গত কয়েক দিন ধরেই সমাজমাধ্যমে কয়েকটি ছবি ঘুরে বেড়াচ্ছে। বিভিন্ন ব্যক্তির পোস্টে দাবি করা হয়েছে, ছবিটি ঢাকার বাঙলা কলেজের। বলা হচ্ছে, গত ১৭ সেপ্টেম্বর সেখানে একটি কাওয়ালি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেই অনুষ্ঠানে সামিল হয়েছিলেন ছাত্রছাত্রীরা। কিন্তু দেখা গিয়েছে ছাত্ররা স্টেজের সামনে বসে রয়েছে। আর তাদের পেছনে একটি পর্দার আড়ালে বসে রয়েছেন ছাত্রীরা। কেউ আবার উঁকি দিয়ে ওপারে কী হচ্ছে তা দেখার চেষ্টা করছেন। ছবিটা ভাইরাল হয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। বিষয়টি নজর এড়ায়নি সাহিত্যিক তসলিমা নাসরিনেরও। তিনি তীব্র ভাষায় এর প্রতিবাদ করেছেন। ঘটনার একটি ছবি পোস্ট করে সঙ্গে যে ক্যাপশন লিখেছেন তসলিমা, তাতে তাঁর হতাশা ও আক্ষেপ স্পষ্ট। সেখানেই তিনি লিখেছেন, ছাত্র ছাত্রীরা পাশাপাশি চলেছে, এক সঙ্গে সরকার পতনের আন্দোলন করেছে। যেই না সরকারের পতন হল, অমনি ছাত্রীদের পর্দার আড়ালে পাঠিয়ে দিল ছাত্র নামক জিহাদিরা। অবশেষে বোরখা নামক মোবাইল প্রিজনে ঢুকে যেতে বাধ্য হবে ছাত্রীরা। ”স্বাধীনতা” এসে মেয়েদের স্বাধীনতা কেড়ে নিল। যদিও, ওই ছবিকে সমর্থন করেছেন অনেকেই। কেউ লিখেছেন ইসলামে পর্দা করা উচিত। কেউ আবার লিখছেন, দুঃখজনক হল নারীরা এই কারাগারে ঢোকার জন্যই হুড়োহুড়ি করছিল। এবার তাদের শান্তি, এবার বেহেস্ত পাবে।
বাংলাদেশের সেনাপ্রধানকে নিয়ে ভারতের সেনাপ্রধান মুখ খুলতেই কি নড়েচড়ে বসল, ইউনূসের জামাতী সরকার। ভারতের সেনাপ্রধানের আশ্বাস এবং বিশ্বাস ছিল দুই...
Read more












Discussion about this post