ফের রাজনীতির ময়দানে শেখ হাসিনা। বাংবাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতি এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করেছেন ছেলে সজীব ওয়াজেদ। যারা অবৈধভাব ক্ষমতা দখল করে সাধারণ মানুষের ওপর অমানবিক নিপীড়ন-নির্যাতন চালাচ্ছে, তাদের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়ার ডাক দিয়েছেন শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তাঁর বিবৃতিতে বলেছেন, ১৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশের শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস। জাতির সঙ্কটময় মুহূর্তে এ বছর দিনটি পালিত হচ্ছে। স্বাধীনতা বিরোধী ও বুদ্ধিজীবী নিধনকারী দোসররা দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে নির্বাচিত আওয়ামি লিগ সরকারকে হঠিয়ে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে সাধারণ মানুষের ওপর অমানবিক নিপীড়ন-নির্যাতন চালাচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে এরা জলাঞ্জলি দিয়েছে। প্রিয় দেশকে জঙ্গিদের উর্বর লীলাভূমিতে পরিণত করেছে। এদের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়ার জন্য মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। ছেলে সজীব ওয়াজেদের এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করা হয়েছে হাসিনার এই বিবৃতি। হাসিনাপুত্র বিবৃতিতে জানান, ‘আজ ১৪ ডিসেম্বর, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। ১৯৭১ সালের এদিনে বর্বর পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসর রাজাকার, আল বদর, আল-শামস বাহিনী বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের নির্মমভাবে হত্যা করে। হানাদার পাকিস্তানি বাহিনী তাদের পরাজয় আসন্ন জেনে বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করার লক্ষ্যে বুদ্ধিজীবী নিধনের এই পরিকল্পনা করে।’ বিশেষ এই দিনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী বাংলাদেশীদের স্মরণ করালেন ইতিহাসের কথা। আমেরিকার নিউ ইয়র্কে আওয়ামি লিগের একটি সমাবেশে ভার্চুয়াল বক্তৃতা করেন হাসিনা। তাতেই ইউনূস সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি। হাসিনার বক্তব্য, “আজ আমার বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ তুলছে। আসল কথা হল, সমন্বয়কারী ছাত্রদের সঙ্গে মিলে, পরিকল্পিত ভাবে মহম্মদ ইউনূস গণহত্যায় লিপ্ত হয়েছেন। ওঁরাই মূলচক্রী।” এ প্রসঙ্গে দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমানের নামও নেন হাসিনা। তাঁর কথায়, “লন্ডন থেকে তারেক রহমান পর্যন্ত বলেছেন, এভাবে মৃত্যু ঘটে চললে এই সরকার টিকবে না।” অতি সম্প্রতিই গ্রেনেড বিস্ফোরণ মামলায় আদালতে মুক্তি পেয়েছন তারেক। বাংলাদেশের রাজনীতিতে ফের তাঁর প্রত্যাবর্তনের জল্পনা শুরু হয়েছে। সেই আবহেই তারেকের নাম নিলেন হাসিনা। সংরক্ষণবিরোধী আন্দোলন যখন চরমে, সেই সময় ভারতে চলে আসেন হাসিনা। সেই নিয়ে সমর্থকদের হাসিনা বলেন, “নির্বিচারে যখন মানুষজনকে হত্যা করা হচ্ছিল, আমি দেশছাড়ার সিদ্ধান্ত নিই। আমার ক্ষমতায় থাকার দরকার নেই। নিরাপত্তাকর্মীরা যদি গুলি চালাতেন, গণভবনে অনেকে মারা যেতেন। আমি সেটা চাইনি।” হাসিনার দাবি, সশস্ত্র ভিড়কে গণভবনে লেলিয়ে দেওয়া হয়েছিল। বাবা শেখ মুজিবুর রহমানের মতো তাঁকেও হত্যার ছক ছিল। হাসিনার কথায়, “২৫-৩০ মিনিটের মধ্যে বেরিয়ে যাই আমি। নিরাপত্তাকর্মীদের বলেছিলাম, গুলি না চালাতে।”
২০২৪ সালে বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া গণঅভ্যুত্থানের মাস্টারমাইন্ড বলে যাকে গোটা বিশ্বের কাছে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন স্বয়ং প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।...
Read more












Discussion about this post