বিজেপি করার অপরাধে বাংলার আবাস যোজনার প্রথম কিস্তির টাকা পাওয়ার পড়েও অ্যাকাউন্ট হোল্ড। অ্যাকাউন্ট হোল্ড হয়ে যায়, সেই টাকার মধ্যে ৩৫ হাজার টাকা অ্যাকাউন্ট থেকে ফেরৎও চলে যায়। ইট বালি সিমেন্টও কেনার পরেও সেগুলো ফেরত এর উদ্যোগ।
দক্ষিণ ২৪ পরগনার মথুরাপুর দু নম্বর ব্লকের নগেন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের পূর্ব শ্রীধরপুর গ্রামের বাসিন্দা দিনমজুর অলোক হালদার। অলোক হালদারের অভিযোগ বিজেপি করার অপরাধে তার নামে পাস হওয়া বাংলার আবাস যোজনার অ্যাকাউন্ট হোল্ড হয়ে যায়। পাশাপাশি পলাশ হালদার নামে বরাদ্দ হয় বাংলার আবাস যোজনার প্রথম কিস্তির টাকা তার অ্যাকাউন্ট ঢোকে। তারপর হঠাৎ সেই অ্যাকাউন্ট হোল্ড হয়ে যায়, সেই টাকার মধ্যে ৩৫ হাজার টাকা ফেরৎও চলে যায়। ইতিমধ্যে আবাস যোজনার প্রাপ্য টাকা দিয়ে ইট বালি সিমেন্টও কেনা হয়েছে। ফলে বর্তমানে তার অ্যাকাউন্টে কোন টাকা না থাকায় মহা সমস্যায় পড়েছে অলোক হালদার।
অলোক হালদারের অভিযোগ প্রশাসন ইন্সপেকশনের পরে অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকানোর পর কেন আটকে দিলেন আবাস যোজনার ঘর। ইন্সপেকশনের পরেই জানিয়ে দিলে এতো ক্ষতি স্বীকার হতে হতো না।
বিজেপি নেতা দিপু বরের অভিযোগ, দেখে দেখে বিজেপির সমর্থকদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগগুলো করা হয়েছে। কোন তথ্য প্রমাণ না দেখে, শুধুমাত্র শাসক দলের কথায় হোল্ড করে বৈমাত্র সুলভ আচরণ করছেন প্রশাসন ।
যদিও বিজেপির অভিযোগ অস্বীকার করে শাসক দলের জেলা পরিষদের সদস্য উদয় হালদার বলেন সমস্ত প্রক্রিয়া হয়েছে সরকারী নিয়ম মেনেই। এখানে কোন দলের খোন ভুমিকেই নেই।
মথুরাপুর 2 নম্বর ব্লকের বিডিও নাজির হোসেন জানালেন, গ্রাম সভার মিটিং করেই উপভুক্তাদের তালিকা ঠিক হয়েছে, এখানে বৈমাত্রিয় শুলভ আচরণের অভিযোগ ভিত্তিহীন।
সুপ্রিমকোর্টের রায়ে চাকরি বাতিল ২৬০০০ শিক্ষকের। এই রায়ে সবচেয়ে বড় ধাক্কা এলো যারা চাকরি করছিলেন তাদের মধ্যে যোগ্য শিক্ষকদের। কিন্তু...
Read more
Discussion about this post