উত্তরবঙ্গের অর্থনীতির মেরুদন্ড হিসেবে পরিচিত ‘টি, টিম্বার এবং ট্যুরিজম’। কিন্তু দীর্ঘদিন থেকেই টি অর্থাৎ চা শ্রমিকরা ২০ শতাংশ বোনাসের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই কুড়ি শতাংশ বোনাসের বিষয় নিয়ে ৬ টি ত্রিপাক্ষিক বৈঠক হয়েছে কিন্তু তবুও কোনরকম সমাধান সূত্র বের হয়নি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উত্তরবঙ্গ সফরের সময় পাহাড় জুড়ে বারো ঘন্টার বন্ধের ডাক দিয়েছিল চা শ্রমিক সংগঠন। তারপরই শ্রমমদপ্তরের কাছে নির্দেশ আসে দ্রুততার সাথে এই সমস্যার সমাধান করতে আবারো পুনরায় ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে বসতে। কিন্তু এই বৈঠকেও কোনওরকম সমাধান সূত্র বের হয়নি। ১৩ শতাংশর বদলে ১৬ শতাংশ বোনাস দেওয়া হবে, এ ধরনের নির্দেশিকা জানানো হয় শ্রম দপ্তরের পক্ষ থেকে। কিন্তু ১৬ শতাংশ বোনাসে খুশি নন চা শ্রমিকরা। তাদের কুড়ি শতাংশ বোনাস দিতে হবে এই দাবিতে সেই বৈঠকও ভেস্তে যায়। ২০ শতাংশ বোনাসের দাবিতে বুধবার দার্জিলিংয়ে একটি মহা মিছিলের ডাক দেওয়া হয় চাষ শ্রমিক সংগঠনের পক্ষ থেকে। বুধবার সকালে দার্জিলিং শহরে সেই মিছিল সংগঠিত করা হয় চা শ্রমিক সংগঠনের পক্ষ থেকে। এই মিছিল থেকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়, বোনাস না হলে আরও বড় আন্দোলনে নামবেন তাঁরা। প্রসঙ্গত, আগে একাধিকবার বৈঠক হলেও কোনও নির্দিষ্ট রফা সূত্র বের হয়নি। শ্রমিক সংগঠনগুলির দাবি ছিল ২০ শতাংশ হারে দিতে হবে বোনাস। কিন্তু তা মানতে নারাজ মালিকপক্ষ। তাঁদের দাবি, ৮.৩৩ শতাংশের বেশি বোনাস দিলে তাঁদের বড়সড় ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। সে কারণেই এটা মানা সম্ভব নয়। যদিও তারপরও লাগাতার চলেছিল বৈঠক। কিন্তু, কেউ রাজি ছিলেন না জমি ছাড়তে। অবশেষে রাজ্য সরকারের এই আবেদন নিয়ে এখন শুরু হয়েছে জোর চর্চা। কলকাতায় ফেরার পথে বাগডোগরা বিমানবন্দরে এই নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি কোনও বনধ সমর্থন করি না। চা শ্রমিকদের দাবি। লেবার কমিশনের সঙ্গে ট্রায়পাটাইট মিটিং চলছে। ওরাই ডিসাইড করবে।”
কপাল বা ভাগ্য বলে একটি কথা আছে? অনেকে ধরে নিয়েছিল তারাই সরকার গঠন করবে। এমনকী জামাতও সেটাই বিশ্বাস করেছিল। কিন্তু...
Read more












Discussion about this post