রবিবার ঢাকা সেনানিবাসের আর্মি মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে মুক্তিযোদ্ধা সেনা সদস্যদের সংবর্ধনা এবং সেনাবাহিনীর শান্তিকালীন পদক অনুষ্ঠান ছিল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান। এই অনুষ্ঠান থেকে বক্তৃতা রাখার সময় সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, দেশের ক্রান্তিকালে সেনাবাহিনী পাশে দাঁড়িয়েছে। সবাই মিলে কাজ করলে দেশের এই ক্রান্তিলগ্ন থেকে বের হওয়া যাবে। এ সময় ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরে শান্তিকালীন সময়ে বিভিন্ন বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ২৮ জন সেনাসদস্যকে পদক পরিয়ে দেন সেনাপ্রধান। যার মধ্যে পাঁচজন সেনাবাহিনী পদক, পাঁচজন অসামান্য সেবা পদক ও ১৮ জন বিশিষ্ট সেবা পদক প্রাপ্ত হোন। এছাড়া খেতাবপ্রাপ্ত ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সেনা সদস্য এবং তাদের নিকটাত্মীয়দের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় ও শুভেচ্ছা উপহার দেন ওয়াকার-উজ-জামান। মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানের কথা স্মরণ করে সেনাপ্রধান বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের জন্যই আজকের এ অবস্থান। দেশের শান্তি রক্ষায় দিনরাত আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে সেনাবাহিনী কাজ করে যাচ্ছে। অর্থাৎ সেনাপ্রধানের মতে আগামী দিনে বাংলাদেশে আরো খারাপ পরিস্থিতি আসতে চলেছে, এবং সেই পরিস্থিতি সকলকে মিলেই মোকাবেলা করতে হবে। যদিও এরপরই মঙ্গলবার তিনি হুঙ্কার দিয়ে বলেছিলেন, ‘যেকোনো ধরনের চ্যালেঞ্জ নিতে সবসময় প্রস্তুত। নবীন সেনা কর্মকর্তাদের সামরিক চেতনাবোধের প্রতি দায়বদ্ধতা রাখতে হবে। বলা বাহুল্য, চট্টগ্রামের মাটিতে দাঁড়িয়েই নাম না করেই যুদ্ধের কথা বললেন ইউনূসের সেনাবাহিনীর প্রধান। গত ৫ অগস্ট বাংলাদেশে পতন হয়েছে হাসিনা সরকার। এরপরেই দায়িত্ব নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করে ইউনূস। এরপর থেকেই বিপন্ন অবস্থা ওপার বাংলার। লাগাতার সেখানে চলছে হিংসা। জামাত এবং পুলিশ হিন্দু মন্দির ভাঙচুর থেকে শুরু করে সংখ্যালঘুদের ওপর চালাচ্ছে নির্মম অত্যাচার। একথায় বলা যায়, শাসন করার নামে উল্টে বাংলাদেশকে ধ্বংসলীলা পরিণত করছেন মোল্লা ইউনূসের সংগঠন। আর এবার তাঁরই গোষ্ঠীর সেনাপ্রধান যুদ্ধের হুঙ্কার দিলেন। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের হিংসার একের পর এক ঘটনা সামনে আসতে শুরু করেছে। সেই ছবি, সেই ভিডিয়ো দেখে শিউরে উঠছে গোটা দুনিয়া। একের পর এক হিন্দু নির্যাতনের খবর সামনে আসছে। এসবের মধ্যেই পেট্রাপোল সীমান্ত এলাকার ছবিটাও দ্রুত বদলাতে শুরু করেছে। পেট্রাপোল সীমান্তে যাত্রীর সংখ্যা ক্রমশ কমতে শুরু করেছে। টাকা বিনিময় কেন্দ্রের কর্মীরাও কার্যত গালে হাত দিয়ে বসে রয়েছেন। স্থানীয় গাড়ি চালকদেরও অন্যতম ভরসা হল এই বাংলাদেশ থেকে আসা যাত্রীরা। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই সংখ্যা কমছে। কারণ বাংলাদেশ-ভারতের সীমান্তে দাঁড়িয়ে বিশাল সেনাবাহিনী। অকারণে পারমিশন ছাড়া কাঁটাতার পেরাতেই দেবে না কাস্টম অফিসাররা। বাংলাদেশের পরিস্থিতির দিনের পর দিন ভয়ংকর থেকে ভয়ংকরতর হচ্ছে। প্রশ্ন উঠছে, যারা ভারতে আসার চেষ্টা করছে তারা কি সকলেই বাংলাদেশী? এই আবহেই বাংলাদেশের মানুষকে একত্রিত হওয়ার বার্তা দিলেন সেনাপ্রধান।
২০২৪ সালে বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া গণঅভ্যুত্থানের মাস্টারমাইন্ড বলে যাকে গোটা বিশ্বের কাছে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন স্বয়ং প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।...
Read more












Discussion about this post