল বাংলাদেশ জুড়ে। কলকাতার ব্যস্ততম একটি ভবনে আওয়ামী লীগের অফিস হওয়াতে সেখান থেকেই তারা নাকি কাজ করেছেন। তথ্য উঠে আসছিল, যেখান থেকে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম পরিচালনার কথা বলা হচ্ছে, সেখানে আওয়ামী লীগের কোনও ব্যানার ও বঙ্গবন্ধুর ছবি বা শেখ হাসিনার ছবি কোন কিছুই নেই বলে জানা যাচ্ছে । তারা নাকি কাউকে বুঝতেই চান না, যে এটা আওয়ামী লীগের অফিস। অর্থাৎ তারা গোপনে কাজ করতে চাইছে। এমনই দাবি করা হয়েছিল গণমাধ্যমে। কিন্তু প্রশ্ন, আদৌ কি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিশ্চিতভাবে কোনও তথ্য প্রমাণ দিতে পেরেছে ভারত সরকারকে?
যদিও কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ভারত জানিয়েছে, শেখ হাসিনার দলের কোনও কর্মকাণ্ড এই দেশের কোনও শহরে চলছে কিনা, কিংবা বাংলাদেশ বিরোধী কর্মকাণ্ড চলছে কিনা, এই বিষয়ে তারা অবগত নয়। বুধবার ভারতের বিদেশ মঞ্চকে তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ভারতের আওয়ামীলীগ সদস্যদের দ্বারা বাংলাদেশ বিরোধী কোনও কার্যকলাপ বা ভারতীয় আইনের পরিপন্থী কোনও কর্মকাণ্ড সম্পর্কে ভারত সরকার অবগত নয়। ভারতের ভূখণ্ডকে ব্যবহার করে অন্য দেশের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য ভারত অনুমতি দেয় না। তাই বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী কালীন সরকারের প্রেস বিবৃতি ভুল।











Discussion about this post