হাতির দাঁত পাচারের অভিযোগে কলকাতার এক তৃণমূল নেতা-সহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করল বিহার পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে বিহারে। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃত তৃণমূল নেতা অশোক ঝা কলকাতার ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল নেতা। হাতির দাঁত পাচারের অভিযোগে বক্সার থেকে বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করে বিহার পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন শহর কলকাতার ওই তৃণমূল নেতা। এদিকে, হাতির দাঁত পাচারের অভিযোগে এক তৃণমূল নেতা গ্রেফতার হওয়ার ঘটনায় তুমুল কটাক্ষ ছুড়ে দিয়েছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকালে বিহারের বনদপ্তর পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে অভিযান চালায় ওই তৃণমূল নেতার বাড়িতে। অভিযানে তার বাড়ি থেকে ৪০ কেজি ওজনের ২টি হাতির দাঁত বাজেয়াপ্ত করা হয় বলে দাবি বনদপ্তরের। যার মোট ওজন ২০ কেজিরও বেশি। বাজারমূল্য লক্ষাধিক টাকা। ধৃতকে জেরা করে পুলিশ আরও ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। অশোক ওঝা তৃণমূলের উত্তর কলকাতার নেতা। একসময় তৃণমূলের উত্তর কলকাতার হিন্দি সেলের সহসভাপতি ছিলেন। এখন শাসকদলের কলকাতার ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি। বড়বাজারের রাজনীতিতে তিনি বিধায়ক বিবেক গুপ্তার ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। হাতির দাঁত পাচারের ঘটনায় তাঁর গ্রেফতারিতে অস্বস্তিতে পড়েছে রাজ্যের শাসকদল। এবিষয়ে বিজেপি নেতা তথা রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্যের কটাক্ষ, ‘বালি খেয়েছে, কয়লা খেয়েছে, গোরু খেয়েছে, মোষ খেয়েছে, মিড-ডে মিলের চাল খেয়েছে, রেশনের চাল খেয়েছে। চাকরি খেয়েছে, হাতির দাঁত পর্যন্ত খেয়ে নিয়েছে! এতো প্রতিভাবান দল, পারা যায় না! গোরু, মোষের খাবার নিয়ে এখনও কেলেঙ্কারি করতে পারেনি। সেজন্য লালু প্রসাদের কাছে দিয়ে আর্শীবাদ চাইছে, যে আপনি গোরু, মোষের খাবার হজম করে ফেলেছিলেন, ওই শিক্ষাটা আমাদের দিন। ওই শিক্ষা নিতে গিয়ে হাতির দাঁত বার করে নিয়েছে, চমত্কার বিষয়’। কলকাতা পুরসভার কাউন্সিলর সজল ঘোষ লেখেন, ‘তৃণমূলের নতুন বিরাপ্পান। এতদিন ওরা বালি, কয়লা, গরু, চাকরি চুরি করত। এখন ওরা হাতির দাঁতের স্মাগলিং-এও সিদ্ধ হস্ত।’ তবে তৃণমূল সাফ জানিয়েছে, অশোককে আগেই দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। দলের সঙ্গে তাঁর কোনও সম্পর্ক নেই। অযথা জলঘোলা করে রাজনৈতিক ফায়দা তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশের সেনাপ্রধানকে নিয়ে ভারতের সেনাপ্রধান মুখ খুলতেই কি নড়েচড়ে বসল, ইউনূসের জামাতী সরকার। ভারতের সেনাপ্রধানের আশ্বাস এবং বিশ্বাস ছিল দুই...
Read more












Discussion about this post