আর জি কর হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসককে খুন এবং ধর্ষণের ঘটনায় শুক্রবার টালা থানার এক মহিলা পুলিশকর্মী-সহ চার জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করল সিবিআই। তদন্তকারী সূত্রের দাবি, ওই চার জনেই পুলিশকর্মী। ৯ অগস্ট, ঘটনার দিন তাঁরা আর জি কর হাসপাতাল এবং থানায় কর্মরত ছিলেন। ঘটনার পরে প্রমাণ লোপাট নিয়ে তদন্ত করছে সিবিআই। সেই সূত্রেই এই চার জনকে সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করা হয়েছিল এবং বয়ান নথিবদ্ধ করা হয়। প্রমাণ সংরক্ষণে গাফিলতি সহ নানান অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল টালা থানার প্রাক্তন ওসি অভিজিৎ মণ্ডলকে। সম্প্রতি তাঁকে জেলে গিয়ে জেরা পর্যন্ত করা হয়। দাবি করা হয়, সেদিন সন্ধ্যাতেই যাতে দ্রুত তরুণী চিকিৎসকের দেহের মনাতদন্ত করা হয়, তার জন্যে পুলিশই নোট পাঠিয়েছিল হাসপাতালে। প্রসঙ্গত, আরজি কর কাণ্ডে আর্থিক দুর্নীতি মামলায় বৃহস্পতিবারই আশিস পান্ডেকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। সূত্রের খবর, সন্দীপ ঘোষের ডান হাত ছিলেন আশিস পান্ডে। চিকিৎসক অভীক দে-এরও ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ছিলেন তিনি। ৯ অগাস্ট আরজি করে উদ্ধার করা হয় তরুণী চিকিত্সকের দেহ। সেদিনই বিধাননগর এলাকার একটি হোটেলে এসে উঠেছিলেন আশিস পান্ডে।
বাংলাদেশের সেনাপ্রধানকে নিয়ে ভারতের সেনাপ্রধান মুখ খুলতেই কি নড়েচড়ে বসল, ইউনূসের জামাতী সরকার। ভারতের সেনাপ্রধানের আশ্বাস এবং বিশ্বাস ছিল দুই...
Read more












Discussion about this post