কৃষ্ণনগরে ছাত্রী খুনের ঘটনায় তদন্তে বড় পদক্ষেপ। তদন্তের দায়িত্ব থেকে সরানো হল সাব ইন্সপেক্টর সুমিত দেকে। তাঁর পরিবর্তে দায়িত্ব দেওয়া হল ইন্সপেক্টর পদ মর্যাদার আধিকারিক কৌশিক সাউকে। পুলিশ সূত্রে খবর, কৃষ্ণনগরের ঘটনা অত্যন্ত স্পর্শকাতর। দ্রুত সত্য সামনে আনার জন্য ইন্সপেক্টর পদ মর্যাদার কাউকে তদন্তভার দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় সিট গঠন করে তদন্তে নেমেছে রাজ্য পুলিশ। সেই তদন্তেই উঠে এসেছে একাধিক তথ্য। তদন্তকারীদের হাতে এসেছে একটি অডিয়ো। সেই অডিয়োটি মৃতার হোয়াটস্অ্যাপ অ্যাকাউন্টে পোস্ট করা হয়েছিল। তাতে এক মহিলাকণ্ঠকে বলতে শোনা গিয়েছে, ‘‘আমার মৃত্যুর জন্য আমিই নিজে দায়ী। আমি কখনও কাউকে দোষী করিনি, করবও না। এই পরিস্থিতির জন্য আমার পরিবার, বন্ধু বা প্রেমিক, কেউ দায়ী নন। বন্ধু-বান্ধবেরাও এর মধ্যে নেই। পরিবারের কোনও ব্যক্তিও নেই। আমার হবু বা তাঁর পরিবারও জড়িত নন।’’ পুলিশ সূত্রের দাবি, মঙ্গলবার ঘটনার দিন কৃষ্ণনগরেই ছিলেন রাহুল বসু। যিনি নির্যাতিতার প্রেমিক হিসাবে উল্লেখিত হচ্ছেন। তদন্তে সূত্র ধরে জানা যাচ্ছে, ঘটনার দিন রাতে দুজনের মধ্যে বেশ কিছুটা বচসা হয়। সেই অশান্তির জেরেই কি এই মৃত্যু? প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে। সূত্রের খবর, নির্যাতিতার সঙ্গে তাঁর প্রেমিকের বচসার সূত্রপাত তৃতীয় ব্যক্তিকে নিয়ে। ধৃত যুবক পুলিশের কাছে জানিয়েছে, ঘটনার দিনই তাদের ব্রেক আপ হয়। বেশ কিছু রিপোর্টের দাবি ‘লোকেশন’ অনুযায়ী সেই গোটা দিনে রাহুল কৃষ্ণনগরেই ছিলেন। দু’জনের দেখা হয়নি, কথা হয়েছিল ফোনে। ফোনেই সেদিন সম্পর্ক ছিন্ন করে রাহুল বলে খবর। গোটা ঘটনায় সামনে আসছে রাহুলের এক বান্ধবীর প্রসঙ্গও।
বাংলাদেশের সেনাপ্রধানকে নিয়ে ভারতের সেনাপ্রধান মুখ খুলতেই কি নড়েচড়ে বসল, ইউনূসের জামাতী সরকার। ভারতের সেনাপ্রধানের আশ্বাস এবং বিশ্বাস ছিল দুই...
Read more











Discussion about this post