আরজি কর কাণ্ডের শুরু থেকেই স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক এবং এলাকার তৃণমূল কাউন্সিলরের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল৷ এফআইআর দায়ের করা থেকে শুরু করে তড়িঘড়ি দেহ সৎকারের ব্যবস্থা করার মতো অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে৷ রবিবার সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বেরিয়ে নির্যাতিতার ময়নাতদন্ত নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করেন আরজি করের ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ অপূর্ব বিশ্বাস। সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি দাবি করেন, “ঘটনার দিন মেয়েটির কাকা পরিচয় দিয়ে একজন হুঁশিয়ারির সুরে আমাদের বলে দ্রুত ময়নাতদন্ত করতে হবে। না হলে রক্তগঙ্গা বইয়ে দেওয়া হবে ৷” এবার সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খুললেন সেই ‘কাকা’ সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়। তাঁর সাফ দাবি, সমস্ত দাবি মিথ্যা। প্রয়োজনে অভিযোগকারীর সঙ্গে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করুক, দাবি তাঁর। ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ অপূর্ব বিশ্বাসের অভিযোগ প্রসঙ্গে সোমবার সঞ্জীব মুখোপাধ্যায় বলেন, “আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। সেটার প্রমাণ দিতে সিবিআইকে বলব, অভিযোগকারীর সঙ্গে আমায় মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসা করা হোক। আমি অবাক। অপূর্ব বিশ্বাসকে আমি চিনি না, আমাকে উনি কি করে চিনলেন জানি না। বাড়ি ফিরেই মৃতার মা-বাবাকে বলব, তদন্তের স্বার্থে তাঁরা যেন সিবিআইকে বলেন আমাকে ডাকতে। আর তখন যেন ওঁকে আমার সামনাসামনি বসানো হয়। আমি নিজে ভীষণভাবে রাজি। যদি তখন মা-বাবা থাকেন আরও ভালো হয়। কারণ আমার কাছে বিষয়টি ভীষণভাবে স্বচ্ছ।” এদিকে সিপিএমের পানিহাটি-১ এরিয়া কমিটির তরফে এ দিন অনির্বাণ ভট্টাচার্য, শুভব্রত চক্রবর্তী, চারণ চক্রবর্তীরা ছবি দেখিয়ে পাল্টা দাবি করেছেন, ২০১৮ সালেই সঞ্জীব তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। অতীতে সিপিএমের পুর-প্রতিনিধি হলেও তিনি দলের সদস্যপদ পাননি। আর জি করের ঘটনায় সঞ্জীবের ভূমিকার সঙ্গে সিপিএমের কোনও যোগসূত্র নেই বলেই তাদের দাবি। নির্যাতিতার বাবা জানান, আমরা এ ব্যাপারে কিছু জানি না। গতকাল টেলিভিশনে এই সম্পর্কিত একটা খবর দেখছিলাম। আমরা এরকম কাউকে বলতে শুনিনি। তাছাড়া আমরা কাউকে বলার জন্য অনুমতিও দিইনি। আদালত বিষয়টি দেখবে। প্রতিবেশীর সঙ্গে যেরকম সম্পর্ক থাকা দরকার, সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে সেরকম সম্পর্কই রয়েছে আমাদের বলে দাবি করেন তিনি। অন্যদিকে, শুভেন্দু অধিকারী এই সঞ্জীব মুখোপাধ্যায় প্রসঙ্গে টুইটে লিখেছেন, এই ব্যক্তি কে? ওই ব্যক্তি হলেন সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়। তিনি পানিহাটি পুরসভার প্রাক্তন সিপিএম কাউন্সিলর। যিনি পরে টিএমসিতে যোগ দিয়েছিলেন। পানিহাটি টিএমসি বিধায়ক নির্মল ঘোষের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হয়েছিলেন। শুভেন্দু টুইটে আরও লিখেছেন, সবাই জানে ভিক্টিমকে তাড়াহুড়ো করে দাহ করা হয়েছে। পুলিশ শ্মশানের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছিল। শ্মশানে দাহকার্য শেষ করার জন্য প্রবল তাড়া ছিল। পানিহাটির বিধায়ক নির্মল ঘোষ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ অনুযায়ী নিজে উপস্থিত ছিলেন। আশ্চর্যের বিষয়, এই সঞ্জীব মুখোপাধ্যায় নিহতের আত্মীয় না হয়ে শ্মশান সনদে স্বাক্ষর করেছেন। নথিতে আরও একটি নাম/স্বাক্ষর রয়েছে। সোমনাথ দে। একই নামে পানিহাটি পুরসভার আরেক প্রাক্তন টিএমসি কাউন্সিলর রয়েছেন। তিনি কি একই ব্যক্তি?
বাংলাদেশের সেনাপ্রধানকে নিয়ে ভারতের সেনাপ্রধান মুখ খুলতেই কি নড়েচড়ে বসল, ইউনূসের জামাতী সরকার। ভারতের সেনাপ্রধানের আশ্বাস এবং বিশ্বাস ছিল দুই...
Read more












Discussion about this post