বেলঘরিয়া থানার অন্তর্গত রাজীবনগর এলাকা থেকে উদ্ধার রক্তাক্ত তৃণমূল নেতা এনায়েতুল্লাহ ওরফে রোহনের মৃতদেহ। দলীয় কার্যালয়ের সামনে তৃণমূল কর্মীকে গুলি করে খুনের অভিযোগ দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাস্থলে ডিসি সাউথ সহ বেলঘরিয়া থানার পুলিশ।
সকালে কামারহাটি পৌরসভার ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল কার্যালয়ের সামনে রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় এক যুবককে পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। সামনে যেতেই দেখা যায় রক্তাক্ত যুবক স্থানীয় তৃণমূল কর্মী রেহান। সাথে সাথেই খবর দেওয়া হয় বেলঘরিয়া থানায়। পুলিশ ও স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় যুবককে উদ্ধার করে সাগরদত্ত মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানেই চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করে। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌছায় এসিপি তনয় ঘোষ, ডিসি সাউথ অনুপম সিং সহ বিশাল পুলিশ বাহিনী। রোহণ এলাকায় শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের সক্রিয় সদস্য ছিল এবং তার সাথে ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন জায়গায় প্রোমোটারী করতো বলে পুলিশ জানতে পেরেছে। তবে মদের আসরে রোহণের সঙ্গে আর কারা ছিল সেটা খোঁজ করছে পুলিশ। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এলাকায় উত্তেজনা থাকায় পুলিশ পিকেটিং করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে খবর প্রোমোটারী ও জমির দালালী সংক্রান্ত কোনো বিষয়ে ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে নিজেদের মধ্যে মত বিরোধের জেরেই এই খুন বলে ধারণা।
ডিসি সাউথ অনুপম সিং জানালেন, মৃতদেহ উদ্ধার করে পাঠানো হয়েছে ময়না তদন্তে। মৃতদেহের পাশেই পড়েছিল মদের বোতল, প্রোমোটারী ও জমির দালালী সংক্রান্ত বিষয়টিও ক্ষতিয়ে দেখছে পুলিশ। তদন্ত প্রক্রিয়া যতো এগোবে ততই সঠিক তথ্য সামনে আসবে।
বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে খুন হয়ে যেতে হয় ওসমান হাদিকে। তিনি ঢাকা ৮ আসনের প্রার্থী ছিলেন হত্যাকাণ্ডে তেতে...
Read more












Discussion about this post