পুরো নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় একাধিক জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে ইডি। একযোগে ৬ টি জায়গা যেমন, সল্টলেক, নাগেরবাজার সহ দমকল মন্ত্রী সুজিত বসুর সল্টলেকের অফিসেও হানা দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সাথে তল্লাশি চালানো হয় অডিটর সঞ্জয় পোদ্দারের কাঁকুড়গাছির ফ্ল্যাটেও। এর আগেও ২০২৪ সালে মন্ত্রী সুজিত বসুর একাধিক বাড়িতে ১৪ ঘন্টা ধরে তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল মন্ত্রীর পরিবারের সদ্যসদেরও। যে সময় দক্ষিণ দমদম পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন সুজিত বসু সেইসময় পুরসভার যাবতীয় কাজের বরাত পেত অয়ন শীলের সংস্থা ABS ইনফোজোন। নিয়োগ দুর্নীতিতে উদ্ধার যাবতীয় প্রমাণ সামনে রেখে এবং অয়ন শীল ও নিতাই দত্তের দেওয়া বয়ান অনুযায়ী মন্ত্রী সুজিত বসুকে করা হয়েছিল একাধিক জিজ্ঞাসাবাদ।
সুজিত বসু দক্ষিণ দমদম পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান থাকা অবস্থায় বকলমে নিতাই দত্ত ছিল তার সেক্রেটারি। ২০২৩ সালে নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে দক্ষিণ দমদম উপ পুরপ্রধান নিত্তাই দত্তের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। তল্লাশিতে উদ্ধার হয় পুরসভায় নিয়োগ সংক্ৰান্ত ৭ পাতার নথি সহ পুরসভার এপয়েন্টমেন্ট লেটার। ইডি সিজিও কমপ্লেক্সে নিতাই দত্তকে ডেকে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল।
দক্ষিণ দমদম পুরসভার ২০২০ সালে একইদিনে ইন্টারভিউ ছাড়াই ২৯ জনের নিয়োগের অভিযোগ। ২০১৪ সাল থেকে দক্ষিণ দমদম পুরসভার নিয়োগের সংখ্যা ৩২৯। যার মধ্যে ২০২০ সালে গ্রুপ সি ও ডি পদে ৩০৩ জনের নিয়োগের কথা CBI তাদের চার্জশিটে উল্লেখ করেছিল। এই প্রতিটি নিয়োগ নিয়েই প্রশ্ন কেন্দ্রীয় এজেন্সির। ইডির দাবি, অর্থের বিনিময়ে নিয়োগ হয়েছে। কত টাকার খেলা ? করা দিলো অর্থ ? সেই অর্থ কোথায় গেলো ? তারই উত্তর খুঁজছে ইডি। এই খোঁজেই শুক্রবার পুনরায় ভোটের আগে মন্ত্রী সুজিত বসুর অফিস সহ রেস্টুরেন্ট এ হানা দেয় ইডি।
এ প্রসঙ্গে সুজিত বসু বলেন, যখনি ইলেকশন আসে প্রত্যেকবারই ওরা এটা করে। যারা পার্টিতে এক্টিভলি কাজ করে তাদের বাড়ি অফিস এ যায়। আমার অফিস রেস্টুরেন্টে গেছে। ওদের কাজ করুক। এর আগেও আমার বাড়িতে তল্লাশি করেছে কিছু পায়নি। আবার এসেছে। এই জায়গাটা ওরা টার্গেট করছে। এই জায়গায় ওদের লোকজন নেই। রাজনৈতিক আক্রমণ হচ্ছে। এটা কেন হচ্ছে বুঝতে পারছি আমি।












Discussion about this post