৭ ঘণ্টা ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের পর সিবিআই দপ্তর থেকে বেরলেন পানিহাটির বিধায়ক নির্মল ঘোষ। জানালেন, কেন ৯ আগস্ট, তরুণী চিকিৎসকের মৃত্যুর দিন তিনি আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গিয়েছিলেন। ৭ ঘণ্টা পর সিবিআই অফিস থেকে বেরিয়ে নির্মল ঘোষ বলেন, “৯ তারিখ সন্ধেয় আমি স্থানীয় বিধায়ক হিসাবে আমাদের অভয়ার বাড়ি আমার বিধানসভা এলাকায় আমি নিজে একটা মিট দ্য প্রেস করেছিলাম। ৫০-এর বেশি প্রেস ছিল। সেদিনের কথা যদি খেয়াল করেন, এত বড় নৃশংস অপরাধ আমার জীবনে আমি কম দেখেছি। সেদিন আমি বলেছিলাম, ফাঁসির থেকেও বড় শাস্তি দিতে হবে। সেই দাবি আমি এবং আমার সরকার এই দাবিতেই আমরা অটল আছি। অনেক প্রেস হয়ত ভুল করতে পারে, কিন্তু রাজ্যের এখন বিচার ব্যবস্থাটা সিবিআইয়ের হাতে। সেই সিবিআইতে আমি আজ এসেছিলাম ওদের সঙ্গে অ্যাপোয়েন্টমেন্ট করে। ওরাও আমায় আসার জন্য আপোয়েনমেন্ট করেছে। ওদের অনেক কথা ছিল। যেটা আমি এখানে বলতে পারি না। আমারও অনেক কথা ছিল, যেটা আমি এখানে বলতে চাই না। আমার এলাকার মেয়ে, আমার এলাকার ডাক্তার, আমার এলাকার সব আমি নিজে নৈতিক দায়িত্ব পালন করতে গিয়েছি। আমার সঙ্গে সেদিন দেখা হয়েছে। সন্দীপ ঘোষ আলোচনার মধ্যে আসে না।” পাশাপাশি, সন্দীপ ঘোষের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হয়েছিল কি না, তা নিয়েও মুখ খুললেন তিনি।সংবাদ মাধ্যমের এই প্রশ্নে সুর চড়ান নির্মল ঘোষ। তিনি বলেন, ‘কে সন্দীপ ঘোষ? ও আমার আলোচনার মধ্যে আসে না।’ তিনি বলেছেন, সন্দীপের সঙ্গে তাঁর কোনও বৈঠক হয়নি। সেদিন সন্দীপের সঙ্গে তাঁর কোনও কথা হয়নি বলে দাবি করেছেন। স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিক এবং পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি। উল্লেখ্য, আরজি করে গত ৯ অগস্ট চারতলার সেমিনার হল থেকে মহিলা চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। সে দিন হাসপাতালে গিয়েছিলেন নির্মল। বস্তুত, আরজি করের নির্যাতিতা যে এলাকার বাসিন্দা, নির্মল সেখানকার বিধায়ক। ওই দিন নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গেই তিনি হাসপাতালে গিয়েছিলেন। আদালতের নির্দেশে এই মামলার তদন্ত করছে সিবিআই। তারা বিধায়কের বয়ানও রেকর্ড করছে। এদিন সিজিও কমপ্লেক্সে থেকে বেরিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি আমার নৈতিক কর্তব্য পালন করেছি। আমি হাসপাতালে গিয়েছি। সেখান থেকে ডেড বডি নিয়ে বাড়িতে এসেছি। বাড়ি থেকে ডেড বডি নিয়ে শ্মশানে গিয়েছি। রাত বারোটার পর শশানের সৎকার কর্ম সম্পন্ন করে বাড়িতে এসেছি’।
বাংলাদেশের সেনাপ্রধানকে নিয়ে ভারতের সেনাপ্রধান মুখ খুলতেই কি নড়েচড়ে বসল, ইউনূসের জামাতী সরকার। ভারতের সেনাপ্রধানের আশ্বাস এবং বিশ্বাস ছিল দুই...
Read more












Discussion about this post