বাঁশদ্রোণী থানায় রাতভর ধর্নায় বসার পর বৃহস্পতিবার সকালে রূপা গঙ্গোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করল পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা নাগাদ পুলিশের কয়েক জন আধিকারিক রূপাকে জানান, তাঁকে গ্রেফতার করা হচ্ছে। তার পর বাঁশদ্রোণী থানা চত্বর থেকেই পুলিশের লাল রঙের একটি গাড়িতে তোলা হয় রূপাকে। সঙ্গে ছিলেন মহিলা পুলিশকর্মীরা। বিজেপি কর্মীদের দাবি, গ্রেফতার করে লালবাজারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে প্রাক্তন বিজেপি সাংসদকে। বিজেপি নেত্রী রুবি মণ্ডল সহ মোট পাঁচ জনকে গ্রেফতার করা হয়। প্রতিবাদে রাতেই বাঁশদ্রোণী থানায় যান বিজেপির কর্মী ও সমর্থকরা। থানার বাইরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন তাঁরা। তাঁদের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন বিজেপি নেত্রী রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁদের বক্তব্য, কোনও অভিযোগ ছাড়াই বিজেপি নেত্রী রুবি-সহ অন্যদের গ্রেফতার করা হয়েছে। কিন্তু ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্তদের কাউকে এখনও গ্রেফতার করা হয়নি। মহালয়ার সকালে বাঁশদ্রোণীতে পে লোডারের ধাক্কায় মৃত্যু হয় নবম শ্রেণির এক ছাত্রের। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তপ্ত এলাকা। বুধবার দিনভর বিক্ষোভ দেখান এলাকার বাসিন্দারা। স্থানীয় সূত্রে খবর, দীনেশ নগরের ১১৩ নাম্বার ওয়ার্ডের বাসিন্দা ওই ছাত্র। ছাত্র মৃত্যুর খবর জানাজানি হতেই পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয় কাউন্সিল অনিতা কর মজুমদারকে ঘটনাস্থলে আসতে হবে। এই দাবিতে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে পুলিশ। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, আচমকাই একদল দুষ্কৃতী বিক্ষোভকারিদের উপর চড়াও হয়। মহিলাদের উপর হামলা চালানো হয় বলেও অভিযোগ। একজন মহিলা রাস্তায় শুয়ে পড়েন। এই পরিস্থিতিতে ঘটনাস্থলে আসেন পাটুলি থানার ওসি। তাকে কাদা জলে দাঁড় করিয়ে বিক্ষোভ দেখায় স্থানীয়রা। এরপর পুলিশ বাহিনী এসে ওসিকে উদ্ধার করে। ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন ডিসি দক্ষিণ শহরতলি বিদিশা কলিতা দাশগুপ্ত। ধরপাকড় শুরু হয়। দফায় দফায় বিক্ষোভ চলে। এদিকে এই ঘটনার পরে পুলিশকে বাঁচাতে এগিয়ে আসে শাসকদলের লোকজন। স্থানীয়দের দাবি, একেবারে পরিচিত তৃণমূলের নেতা কর্মীরা এগিয়ে আসেন পুলিশকে উদ্ধারে। তারাই স্থানীয়দের রীতিমতো ধাক্কা দিয়ে ফেলে পুলিশকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। এই ছবি দেখে কার্যত চমকে গিয়েছেন অনেকেই। ঘটনাস্থলে আসেন কলকাতা পুলিশের অসিন্টান্ট পুলিশ কমিশনার প্রদীপ ঘোষাল। তিনি বিক্ষোভকারিদের সঙ্গে কথা বলেন, আশ্বাস দেন অভিযুক্ত চালককে গ্রেফতার করা হবে। মহিলাদের উপর যে হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ। তার তদন্ত হবে। যদিও এরপরেও বিক্ষোভ থামেনি। স্থানীয় কাউন্সিল ও বিধায়কে ঘটনাস্থলে আসার দাবিতে ফের নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়। প্রসঙ্গত, বুধবার সকালে কোচিং সেন্টারে যাওয়ার সময় জেসিবির ধাক্কায় মৃত্যু হয় এক ছাত্রের। রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে চিকিৎসারা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। তারপর দফার দফায় বিক্ষোভ দেখায় স্থানীয় বাসিন্দা। এদিকে কাউন্সিল অনিতা কর মজুমদার বলেন, ঘটনাটি দুঃখাগ্যজনক। তবে এটা একটা বড় কাজ। কাজ শেষ হতে সময় লাগবে।
কপাল বা ভাগ্য বলে একটি কথা আছে? অনেকে ধরে নিয়েছিল তারাই সরকার গঠন করবে। এমনকী জামাতও সেটাই বিশ্বাস করেছিল। কিন্তু...
Read more












Discussion about this post