পাশে দাঁড়ালেন অভিষেক ব্যানার্জি। বঙ্গোপসাগরে টর্নেডোর কবলে মৃত আট মৎস্যজীবীর পরিবারগুলিকে আর্থিক সাহায্য করলেন সাংসদ ও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জি। যদিও তিনি নিজে আসতে পারেননি। অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের নির্দেশে সোমবার সাতসকালে মৃত ৮ মৎস্যজীবীদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য করতে আসেন মথুরাপুরের সাংসদ বাপি হালদার। মৃত মৎস্যজীবীদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি তাদের হাতে আর্থিক অনুদানও তুলে দেন সাংসদ। গত শুক্রবার রাতে বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়ে বাবা গোবিন্দ টলারটি উল্টে যায়। তারপর থেকে ৯ জন মৎস্যজীবীর কোনো হদিস পাওয়া যাচ্ছিল না। রবিবার সেই ট্রলারটি উদ্ধার করার পর সেখান থেকে ৮ জনের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। মূলত ইলিশ মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। আর ফেরা হল না আটজন মৎস্যজীবীর। ওই মৎস্যজীবীদের মৃতদেহ উদ্ধার হয় অভিশপ্ত ট্রলারের ভিতর থেকেই। পাদুরী দাস নামে এক মৎস্যজীবী এখনও নিখোঁজ। মারা গিয়েছেন কানাই দাস, বাসুদেব দাস, নিরঞ্জন দাস, জগবন্ধু দাস, নিখিল দাস, শঙ্কর দাস, মুকুন্দ বৈরাগী এবং সৌরভ দাস। একজনের খোঁজে এখনও তল্লাশি চালাচ্ছেন পুলিশ প্রশাসন ও মৎস্যজীবী সংগঠনের লোকজন। সোমবার ওই মৃত মৎস্যজীবীদের পরিবারের কাছে অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের প্রতিনিধি হয়ে সমবেদনা জানাতে যান মথরাপুর লোকসভার সাংসদ বাপি হালদার। সাংসদের হাতে মৃতদেহ সৎকার ও তাদের অন্তোষ্টিক্রিয়ার খরচ এবং কয়েকদিন সংসার চালানোর খরচ পাঠিয়ে দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই আর্থিক সাহায্য প্রত্যেকটি পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
বাংলাদেশের সেনাপ্রধানকে নিয়ে ভারতের সেনাপ্রধান মুখ খুলতেই কি নড়েচড়ে বসল, ইউনূসের জামাতী সরকার। ভারতের সেনাপ্রধানের আশ্বাস এবং বিশ্বাস ছিল দুই...
Read more












Discussion about this post