সামনেই ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন।পুজো প্রায়দোরগোড়ায়, তারই মধ্যে বিজেপির পক্ষ থেকে চলছে এক নতুন চমকের প্রচেষ্টা।রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন পুজো কমিটিগুলিকে অনুদান দিয়ে আসছেন । এই অনুদান দেওয়ার বিরুদ্ধে ছিলেন বিজেপি।ভোটের আগেই দলের প্রতিচ্ছবি পরিষ্কার করে এবং পুজোর মঞ্চকে হাতিয়ার করে একই পথে প্রভাব বিস্তারের উদ্দেশ্যে এগিয়ে চলেছে বিজেপি এবং তৃণমূল। মমতার চালেই কি তাহলে বঙ্গ বিজেপিরবাজিমাত ভোটে দায়িত্ব দেওয়া হল মহাগুরুমিঠুনকে। কিন্তু এইবারবিজেপির পক্ষ থেকে শোনা গেল এক অন্য সুর, তারাও নাকি এইবারপুজো কমিটি গুলোকেআর্থিকভাবে সাহায্য চলেছেন এবং বিজেপির পক্ষ থেকে এই অনুদান দেওয়ার দায়িত্ব তুলে দেওয়াহয়েছে দলের নেতা তথা অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীকে। দলের সূত্র অনুযায়ী, ২০২১ সালে বিজেপির পক্ষ থেকে বিধানসভা ভোটের আগেও রাজ্যগুলিকে টাকা পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু সেই টাকা পৌঁছানোর আগেই বিপুল অংকের পরিমাণের অর্থ অদৃশ্য হয়ে গেছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। আর সেই টাকা দলের নেতাদেরই পকেটে ঢুকছে । অনেক ক্লাবই ১টাকাও পায়নি বলে অভিযোগ উঠে । পাশাপাশি যে সমস্ত ক্লাবগুলো টাকা পেয়েছিল,পরে গিয়ে সেই ক্লাবগুলির কোন অস্তিত্বই নেই বলে জানা যায়। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বানসাল নির্দেশ দিলেন এবার থেকে জেলার নেতাদের হাতে টাকা দেওয়া হবে না। প্রতিটি পুজো কমিটির প্রতিনিধিদের সরাসরি যোগাযোগ করে এসে সেই অনুদান সংগ্রহ করতে হবে।তাহলে কি এই ভাবেই টাকা-পয়সার নয় ছয়রুখতে চাইছেন চাইছেনকেন্দ্রীয়বিজেপি নেতৃত্ব?
বেশ কিছুদিন আগেই পুজোর অনুদান মামলায় হিসাব-নিকাশের প্রসঙ্গ উঠেছিল আদালত থেকে নির্দেশ থাকার সত্বেও বেশ কিছু ক্লাব পুজোর খরচের হিসেব দেয়নি বলে অভিযোগ ।
সামনেই দুর্গাপুজো তার মধ্যেই সরকারি অনুদান নিয়ে হাইকোর্টের নির্দেশে উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি স্মিতাদাসের ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানিতেকড়াভাষায় আদালত জানিয়েছিলেন যে, সব পুজো কমিটি অনুদানের খরচের হিসেব জমা দেয়নি তাদেরকে আবারো অনুদান দেওয়া হল কেন এবং সে বিষয়ে রাজ্যকে লিখিত বিবৃতি দিতে বলা হয়েছিল। পাশাপাশি আদালত আরো পর্যবেক্ষণ করে যে সমস্ত ক্লাবগুলো বারবার নির্দেশ সত্ত্বেও হিসেব দিচ্ছেনা, তাদের অনুদান বন্ধ করে দেওয়া উচিত। এর পাশাপাশি বিচারপতি সুজয় ঘোষ প্রশ্ন তুলেছিলেন যে সমস্ত ক্লাবগুলি এখনো পর্যন্ত হিসেব দেয়নি তাদের বিরুদ্ধে কি পদক্ষেপ নেওয়াহয়েছে। এবং এই ক্লাবগুলিকে দেওয়া অনুদানের হিসেব না দেওয়ার বিষয়কে মাথায় রেখে বিচারপতি অনুদান বন্ধ করে দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন।
আর এই সব কিছুর মাঝেই বিজেপি ও কি রাজ্য সরকারের পথ অনুসরণ করছে ..জানা যাচ্ছে পুজো কমিটি গুলিকে অর্থ দান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেবিজেপি।
দীর্ঘদিন ধরে রাজ্য সরকার পুজোর অনুদান নিয়ে যে পথে হাটছিলেন ঠিক সেই পথকেই অনুসরণ করতে চলেছে বিজেপি।












Discussion about this post