সুপ্রিম কোর্টের রায়ে চাকরি হারালেন দিনমজুর বাবার মেধাবী ছেলে পাথর প্রতিমা ব্লকের লক্ষ্মীপুর মিলন বিদ্যামন্দিরের গণিতের শিক্ষক শ্রীকৃষ্ণ দাস। শিক্ষকতার চাকরি বাতিল হওয়ায় চরম হতাশায় চাকরি হারা শ্রীকৃষ্ণ দাস সহ পুরো দাস পরিবার।
দিনমজুর বাবার মেধাবী ছেলে শ্রীকৃষ্ণ দাস, ছোটবেলা থেকেই মেধাবী হওয়ায় তার পড়াশোনার ভার মাথায় তুলে নেয় তার পরিযায়ী শ্রমিক দাদা। নিজের যোগ্যতায় ২০১৯ সালে তিনি শিক্ষকের চাকরি পায় শ্রীকৃষ্ণ। দরিদ্র পরিবারের মুখে হাসি ফোঠে ছেলে শিক্ষকতার চাকরি পাওয়ায়। ২০১৬ সালের এসএসসি-র শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে যে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল, সেই মামলার শুনানির শেষে ২০১৬ সালের এসএসসিতে নিয়োগের পুরো প্যানেল বাতিল করল সুপ্রিম কোর্ট। ফলে চাকরি হারা হলেন ২৫,৭৫৩ জন শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মী। সেই বাতিলের খাতায় পাথর প্রতিমা ব্লকের লক্ষ্মীপুর মিলন বিদ্যামন্দিরের গণিতের শিক্ষক শ্রীকৃষ্ণ দাস। বাড়িতে অসুস্থ মা-বাবা, কিডনির সমস্যায় জর্জরিত স্ত্রী ছোটছোট ছেলে মেয়ে দাদা দাদার পরিবার। পরিবারের কথায় প্রচন্ড মেধাবী ছিলেন এই শ্রীকৃষ্ণ দাস। শিক্ষকতার চাকরি বাতিল হওয়ায় চরম হতাশায় চাকরি হারা শ্রীকৃষ্ণ দাস সহ পুরো দাস পরিবার।
শিক্ষকের স্ত্রীর বক্তব্য, বছরখানেক আগে হাইকোর্টের রায়ে প্রথমে চাকরি চলে যায় শিক্ষকের। পরবর্তীকালে যোগ্য অযোগ্যের প্রশ্ন ওঠে, অযোগ্যদের লিস্টে নাম ছিল না শ্রীকৃষ্ণের। তখন থেকেই পরিবার ভেবেছিল তার স্বামীর চাকরি কোন দিনই যাবে না। কিন্তু হঠাৎ করে ২০১৬ সালের পুরো প্যানেলটা বাতিল হওয়ায় চাকরি স্বামীর, অযোগ্যদের জন্য যোগ্যর ও চাকরি গেল, তার পরিবার এখন রাস্তায় দাঁড়াবে।
Discussion about this post