ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’। আগামীকাল মধ্যরাত থেকে শুক্রবার সকালের মধ্যে ওড়িশার কেন্দ্রাপাড়া ও ভদ্রকের মাঝামাঝি ধামারায় আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা। ওড়িশার ১৪টি জেলায় প্রভাব পড়তে পারে। জারি হয়েছে লাল সতর্কতা। হাওয়া অফিসের এই সর্তকতার জেরে বিপর্যয় মোকাবিলায় যুদ্ধকালীন তৎপতায় পথে নেমেছে প্রশাসন। ওড়িশার পুরী থেকে বাংলার দিঘা, মন্দারমনি, বকখালি, কাকদ্বীপ- প্রশাসনিক ব্যস্ততা তুঙ্গে। বুধবার বিকেল ৫টার মধ্যে পর্যটকদের পুরী ছাড়ার ঘোষণা করেছে ওড়িশার প্রশাসন। একইভাবে বুধবার বেলা ১২টার মধ্যে পর্যটকদের হোটেল ছাড়ার নির্দেশ জারি করা হয়েছে দিঘা, মন্দারমনি, বকখালি, কাকদ্বীপে। সাইক্লোন মোকাবিলায় এবার পুরীতে বন্ধ করে দেওয়া হল জগন্নাথ মন্দির। সেই সঙ্গে বন্ধ করে দেওয়া হল কোনার্ক সূর্য মন্দির। পুরী মানেই তীর্থস্থান। জগন্নাথ মন্দিরে রোজ লাখ লাখ ভক্ত সমাগম হয়। অন্য দিকে, সূর্য মন্দিরেও ভিড় জমান পর্যটকরা। ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় ওই দুই মন্দিরের দ্বার বন্ধ করে দেওয়া হল। আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার নির্দেশ মেনেই বন্ধ করা হয়েছে জগন্নাথ মন্দির। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বন্ধ করা হল মন্দির। বিপর্যয় এড়াতে তড়িঘড়ি এলাকা ছাড়তে শুরু করেছেন পর্যটকেরা। সৈকত খালি করতে লাগাতার মাইকে প্রচার চালাচ্ছে স্থানীয় প্রশাসন। দুর্ঘটনা এড়াতে লাইফগার্ডের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি করা হয়েছে পুরীর সৈকতে। যাঁদের ফেরার ট্রেনের টিকিট শনি বা রবিবার কাটা ছিল, তাঁদের অনেকেই মঙ্গল-বুধে টিকিট করাতে শুরু করেছেন। অনেকে আবার ট্রেনের ভরসায় না থেকে বাসের সিট বুক করেছেন। ওড়িশা প্রশাসনও মঙ্গলবার থেকে পর্যটকদের পুরী ছাড়ার নির্দেশ দিতে শুরু করেছে। উপকূলবর্তী অঞ্চলে বিভিন্ন জ়োন মিলিয়ে মোট ১৯টি ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কলকাতা-পুরী এবং শিয়ালদহ-পুরী দুরন্ত এক্সপ্রেসও।
বাংলাদেশের সেনাপ্রধানকে নিয়ে ভারতের সেনাপ্রধান মুখ খুলতেই কি নড়েচড়ে বসল, ইউনূসের জামাতী সরকার। ভারতের সেনাপ্রধানের আশ্বাস এবং বিশ্বাস ছিল দুই...
Read more












Discussion about this post