প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে আইনি লড়াই করতে চান মানবাধিকারকর্মী সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী জেড আই খান পান্না। অন্যদিকে ফৌজদারি আইন বিশেষজ্ঞ সিনিয়র আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী বলেছেন, পেশাগত মর্যাদাকে প্রাধান্য দিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কোনো পদে বা পক্ষে থাকতে চান না তিনি। এদিন জেড আই খান পান্না বলেন, সুযোগ থাকলে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে আইনি লড়াই করতে চাই। গতকাল প্রাক্তন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মেহেদী হাছান চৌধুরীর জামিন স্থগিত করে দেওয়া আদেশের ওপর সাংবাদিক সম্মেলনের সময় এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান। আইনজীবী পান্না বলেন, গণহারে মামলার সংখ্যা অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে তুলনামূলকভাবে বেড়েছে। বিগত ১৬ বছরে যে পরিমাণ মামলা দায়ের হয়েছে, সে হিসাবে বিগত তিন মাসে মামলা বেশি হয়েছে। ট্রাইব্যুনালের মামলাতে লড়বেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে মানবাধিকার সংস্থা আইন ও শালিস কেন্দ্রের চেয়ারপারসন পান্না বলেন, “শুধু ট্রাইব্যুনালে কেন, সব মামলাতেই লড়ব।”এদিন সাংবাদিকদের কাছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সমালোচনা করে এই আইনজীবী বলেন, “ব্যর্থ কি এখন হয়ে যায়নি? আপনি কি মনে করেন মিডিয়ার স্বাধীনতা আছে? গণমাধ্যমের স্বাধীনতা আছে, পূর্ণমাত্রায়? আমি এটা বিশ্বাস করি না।” রাজনৈতিক দলগুলো যে বিভিন্ন সংস্কার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মাধ্যমে চায় না, বিষয়টি প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস অনুধাবন করেছেন বলে মনে করেন আইনজীবী পান্না। প্রসঙ্গত, গত ১৯ নভেম্বর জুলাই-আগস্টের ঘটনায় হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় প্রাক্তন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মেহেদী হাছান চৌধুরীকে ৬ মাসের জামিন দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি একেএম জহিরুল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। গত ২০ সেপ্টেম্বর সীমান্ত পথে পালাতে গিয়ে পুলিশের হাতে আটক হন সাবেক অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো: মেহেদী হাছান চৌধুরী। পরে তাকে জুলাই-আগস্টের হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। তার আগে গত ৮ আগস্ট অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেলের পদ থেকে পদত্যাগ করেন ব্যারিস্টার মো: মেহেদী হাছান।
গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর অন্তবর্তী সরকার ক্ষমতায় আসে। মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে সরকার গঠন হয়।...
Read more












Discussion about this post