বাংলাদেশে এখন মৌলবাদীদের বাড়বাড়ন্ত। চলছে উদ্ভট এক পরিস্থিতি। তবে এর মধ্যে মোহম্মদ ইউনুস ঢোক গিলতে শুরু করেছেন। কারণ মৌলবাদীরা ক্ষমতায় এলে দেশ ছাড়তে বাধ্য হবে ইউনুসকেও। আর সেটা বুঝেই এখন প্রবল চাপে রয়েছেন বাংলাদেশের অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা। আর সেই কারণ থেকেই কি ভারত-বিদ্বেষ ভোলাতে চাইছেন ইউনুস? না হলে হঠাৎ তার গলায় ভারত নিয়ে সুর নরম করবেন কেন? অনুমান করা হচ্ছে, তার অস্তিত্ব যাতে বিলীন হয়ে না যায়, সেই কারণেই ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে চাইছেন নোবেল জয়ী। মত রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।
উল্লেখযোগ্য ভাবে, কয়েকদিন আগেই বিবিসি বাংলাকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎ করে মোঃ ইউনুস বলেছেন, দুই দেশের সম্পর্ক অত্যন্ত ভালো। তবে বেশ কিছু প্ররোচনা দেওয়া হচ্ছে। সেই কারণেই দুই দেশের সম্পর্কে খানিকটা মেঘ জমেছে। যেহেতু দুই দেশ দুই দেশের উপর নির্ভরশীল, তাই বন্ধুত্ব থাকাটাই সমীচীন। সাক্ষাৎকারে এমনই বক্তব্য তার।
এদিকে জঙ্গি নাশকতায় ক্ষতবিক্ষত পাকিস্তান। সেখানে হামলা হয়েছে। জানা যাচ্ছে, পাকিস্তানের সেনা ছাউনিতে হামলা জঙ্গিদের। জঙ্গি মদদ কতটা ভয়ংকর হতে পারে, সেটা কি এবার বুঝতে পারছেন মোহাম্মদ ইউনুস? পাকিস্তানের পরিণতি দেখে আশঙ্কায় রয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। আর এই পরিস্থিতিতে ভারতী একমাত্র সহায় হবে, ভাবছেন তিনি। সেই কারণেই সুর নরম ভারতের প্রতি।
কিছুদিন আগেও দেখা গিয়েছিল, ইউনূসের বক্তব্যে ভারত বিদ্বেষী মনোভাব। শুধু তাই নয়, তার উপদেষ্টা মন্ডলের সদস্যরাও একের পর এক হুমকি, হুঁশিয়ারি দিয়ে এসেছেন। যদিও তাদের এই হুমকি, হুঁশিয়ারি বিশ্ব রাজনীতির ক্ষেত্রে হাস্যকৌতুক হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। ভারত বিশ্ব দরবারে এখন কতটা শক্তিশালী, সেটা অজানা নয় বাংলাদেশের সেনাপ্রধান থেকে মোহাম্মদী ইউনূসের। কিন্তু ছাত্র নেতাদের অজ্ঞতার কারণেই ভারতকে চটিছে বাংলাদেশ। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন আরো একটি তত্ত্বের কথা।
কিছুদিন আগেই ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং নরেন্দ্র মোদীর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়। আর সেই বৈঠকে নদীর ওপরই আস্থা রাখেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। বাংলাদেশ নিয়ে যেকোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারে ভারত। তাতে আমেরিকার কোনও অসুবিধা থাকবে না। তাই চাপে পড়েছেন ইউনুস।
যদিও অন্য দেশের পরিস্থিতিতে হস্তক্ষেপ করা ভারতের রীতি নয়। সেটা নয়া দিল্লি করবেও না। কিন্তু সে দেশের সাধারণ নাগরিকের ওপর যদি অকারণে হামলা অত্যাচার হয়, এবং পাশাপাশি ভারতকে হুমকি হুঁশিয়ারি দিতে থাকে সেখানকার কট্টরপন্থী মৌলবাদীরা, তাতে চুপ থাকবে না ভারত।
প্রসঙ্গত, ইউনূসের আমলেই বাংলাদেশের বেড়ে উঠেছে কর্তার পন্থী মৌলবাদীরা। এমনকি যে সংগঠন গুলি হাসিনার আমলে নিষিদ্ধ ছিল, তারা এখন ইউনুসের জমানায় মুক্ত। ফলে জঙ্গি, কট্টরপন্থীর মুক্তাঞ্চলে পরিণত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আর তাদের বারবারান্ত এমন জায়গায় পৌঁছেছে, ঘুম উড়িয়েছে ইউনূসের। বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।












Discussion about this post