হঠাৎই নরেন্দ্র মোদিকে ফোন ডোনাল্ড ট্রাম্পের। কথা হয় বেশ কিছু বিষয় নিয়ে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে বাংলাদেশ নিয়ে বলতে গেলে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, কিছুদিন দাঁড়িয়ে যান, আমি আসছি। সূত্র মারফত এই খবর চাউর হতেই, ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই দুটি লাইনের মানে নিয়ে চলছে বিস্তর আলোচনা। আসলে কি বলতে চাইলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প? তবে কি হাসিনার সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে চান তিনি? বাংলাদেশের ফেরার বিষয়ে হাসিনাকে নিশ্চিত করবেন? এমন নানা প্রশ্ন উঠে আসছে।
মার্চে ভারত সফর করতে পারেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে তারিখ এখনও নিশ্চিত হয়নি। তবে এটা নিশ্চিত, ভারতে এসে বাংলাদেশ নিয়ে কোনও চূড়ান্ত পদক্ষেপ করবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। কারণ এই মুহূর্তে বিশ্ব দরবারে অর্থনৈতিকভাবে পট পরিবর্তন চলছে। আর সেটা মার্কিন মুলুকে ডোনাল্ড ট্রাম্প বসার পরে। ট্রাম্পের শুল্ক নীতিতে বিশ্বের অর্থনৈতিতে পরিবর্তন আসছে। ফলে বাংলাদেশের চ্যাপ্টার ক্লোজ করতে উদ্যোগী নরেন্দ্র মোদি এবং ট্রাম্প। এটা বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, বাংলাদেশের উদ্ভট পরিস্থিতিতে কতটা সুরাহা করতে পারবেন দুই রাষ্ট্রপ্রধান?
এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতায় বসতেই বিস্ফোরক কিছু মন্তব্য করছেন। শুধু তাই নয়, এমন কিছু সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, যা মার্কিন ইতিহাসে কখনও ঘটেনি। কিছুদিন আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে গভর্নরদের এক ওয়ার্কিং সেশনে বক্তব্য দিয়েছেন। সেখানেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করেন। বাংলাদেশের রাজনীতি শক্তিশালী করতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কাছ থেকে এমন এক সংস্থা ২৯ মিলিয়ন ডলার পেয়েছে, যে সংস্থার নাম আগে কেউ শোনেনি, এমনকি সেই সংস্থায় মাত্র দুজন কাজ করেন বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের এমন অভিযোগে সমস্যায় পরবে না তো বাংলাদেশের সরকার?
এর আগে দেখা গিয়েছিল, চলতি মাসের মাঝামাঝি যুক্তরাষ্ট্রের ডিওজিই বাংলাদেশ ও ভারতসহ বিভিন্ন দেশের অনেক প্রকল্পের অর্থায়ন বাতিলের ঘোষণা দিয়েছিল। ডিওজিই ভেরিফায়েড এক্স হ্যান্ডলে জানিয়েছিল, বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিস্থিতি শক্তিশালী করার লক্ষ্যে নেওয়া ২৯ মিলিয়ন অর্থায়ন বাতিল করা হয়েছে। এর আগে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে তখনকার মার্কিন প্রশাসন বাংলাদেশের অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে কেউ বাধা সৃষ্টি করলে তার জন্য ভিসা নিষেধাজ্ঞা প্রয়োগের ঘোষণা দিয়েছিল। ডিওজিইর ওই বক্তব্যের পর এবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, বাংলাদেশের সার্বিক রাজনীতি শক্তিশালী করতে ২৯ মিলিয়ন ডলার এমন এক সংস্থার কাছে গেছে, যে সংস্থার নাম আগে কেউ শোনেনি। তিনি বলেন, ছোট একটি সংস্থা, এখান থেকে ১০ হাজার ডলার, সেখান থেকে ১০ হাজার ডলার পায়। সেখানে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কাছ থেকে পেয়েছে ২৯ মিলিয়ন ডলার।
অর্থাৎ বাংলাদেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তন ভাবিয়েছে ট্রাউম্পকে। এর পাশাপাশি কে কলকাঠি নেড়েছে, কার লাভ, সমস্ত বিষয়ে ওয়াকিবহাল তিনি। এরপর ভারত সফর করে বাংলাদেশের পরিস্থিতির কি মূল্যায়ন করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প সেদিকে তাকিয়ে রয়েছেন সবাই।












Discussion about this post