পঞ্চায়েতের বিভিন্ন দপ্তরের উন্নয়নমূলক কাজের জন্য পঞ্চায়েতে মিটিংই মহিলা প্রধানের উপর হামলা দুই সদস্যের। প্রধানের দপ্তরে দরকারী নথি ছিড়ে চেয়ার টেবিল পাখা ভাঙচুর। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন পঞ্চায়েত প্রধানসহ বাকি সদস্যরা।
সন্দেশখালি এক নম্বর ব্লকের সেহারা রাধানগর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান দিপালী দাস পঞ্চায়েত অঞ্চলের উন্নয়নমূলক কাজের জন্য মিটিং এর ব্যবস্থা করা হয়েছিল প্রধানের ঘরেই। মিটিং চলাকালীন হঠাৎই পঞ্চায়েতের দুই সদস্য সাজিদুল ইসলাম গাজী ও গফফার সর্দার তারা প্রধানের একাধিক দুর্নীতির কথা সামনে এনে মিটিং ভুণ্ডল করতে চায়। তারই প্রতিবাদ করতেই প্রধানের উপর হামলা চালায় দুই সদস্য। মারধোর করে জামাকাপড় ছেড়ে দেওয়া হয় সহ প্রয়োজনীয় নথি ছিড়ে দপ্তরের চেয়ার টেবিল পাখা ভাঙচুর করে। এই ঘটনার পর নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন পঞ্চায়েত প্রধান সহ অন্যান্য সদস্যরা। তাদের দাবী অবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতার করা হোক দুই সদস্য সাজিদুল ইসলাম গাজী ও গফফার সর্দারকে। সেহারা রাধানগর এলাকায় ন্যাজাট থানার আউট পোস্টে পঞ্চায়েতের দুই সদস্যর বিরুদ্ধে অভিযোগ জানায় পঞ্চায়েত প্রধান দিপালী দাস। সেই অভিযোগ পাওয়ার পরেও পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। প্রধান সহ অন্যান্য সদস্যদের দাবী সন্দেশখালীর বিধায়ক সুকুমার মাহাতোর অনুগামী বলে পরিচিত অভিযুক্তরা। এরপর গ্রামবাসীরা একত্রিত হয়ে পঞ্চায়েত অফিসের সামনে দোষীদের গ্রেফতার ও বিধায়ক সুকুমার মাহাতোর শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে।
গ্রামবাসীদের দাবী সুকুমার মাহাতো দলের বিধায়ক হয়ে দলেরই মহিলা প্রধানের উপরে হামলা চালিয়েছে যা একেবারেই নিন্দনীয়। একজন পঞ্চায়েত মহিলা প্রধানের যেভাবে গায়ে হাত দিয়ে শ্রীলতাহানি করা হলো তাতে আতঙ্কে রয়েছে গোটা গ্রাম। অবিলম্বে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন গ্রামবাসীরা।
সেহারা রাধানগর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান দিপালী দাস বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎ বিধায়ক সুকুমার মাহাতোর নেতৃত্বে এভাবেই হেনস্থা করা হচ্ছে তাকে। প্রধানের আরো অভিযোগ বিধায়ক সুকুমার মাহাতো বারংবার দিপালীকে নিজের দলে আসতে বলছেন।
নিজেদের অস্তিত্ব সংকটে ভুগছেন তৃণমূল নেতৃত্ব, সেকারনেই এভাবে প্রকাশ্যে আসছে অন্তর কলহ মত বিজেপি নেতৃত্বর।
তাহলে কি বসিরহাট, সন্দেশখালিতে তৃণমূলের আলাদা কোন দল রয়েছে এটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন?
Discussion about this post